নারায়ণগঞ্জ
৬ দফা দাবিতে সেঞ্চুরি অ্যাপারেলস শ্রমিকদের বিক্ষোভ সমাবেশ
NewsView5
.jpg)
নিউজভিউ
বন্ধ ঘোষিত সেঞ্চুরি অ্যাপারেলস লিমিটেড পুনরায় চালু, শ্রম আইন অনুযায়ী সব পাওনা পরিশোধসহ ছয় দফা দাবিতে নারায়ণগঞ্জে শত শত শ্রমিক বিক্ষোভ সমাবেশ ও মিছিল করেছেন।
শুক্রবার (৩১ জুলাই) বিকেল ৩টায় নারায়ণগঞ্জ প্রেসক্লাবের সামনে আয়োজিত সমাবেশ শেষে শ্রমিকরা শহরের বিভিন্ন সড়ক প্রদক্ষিণ করে বিক্ষোভ মিছিল করেন।
সমাবেশে বক্তারা অভিযোগ করেন, গত ২৯ জুন মালিকপক্ষ শ্রমিক ইউনিয়ন বা শ্রমিকদের আগাম অবহিত না করেই কারখানা বন্ধ ঘোষণা করে। এতে শত শত শ্রমিক ও তাদের পরিবার জীবিকা সংকটে পড়েছে। তাদের দাবি, বাংলাদেশ শ্রম আইন অনুযায়ী ক্ষতিপূরণসহ সব আইনানুগ পাওনা এখনো পরিশোধ করা হয়নি।
সমাবেশে সভাপতিত্ব করেন সেঞ্চুরি অ্যাপারেলস শ্রমিক ইউনিয়নের সভাপতি মো. শহিদুল ইসলাম। বক্তব্য দেন গার্মেন্টস শ্রমিক ফ্রন্ট নারায়ণগঞ্জ জেলার সভাপতি সেলিম মাহমুদ, সাধারণ সম্পাদক সাইফুল ইসলাম শরীফ, সহসভাপতি হাসনাত কবির, মোফাজ্জল হোসেনসহ বিভিন্ন বিভাগের শ্রমিক প্রতিনিধিরা।
বক্তারা বলেন, বর্তমান দ্রব্যমূল্য বৃদ্ধি ও বেকারত্বের কারণে শ্রমিক পরিবারগুলো চরম আর্থিক সংকটে রয়েছে। তারা শ্রমিকদের বিরুদ্ধে হয়রানি, মিথ্যা মামলা ও দমন-পীড়ন বন্ধেরও দাবি জানান।
সমাবেশ থেকে ঘোষিত ছয় দফার মধ্যে রয়েছে—কারখানা পুনরায় চালু, বর্তমান শ্রমিকদের অগ্রাধিকার ভিত্তিতে পুনর্বহাল, সব আইনানুগ পাওনা দ্রুত পরিশোধ, নিয়োগপত্র ও সার্ভিস বুক প্রদান, হয়রানি বন্ধ এবং শ্রমিকদের ব্ল্যাকলিস্ট না করা।
দাবি বাস্তবায়ন না হলে বৃহত্তর আন্দোলনের কর্মসূচি ঘোষণার হুঁশিয়ারি দেন শ্রমিক নেতারা।
শুক্রবার (৩১ জুলাই) বিকেল ৩টায় নারায়ণগঞ্জ প্রেসক্লাবের সামনে আয়োজিত সমাবেশ শেষে শ্রমিকরা শহরের বিভিন্ন সড়ক প্রদক্ষিণ করে বিক্ষোভ মিছিল করেন।
সমাবেশে বক্তারা অভিযোগ করেন, গত ২৯ জুন মালিকপক্ষ শ্রমিক ইউনিয়ন বা শ্রমিকদের আগাম অবহিত না করেই কারখানা বন্ধ ঘোষণা করে। এতে শত শত শ্রমিক ও তাদের পরিবার জীবিকা সংকটে পড়েছে। তাদের দাবি, বাংলাদেশ শ্রম আইন অনুযায়ী ক্ষতিপূরণসহ সব আইনানুগ পাওনা এখনো পরিশোধ করা হয়নি।
সমাবেশে সভাপতিত্ব করেন সেঞ্চুরি অ্যাপারেলস শ্রমিক ইউনিয়নের সভাপতি মো. শহিদুল ইসলাম। বক্তব্য দেন গার্মেন্টস শ্রমিক ফ্রন্ট নারায়ণগঞ্জ জেলার সভাপতি সেলিম মাহমুদ, সাধারণ সম্পাদক সাইফুল ইসলাম শরীফ, সহসভাপতি হাসনাত কবির, মোফাজ্জল হোসেনসহ বিভিন্ন বিভাগের শ্রমিক প্রতিনিধিরা।
বক্তারা বলেন, বর্তমান দ্রব্যমূল্য বৃদ্ধি ও বেকারত্বের কারণে শ্রমিক পরিবারগুলো চরম আর্থিক সংকটে রয়েছে। তারা শ্রমিকদের বিরুদ্ধে হয়রানি, মিথ্যা মামলা ও দমন-পীড়ন বন্ধেরও দাবি জানান।
সমাবেশ থেকে ঘোষিত ছয় দফার মধ্যে রয়েছে—কারখানা পুনরায় চালু, বর্তমান শ্রমিকদের অগ্রাধিকার ভিত্তিতে পুনর্বহাল, সব আইনানুগ পাওনা দ্রুত পরিশোধ, নিয়োগপত্র ও সার্ভিস বুক প্রদান, হয়রানি বন্ধ এবং শ্রমিকদের ব্ল্যাকলিস্ট না করা।
দাবি বাস্তবায়ন না হলে বৃহত্তর আন্দোলনের কর্মসূচি ঘোষণার হুঁশিয়ারি দেন শ্রমিক নেতারা।
লোড হচ্ছে...