রাজনীতি
ইসিকে তরিকুল সুজন 'অভিযোগ দেওয়ার পরও নির্বাচন কমিশন কোনো পদক্ষেপ নিচ্ছে না'
NewsView

নিউজভিউ
আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে গণসংহতি আন্দোলন মনোনীত ‘মাথাল’ প্রতীকের প্রার্থী তারিকুল ইসলাম সুজন বলেছেন, স্বাস্থ্যসেবা কোনো দয়া নয়, বরং মানুষের মৌলিক অধিকার। তিনি ঘোষণা দেন, নির্বাচিত হলে শহর ও বন্দরের প্রতিটি নাগরিকের জন্য ‘হেলথ কার্ড’ চালু করা হবে, যার মাধ্যমে বিনামূল্যে মানসম্মত চিকিৎসাসেবা নিশ্চিত করা হবে।
শুক্রবার (৩০ জানুয়ারি) নির্বাচনি প্রচারণার অংশ হিসেবে বন্দর উপজেলার আমীন আবাসিক এলাকা, রূপালী, ত্রিবেণী খাল, বন্দর বাজার, নবীগঞ্জ ঘাট এবং ঐতিহাসিক কদমরসূল দরগাহ সংলগ্ন এলাকায় দিনব্যাপী গণসংযোগকালে তিনি এসব কথা বলেন।
তারিকুল ইসলাম সুজন বলেন, “বর্তমানে সাধারণ মানুষের জন্য চিকিৎসা ব্যয় মেটানো দুঃসাধ্য হয়ে পড়েছে। আমরা নির্বাচিত হলে প্রতিটি নাগরিককে একটি করে হেলথ কার্ড দেব। এই কার্ডের মাধ্যমে সরকারি হাসপাতাল ও কমিউনিটি ক্লিনিকগুলোতে বিনামূল্যে প্রাথমিক চিকিৎসা, মাতৃ ও শিশু স্বাস্থ্যসেবা, জরুরি পরীক্ষা-নিরীক্ষা এবং প্রয়োজনীয় ঔষধ পাওয়া যাবে। বিশেষ করে শ্রমজীবী, নিম্ন আয়ের মানুষ ও প্রতিবন্ধীদের জন্য এটি হবে একটি স্থায়ী স্বাস্থ্য সুরক্ষা ব্যবস্থা।” তিনি আরও জানান, পুরো প্রক্রিয়াটি ডিজিটাল পদ্ধতিতে পরিচালিত হবে যাতে স্বচ্ছতা বজায় থাকে।
প্রচারণা চলাকালে তারিকুল ইসলাম সুজন প্রতিপক্ষ প্রার্থীদের সমর্থকদের বিরুদ্ধে ব্যানার ও ফেস্টুন ছেঁড়ার অভিযোগ তোলেন। তিনি ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, “আমরা সীমিত সামর্থ্য নিয়ে প্রচারণা চালাচ্ছি। কিন্তু অত্যন্ত দুঃখের বিষয়, বন্দরের অধিকাংশ এলাকায় আমাদের ফেস্টুন ছিঁড়ে ফেলা হয়েছে। বারবার অভিযোগ দেওয়ার পরও নির্বাচন কমিশন (ইসি) কোনো দৃশ্যমান পদক্ষেপ নিচ্ছে না। কমিশনের এমন নিষ্ক্রিয়তা বজায় থাকলে অবাধ ও সুষ্ঠু নির্বাচন নিয়ে জনমনে প্রশ্ন দেখা দেবে।” তিনি অনতিবিলম্বে ইসির সক্রিয় ভূমিকা দাবি করেন।
গণসংযোগে প্রার্থীর সাথে আরও উপস্থিত ছিলেন গণসংহতি আন্দোলন নারায়ণগঞ্জ জেলার নির্বাচন পরিচালনা কমিটির সদস্য সচিব আলমগীর হোসেন আলম, ছাত্র ফেডারেশনের সাবেক জেলা সভাপতি ফারহানা মানিক মুনা, গার্মেন্ট শ্রমিক সংহতির জেলা আহ্বায়ক আব্দুল আল মামুন, প্রতিবেশ আন্দোলনের জেলা আহ্বায়ক রাইসুল রাব্বি, যুব ফেডারেশনের কেন্দ্রীয় নেতা আবুল হোসেন মারুফ এবং ছাত্র ফেডারেশনের সৃজয় সাহা ও রনি শেখসহ স্থানীয় নেতারা।
গণসংযোগকালে এলাকার সাধারণ মানুষের মধ্যে ‘মাথাল’ প্রতীক নিয়ে ব্যাপক উৎসাহ দেখা যায়। ভোটাররা প্রার্থীর কাছে স্থানীয় ড্রেনেজ ব্যবস্থা ও মাদক নির্মূলের দাবি জানান।
আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে গণসংহতি আন্দোলন মনোনীত ‘মাথাল’ প্রতীকের প্রার্থী তারিকুল ইসলাম সুজন বলেছেন, স্বাস্থ্যসেবা কোনো দয়া নয়, বরং মানুষের মৌলিক অধিকার। তিনি ঘোষণা দেন, নির্বাচিত হলে শহর ও বন্দরের প্রতিটি নাগরিকের জন্য ‘হেলথ কার্ড’ চালু করা হবে, যার মাধ্যমে বিনামূল্যে মানসম্মত চিকিৎসাসেবা নিশ্চিত করা হবে।
শুক্রবার (৩০ জানুয়ারি) নির্বাচনি প্রচারণার অংশ হিসেবে বন্দর উপজেলার আমীন আবাসিক এলাকা, রূপালী, ত্রিবেণী খাল, বন্দর বাজার, নবীগঞ্জ ঘাট এবং ঐতিহাসিক কদমরসূল দরগাহ সংলগ্ন এলাকায় দিনব্যাপী গণসংযোগকালে তিনি এসব কথা বলেন।
তারিকুল ইসলাম সুজন বলেন, “বর্তমানে সাধারণ মানুষের জন্য চিকিৎসা ব্যয় মেটানো দুঃসাধ্য হয়ে পড়েছে। আমরা নির্বাচিত হলে প্রতিটি নাগরিককে একটি করে হেলথ কার্ড দেব। এই কার্ডের মাধ্যমে সরকারি হাসপাতাল ও কমিউনিটি ক্লিনিকগুলোতে বিনামূল্যে প্রাথমিক চিকিৎসা, মাতৃ ও শিশু স্বাস্থ্যসেবা, জরুরি পরীক্ষা-নিরীক্ষা এবং প্রয়োজনীয় ঔষধ পাওয়া যাবে। বিশেষ করে শ্রমজীবী, নিম্ন আয়ের মানুষ ও প্রতিবন্ধীদের জন্য এটি হবে একটি স্থায়ী স্বাস্থ্য সুরক্ষা ব্যবস্থা।” তিনি আরও জানান, পুরো প্রক্রিয়াটি ডিজিটাল পদ্ধতিতে পরিচালিত হবে যাতে স্বচ্ছতা বজায় থাকে।
প্রচারণা চলাকালে তারিকুল ইসলাম সুজন প্রতিপক্ষ প্রার্থীদের সমর্থকদের বিরুদ্ধে ব্যানার ও ফেস্টুন ছেঁড়ার অভিযোগ তোলেন। তিনি ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, “আমরা সীমিত সামর্থ্য নিয়ে প্রচারণা চালাচ্ছি। কিন্তু অত্যন্ত দুঃখের বিষয়, বন্দরের অধিকাংশ এলাকায় আমাদের ফেস্টুন ছিঁড়ে ফেলা হয়েছে। বারবার অভিযোগ দেওয়ার পরও নির্বাচন কমিশন (ইসি) কোনো দৃশ্যমান পদক্ষেপ নিচ্ছে না। কমিশনের এমন নিষ্ক্রিয়তা বজায় থাকলে অবাধ ও সুষ্ঠু নির্বাচন নিয়ে জনমনে প্রশ্ন দেখা দেবে।” তিনি অনতিবিলম্বে ইসির সক্রিয় ভূমিকা দাবি করেন।
গণসংযোগে প্রার্থীর সাথে আরও উপস্থিত ছিলেন গণসংহতি আন্দোলন নারায়ণগঞ্জ জেলার নির্বাচন পরিচালনা কমিটির সদস্য সচিব আলমগীর হোসেন আলম, ছাত্র ফেডারেশনের সাবেক জেলা সভাপতি ফারহানা মানিক মুনা, গার্মেন্ট শ্রমিক সংহতির জেলা আহ্বায়ক আব্দুল আল মামুন, প্রতিবেশ আন্দোলনের জেলা আহ্বায়ক রাইসুল রাব্বি, যুব ফেডারেশনের কেন্দ্রীয় নেতা আবুল হোসেন মারুফ এবং ছাত্র ফেডারেশনের সৃজয় সাহা ও রনি শেখসহ স্থানীয় নেতারা।
গণসংযোগকালে এলাকার সাধারণ মানুষের মধ্যে ‘মাথাল’ প্রতীক নিয়ে ব্যাপক উৎসাহ দেখা যায়। ভোটাররা প্রার্থীর কাছে স্থানীয় ড্রেনেজ ব্যবস্থা ও মাদক নির্মূলের দাবি জানান।
লোড হচ্ছে...