আন্তর্জাতিক
ইরানে ‘গণগ্রেপ্তার’ চলছে, আতঙ্কে সাধারণ মানুষ
NewsView

নিউজভিউ ডেস্ক
সাম্প্রতিক সরকারবিরোধী বিক্ষোভ কঠোর হাতে দমনের পর এবার ইরানজুড়ে শুরু হয়েছে ব্যাপক গণগ্রেপ্তার অভিযান। নতুন করে যেন কোনো বিক্ষোভ দানা বাঁধতে না পারে, সেজন্য সাদা পোশাকের নিরাপত্তা বাহিনী দেশজুড়ে এক ভীতিকর পরিস্থিতির সৃষ্টি করেছে। সাধারণ মানুষের মধ্যে এখন চরম আতঙ্ক বিরাজ করছে এবং নিরাপত্তা বাহিনীর উপস্থিতি ও ধরপাকড়ে জনজীবন কার্যত স্থবির হয়ে পড়েছে।
ইরানের বিভিন্ন এলাকা থেকে পাওয়া তথ্যানুযায়ী, সাদা পোশাকের নিরাপত্তা বাহিনী রাস্তার মোড়ে মোড়ে চেকপয়েন্ট বসিয়ে তল্লাশি চালাচ্ছে। পাঁচজন স্থানীয় মানবাধিকারকর্মী জানিয়েছেন, সন্দেহভাজনদের ধরে নিয়ে অজ্ঞাত স্থানে রাখা হচ্ছে। একজন কর্মী রয়টার্সকে জানান যে তারা যাকে পাচ্ছে তাকেই গ্রেপ্তার করছে এবং আটকদের কোথায় রাখা হয়েছে বা তাদের অপরাধ কী, তা জানানো হচ্ছে না। মূলত ভীতিকর পরিবেশ তৈরি করে সমাজকে শান্ত রাখাই এখন তেহরানের কৌশল বলে মনে করছেন বিশ্লেষকরা।
গত বছরের ডিসেম্বরের শেষ দিকে তেহরানের গ্র্যান্ড বাজারে অর্থনৈতিক সংকটের প্রতিবাদে যে আন্দোলন শুরু হয়েছিল, তা দ্রুতই রাজনৈতিক রূপ নেয়। আন্দোলনকারীরা সরাসরি শাসকদের পদত্যাগ দাবি করলে ইসলামি শাসনের গত পাঁচ দশকের ইতিহাসে সবচেয়ে বড় সংকট তৈরি হয়। মানবাধিকার সংস্থা এইচআরএএনএ-এর তথ্যমতে, এই বিক্ষোভে এখন পর্যন্ত ৬ হাজার ৩৭৩ জন প্রাণ হারিয়েছেন, যার মধ্যে ৫ হাজার ৯৯৩ জনই বিক্ষোভকারী। এছাড়া ১১৪ জন শিশু এবং ২১৪ জন নিরাপত্তা বাহিনীর সদস্য নিহত হয়েছেন। গ্রেপ্তারের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৪২ হাজার ৪৮৬ জনে।
চিকিৎসকদের দেওয়া তথ্যে উঠে এসেছে আরও ভয়াবহ চিত্র। অনেক আহত বিক্ষোভকারীকে হাসপাতাল থেকে সরাসরি তুলে নিয়ে গেছে নিরাপত্তা বাহিনী। এমনকি যারা আহতদের মানবিক কারণে চিকিৎসা দিয়েছিলেন, সেইসব চিকিৎসক ও নার্সদেরও গ্রেপ্তার কিংবা তলব করা হচ্ছে। তেহরান অবশ্য এই সহিংসতার জন্য ইসরায়েল ও যুক্তরাষ্ট্রের মদদপুষ্ট ‘সশস্ত্র সন্ত্রাসীদের’ দায়ী করেছে। তাদের দাবি অনুযায়ী নিহতের সংখ্যা ৩ হাজার ১১৭ জন।
এই অভ্যন্তরীণ সংকটের মাঝেই মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের সামরিক হামলার হুঁশিয়ারি ইরানের সংকটকে আরও ঘনীভূত করেছে। ট্রাম্প স্পষ্ট জানিয়েছেন, ইরান যদি পারমাণবিক কর্মসূচি নিয়ে দ্রুত আলোচনায় না বসে, তবে জুনের বিমান হামলার চেয়েও ভয়াবহ হামলা চালানো হবে। পশ্চিমা সূত্রগুলো বলছে, ট্রাম্প এবার সরাসরি ইরানের নিরাপত্তা বাহিনীর শীর্ষ নেতা ও গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনাকে লক্ষ্যবস্তু করার পরিকল্পনা করছেন। তবে বিশ্লেষকরা মনে করছেন, শুধু আকাশপথে হামলা চালিয়ে এই শাসনব্যবস্থার পতন ঘটানো কঠিন হতে পারে। সূত্র: রয়টার্স ও আল-জাজিরা
সাম্প্রতিক সরকারবিরোধী বিক্ষোভ কঠোর হাতে দমনের পর এবার ইরানজুড়ে শুরু হয়েছে ব্যাপক গণগ্রেপ্তার অভিযান। নতুন করে যেন কোনো বিক্ষোভ দানা বাঁধতে না পারে, সেজন্য সাদা পোশাকের নিরাপত্তা বাহিনী দেশজুড়ে এক ভীতিকর পরিস্থিতির সৃষ্টি করেছে। সাধারণ মানুষের মধ্যে এখন চরম আতঙ্ক বিরাজ করছে এবং নিরাপত্তা বাহিনীর উপস্থিতি ও ধরপাকড়ে জনজীবন কার্যত স্থবির হয়ে পড়েছে।
ইরানের বিভিন্ন এলাকা থেকে পাওয়া তথ্যানুযায়ী, সাদা পোশাকের নিরাপত্তা বাহিনী রাস্তার মোড়ে মোড়ে চেকপয়েন্ট বসিয়ে তল্লাশি চালাচ্ছে। পাঁচজন স্থানীয় মানবাধিকারকর্মী জানিয়েছেন, সন্দেহভাজনদের ধরে নিয়ে অজ্ঞাত স্থানে রাখা হচ্ছে। একজন কর্মী রয়টার্সকে জানান যে তারা যাকে পাচ্ছে তাকেই গ্রেপ্তার করছে এবং আটকদের কোথায় রাখা হয়েছে বা তাদের অপরাধ কী, তা জানানো হচ্ছে না। মূলত ভীতিকর পরিবেশ তৈরি করে সমাজকে শান্ত রাখাই এখন তেহরানের কৌশল বলে মনে করছেন বিশ্লেষকরা।
গত বছরের ডিসেম্বরের শেষ দিকে তেহরানের গ্র্যান্ড বাজারে অর্থনৈতিক সংকটের প্রতিবাদে যে আন্দোলন শুরু হয়েছিল, তা দ্রুতই রাজনৈতিক রূপ নেয়। আন্দোলনকারীরা সরাসরি শাসকদের পদত্যাগ দাবি করলে ইসলামি শাসনের গত পাঁচ দশকের ইতিহাসে সবচেয়ে বড় সংকট তৈরি হয়। মানবাধিকার সংস্থা এইচআরএএনএ-এর তথ্যমতে, এই বিক্ষোভে এখন পর্যন্ত ৬ হাজার ৩৭৩ জন প্রাণ হারিয়েছেন, যার মধ্যে ৫ হাজার ৯৯৩ জনই বিক্ষোভকারী। এছাড়া ১১৪ জন শিশু এবং ২১৪ জন নিরাপত্তা বাহিনীর সদস্য নিহত হয়েছেন। গ্রেপ্তারের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৪২ হাজার ৪৮৬ জনে।
চিকিৎসকদের দেওয়া তথ্যে উঠে এসেছে আরও ভয়াবহ চিত্র। অনেক আহত বিক্ষোভকারীকে হাসপাতাল থেকে সরাসরি তুলে নিয়ে গেছে নিরাপত্তা বাহিনী। এমনকি যারা আহতদের মানবিক কারণে চিকিৎসা দিয়েছিলেন, সেইসব চিকিৎসক ও নার্সদেরও গ্রেপ্তার কিংবা তলব করা হচ্ছে। তেহরান অবশ্য এই সহিংসতার জন্য ইসরায়েল ও যুক্তরাষ্ট্রের মদদপুষ্ট ‘সশস্ত্র সন্ত্রাসীদের’ দায়ী করেছে। তাদের দাবি অনুযায়ী নিহতের সংখ্যা ৩ হাজার ১১৭ জন।
এই অভ্যন্তরীণ সংকটের মাঝেই মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের সামরিক হামলার হুঁশিয়ারি ইরানের সংকটকে আরও ঘনীভূত করেছে। ট্রাম্প স্পষ্ট জানিয়েছেন, ইরান যদি পারমাণবিক কর্মসূচি নিয়ে দ্রুত আলোচনায় না বসে, তবে জুনের বিমান হামলার চেয়েও ভয়াবহ হামলা চালানো হবে। পশ্চিমা সূত্রগুলো বলছে, ট্রাম্প এবার সরাসরি ইরানের নিরাপত্তা বাহিনীর শীর্ষ নেতা ও গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনাকে লক্ষ্যবস্তু করার পরিকল্পনা করছেন। তবে বিশ্লেষকরা মনে করছেন, শুধু আকাশপথে হামলা চালিয়ে এই শাসনব্যবস্থার পতন ঘটানো কঠিন হতে পারে। সূত্র: রয়টার্স ও আল-জাজিরা
লোড হচ্ছে...