নারায়ণগঞ্জ
ফতুল্লায় ছিনতাইয়ের অভিযোগে গণপিটুনি, যুবকের মৃত্যু
NewsView5

নিউজভিউ ডেস্ক
নারায়ণগঞ্জের ফতুল্লার পশ্চিম মাসদাইর এলাকায় ছিনতাইয়ের অভিযোগ তুলে মো. সিজান (২২) নামে এক যুবককে গণপিটুনিতে হত্যার অভিযোগ উঠেছে। শনিবার (৪ জুলাই) রাত ১০টার দিকে এ ঘটনা ঘটে।
নিহত সিজান ওই এলাকার ইউনুছ ওরফে ইনু মিয়ার ছেলে।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্র জানায়, স্থানীয় স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন ‘আল ফালাহ’-এর সঙ্গে সংশ্লিষ্ট কয়েকজন এবং এলাকাবাসী সিজানকে মারধর করেন। নিহতের পরিবারের অভিযোগ, মোবাইল ফোন ছিনতাইয়ের অভিযোগ তুলে একদল লোক সিজানকে বাসা থেকে তুলে নিয়ে যায়। পরে তার হাত-পা বেঁধে মারধর করা হয়। গুরুতর আহত অবস্থায় তাকে নারায়ণগঞ্জের খানপুর হাসপাতালে নেওয়া হলে চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।
ঘটনার পর সিজানের মৃত্যুতে ক্ষুব্ধ হয়ে তার স্বজন ও বন্ধুরা এলাকায় ভাঙচুর চালান বলে স্থানীয়রা জানান।
অভিযোগের বিষয়ে স্থানীয় মসজিদের ইমাম ও আল ফালাহ সংগঠনের সংগঠক কাওছার আহমেদ বলেন, সিজানের বিরুদ্ধে মাদক সেবন, চোরাচালান ও ছিনতাইয়ের অভিযোগ ছিল। শনিবার নতুন করে ছিনতাইয়ের অভিযোগ ওঠার পর ক্ষুব্ধ জনতা তাকে মারধর করে।
এদিকে, ঘটনার পর সামাজিক মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া একটি ভিডিওতে কাওছার আহমেদকে জনতাকে সংঘবদ্ধ হওয়ার আহ্বান জানাতে এবং গণপিটুনির পক্ষে বক্তব্য দিতে শোনা যায়। ভিডিওটির সত্যতা নিয়ে পুলিশ তদন্ত করছে।
ফতুল্লা মডেল থানার ওসি মাহবুব আলম বলেন, মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য পাঠানো হয়েছে। নিহতের শরীরে আঘাতের চিহ্ন রয়েছে। তিনি বলেন, "কেউ অপরাধ করলেও আইন নিজের হাতে তুলে নেওয়ার সুযোগ নেই। ঘটনার সঙ্গে জড়িতদের শনাক্ত করে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।"
নিহত সিজান ওই এলাকার ইউনুছ ওরফে ইনু মিয়ার ছেলে।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্র জানায়, স্থানীয় স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন ‘আল ফালাহ’-এর সঙ্গে সংশ্লিষ্ট কয়েকজন এবং এলাকাবাসী সিজানকে মারধর করেন। নিহতের পরিবারের অভিযোগ, মোবাইল ফোন ছিনতাইয়ের অভিযোগ তুলে একদল লোক সিজানকে বাসা থেকে তুলে নিয়ে যায়। পরে তার হাত-পা বেঁধে মারধর করা হয়। গুরুতর আহত অবস্থায় তাকে নারায়ণগঞ্জের খানপুর হাসপাতালে নেওয়া হলে চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।
ঘটনার পর সিজানের মৃত্যুতে ক্ষুব্ধ হয়ে তার স্বজন ও বন্ধুরা এলাকায় ভাঙচুর চালান বলে স্থানীয়রা জানান।
অভিযোগের বিষয়ে স্থানীয় মসজিদের ইমাম ও আল ফালাহ সংগঠনের সংগঠক কাওছার আহমেদ বলেন, সিজানের বিরুদ্ধে মাদক সেবন, চোরাচালান ও ছিনতাইয়ের অভিযোগ ছিল। শনিবার নতুন করে ছিনতাইয়ের অভিযোগ ওঠার পর ক্ষুব্ধ জনতা তাকে মারধর করে।
এদিকে, ঘটনার পর সামাজিক মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া একটি ভিডিওতে কাওছার আহমেদকে জনতাকে সংঘবদ্ধ হওয়ার আহ্বান জানাতে এবং গণপিটুনির পক্ষে বক্তব্য দিতে শোনা যায়। ভিডিওটির সত্যতা নিয়ে পুলিশ তদন্ত করছে।
ফতুল্লা মডেল থানার ওসি মাহবুব আলম বলেন, মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য পাঠানো হয়েছে। নিহতের শরীরে আঘাতের চিহ্ন রয়েছে। তিনি বলেন, "কেউ অপরাধ করলেও আইন নিজের হাতে তুলে নেওয়ার সুযোগ নেই। ঘটনার সঙ্গে জড়িতদের শনাক্ত করে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।"
লোড হচ্ছে...