রাজনীতিসদর
সংসদে গরিবের প্রতিনিধি না থাকলে ভাগ্য বদলাবে না: ইকবাল
NewsView

নিউজভিউ
দেশ চলে মেহনতি মানুষের শ্রমে ও ঘামে, অথচ রাষ্ট্রীয় সিদ্ধান্ত নেওয়ার জায়গায় গরিব মানুষের কোনো প্রতিনিধি নেই বলে মন্তব্য করেছেন নারায়ণগঞ্জ-৪ (ফতুল্লা) আসনে সিপিবি মনোনীত ‘কাস্তে’ প্রতীকের প্রার্থী শ্রমিক নেতা ইকবাল হোসেন। শনিবার (৭ ফেব্রুয়ারি) বিকেলে ফতুল্লার বিসিক ও শাসনগাঁওসহ শিল্পাঞ্চল এলাকার বিভিন্ন পয়েন্টে গণসংযোগকালে তিনি এ কথা বলেন।
বিকেল ৪টা থেকে রাত ৮টা পর্যন্ত ইকবাল হোসেন দেওভোগ, কাশিপুর বাংলা বাজার, দেওয়ান বাড়ী, ভুলাইল গেদ্দার বাজার, এনায়েত নগর, মুসলিম নগর, শাসন গাঁও এবং বিসিক শিল্প এলাকায় ব্যাপক গণসংযোগ করেন। এ সময় তিনি দিনমজুর, পোশাক শ্রমিক ও সাধারণ মেহনতি মানুষের মুখোমুখি হয়ে তাদের অভাব-অনটন এবং ন্যায্য মজুরি না পাওয়ার দুঃখ-দুর্দশার কথা শোনেন।
পথসভায় ইকবাল হোসেন বলেন, “গত ৫৪ বছর ধরে লুটেরা ধনিক শ্রেণির দলগুলো সন্ত্রাস ও ভয়ের রাজনীতি কায়েম করে জনগণের সম্পদ ও কথা বলার অধিকার কেড়ে নিয়েছিল। ২৪-এর গণঅভ্যুত্থানে ফ্যাসিস্ট সরকারের পতনের পর দেশে পরিবর্তনের যে সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে, তাকে কাজে লাগাতে হবে। সন্ত্রাসী ও চাঁদাবাজদের বর্জন করে নীতিনিষ্ঠ রাজনৈতিক বিকল্প শক্তি গড়ে তুলতে হবে।”
শ্রমিক শ্রেণির প্রতিনিধি হিসেবে নিজেকে তুলে ধরে তিনি বলেন, “আপনারা যদি আমাকে নির্বাচিত করেন, তবে আমি কথা দিচ্ছি—শ্রমিকের ন্যায্য মজুরি নিশ্চিত করা, বেকারত্ব দূরীকরণে কর্মসংস্থান সৃষ্টি এবং সবার জন্য শিক্ষা ও স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করতে কাজ করব। শোষণ ও বৈষম্যহীন সমাজ গড়তে এবং ফতুল্লাকে উন্নয়নের রোল মডেল হিসেবে তৈরি করতে কাস্তে প্রতীকে আপনাদের সমর্থন চাই।”
গণসংযোগে তাঁর সাথে উপস্থিত ছিলেন সিপিবি নারায়ণগঞ্জ জেলা কমিটির সাধারণ সম্পাদক এম এ শাহীন, জেলা কমিটির সদস্য নুরুল ইসলাম, শ্রমিক নেতা শফিউল্লাহ, গাজী নূরে আলম, তোফাজ্জল হোসেন, পলাশ, শুভ ও আলিফসহ অসংখ্য নেতাকর্মী ও সমর্থক। কাস্তে প্রতীকের মিছিলে মিছিলে বিসিক শিল্প এলাকা মুখরিত হয়ে ওঠে।
দেশ চলে মেহনতি মানুষের শ্রমে ও ঘামে, অথচ রাষ্ট্রীয় সিদ্ধান্ত নেওয়ার জায়গায় গরিব মানুষের কোনো প্রতিনিধি নেই বলে মন্তব্য করেছেন নারায়ণগঞ্জ-৪ (ফতুল্লা) আসনে সিপিবি মনোনীত ‘কাস্তে’ প্রতীকের প্রার্থী শ্রমিক নেতা ইকবাল হোসেন। শনিবার (৭ ফেব্রুয়ারি) বিকেলে ফতুল্লার বিসিক ও শাসনগাঁওসহ শিল্পাঞ্চল এলাকার বিভিন্ন পয়েন্টে গণসংযোগকালে তিনি এ কথা বলেন।
বিকেল ৪টা থেকে রাত ৮টা পর্যন্ত ইকবাল হোসেন দেওভোগ, কাশিপুর বাংলা বাজার, দেওয়ান বাড়ী, ভুলাইল গেদ্দার বাজার, এনায়েত নগর, মুসলিম নগর, শাসন গাঁও এবং বিসিক শিল্প এলাকায় ব্যাপক গণসংযোগ করেন। এ সময় তিনি দিনমজুর, পোশাক শ্রমিক ও সাধারণ মেহনতি মানুষের মুখোমুখি হয়ে তাদের অভাব-অনটন এবং ন্যায্য মজুরি না পাওয়ার দুঃখ-দুর্দশার কথা শোনেন।
পথসভায় ইকবাল হোসেন বলেন, “গত ৫৪ বছর ধরে লুটেরা ধনিক শ্রেণির দলগুলো সন্ত্রাস ও ভয়ের রাজনীতি কায়েম করে জনগণের সম্পদ ও কথা বলার অধিকার কেড়ে নিয়েছিল। ২৪-এর গণঅভ্যুত্থানে ফ্যাসিস্ট সরকারের পতনের পর দেশে পরিবর্তনের যে সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে, তাকে কাজে লাগাতে হবে। সন্ত্রাসী ও চাঁদাবাজদের বর্জন করে নীতিনিষ্ঠ রাজনৈতিক বিকল্প শক্তি গড়ে তুলতে হবে।”
শ্রমিক শ্রেণির প্রতিনিধি হিসেবে নিজেকে তুলে ধরে তিনি বলেন, “আপনারা যদি আমাকে নির্বাচিত করেন, তবে আমি কথা দিচ্ছি—শ্রমিকের ন্যায্য মজুরি নিশ্চিত করা, বেকারত্ব দূরীকরণে কর্মসংস্থান সৃষ্টি এবং সবার জন্য শিক্ষা ও স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করতে কাজ করব। শোষণ ও বৈষম্যহীন সমাজ গড়তে এবং ফতুল্লাকে উন্নয়নের রোল মডেল হিসেবে তৈরি করতে কাস্তে প্রতীকে আপনাদের সমর্থন চাই।”
গণসংযোগে তাঁর সাথে উপস্থিত ছিলেন সিপিবি নারায়ণগঞ্জ জেলা কমিটির সাধারণ সম্পাদক এম এ শাহীন, জেলা কমিটির সদস্য নুরুল ইসলাম, শ্রমিক নেতা শফিউল্লাহ, গাজী নূরে আলম, তোফাজ্জল হোসেন, পলাশ, শুভ ও আলিফসহ অসংখ্য নেতাকর্মী ও সমর্থক। কাস্তে প্রতীকের মিছিলে মিছিলে বিসিক শিল্প এলাকা মুখরিত হয়ে ওঠে।
লোড হচ্ছে...