আন্তর্জাতিক
জেফ্রি এপস্টেইনের যরো র্যাঞ্চে কি ঘটেছিল জানতে আইন পাস
Newsview2

নিউজভিউ ডেক্স
যুক্তরাষ্ট্রের নিউ মেক্সিকোর স্টেইনলি এলাকার কাছে অবস্থিত জেফ্রি এপস্টেইনের মালিকানাধীন সম্পত্তি গুলোর একটি যরো র্যাঞ্চ ।
যুক্তরাষ্ট্রের নিউ মেক্সিকো অঙ্গরাজ্যের আইনপ্রণেতারা একটি গুরুত্বপূর্ণ আইন পাস করেছেন, যার মাধ্যমে কুখ্যাত যৌন অপরাধী জেফ্রি এপস্টেইনের মালিকানাধীন যরো র্যাঞ্চ -এ কী ঘটেছিল তা নিয়ে প্রথমবারের মতো পূর্ণাঙ্গ তদন্ত শুরু হচ্ছে।
রাজ্যটির রাজধানী স্যান্তা ফি থেকে প্রায় ৩০ মাইল দক্ষিণে অবস্থিত এই র্যাঞ্চে কিশোরী ও নারীদের পাচার এবং যৌন নির্যাতনের অভিযোগ রয়েছে। সোমবার পাস হওয়া এই আইনকে তদন্ত প্রক্রিয়ায় একটি বড় অগ্রগতি হিসেবে দেখছেন সংশ্লিষ্টরা।
ভুক্তভোগীদের সাক্ষ্য নেওয়া হবে
আইন অনুযায়ী, দলমত নির্বিশেষে গঠিত একটি দ্বি দলীয় কমিটি র্যাঞ্চে সংঘটিত কথিত যৌন নির্যাতনের ঘটনায় বেঁচে যাওয়া ভুক্তভোগীদের সাক্ষ্য গ্রহণ করবে। একই সঙ্গে স্থানীয় বাসিন্দাদেরও তাদের অভিজ্ঞতা ও তথ্য জানাতে এগিয়ে আসার আহ্বান জানানো হয়েছে।
দীর্ঘদিনের অভিযোগ, এবার আনুষ্ঠানিক তদন্ত
আইনপ্রণেতারা বলছেন, দীর্ঘদিন ধরেই যরো র্যাঞ্চ ঘিরে গুরুতর অভিযোগ থাকলেও কখনো পূর্ণাঙ্গ ও আনুষ্ঠানিক তদন্ত হয়নি। নতুন এই উদ্যোগের মাধ্যমে ঘটনাগুলোর প্রকৃত সত্য উদঘাটন এবং দায়ীদের জবাবদিহির আওতায় আনার পথ খুলবে বলে আশা করা হচ্ছে।
স্বচ্ছতা ও ন্যায়বিচারের দাবি
আইনপ্রণেতাদের মতে, এই তদন্ত শুধু ভুক্তভোগীদের ন্যায়বিচার নিশ্চিত করার জন্য নয়, বরং ভবিষ্যতে এ ধরনের অপরাধ প্রতিরোধে একটি দৃষ্টান্ত স্থাপন করবে। তদন্ত প্রক্রিয়াটি স্বচ্ছ ও নিরপেক্ষভাবে পরিচালনার প্রতিশ্রুতিও দেওয়া হয়েছে।
তদন্তের সময়সীমা ও পরবর্তী আইনি পদক্ষেপ নিয়ে শিগগিরই বিস্তারিত ঘোষণা আসতে পারে।
যুক্তরাষ্ট্রের নিউ মেক্সিকোর স্টেইনলি এলাকার কাছে অবস্থিত জেফ্রি এপস্টেইনের মালিকানাধীন সম্পত্তি গুলোর একটি যরো র্যাঞ্চ ।
যুক্তরাষ্ট্রের নিউ মেক্সিকো অঙ্গরাজ্যের আইনপ্রণেতারা একটি গুরুত্বপূর্ণ আইন পাস করেছেন, যার মাধ্যমে কুখ্যাত যৌন অপরাধী জেফ্রি এপস্টেইনের মালিকানাধীন যরো র্যাঞ্চ -এ কী ঘটেছিল তা নিয়ে প্রথমবারের মতো পূর্ণাঙ্গ তদন্ত শুরু হচ্ছে।
রাজ্যটির রাজধানী স্যান্তা ফি থেকে প্রায় ৩০ মাইল দক্ষিণে অবস্থিত এই র্যাঞ্চে কিশোরী ও নারীদের পাচার এবং যৌন নির্যাতনের অভিযোগ রয়েছে। সোমবার পাস হওয়া এই আইনকে তদন্ত প্রক্রিয়ায় একটি বড় অগ্রগতি হিসেবে দেখছেন সংশ্লিষ্টরা।
ভুক্তভোগীদের সাক্ষ্য নেওয়া হবে
আইন অনুযায়ী, দলমত নির্বিশেষে গঠিত একটি দ্বি দলীয় কমিটি র্যাঞ্চে সংঘটিত কথিত যৌন নির্যাতনের ঘটনায় বেঁচে যাওয়া ভুক্তভোগীদের সাক্ষ্য গ্রহণ করবে। একই সঙ্গে স্থানীয় বাসিন্দাদেরও তাদের অভিজ্ঞতা ও তথ্য জানাতে এগিয়ে আসার আহ্বান জানানো হয়েছে।
দীর্ঘদিনের অভিযোগ, এবার আনুষ্ঠানিক তদন্ত
আইনপ্রণেতারা বলছেন, দীর্ঘদিন ধরেই যরো র্যাঞ্চ ঘিরে গুরুতর অভিযোগ থাকলেও কখনো পূর্ণাঙ্গ ও আনুষ্ঠানিক তদন্ত হয়নি। নতুন এই উদ্যোগের মাধ্যমে ঘটনাগুলোর প্রকৃত সত্য উদঘাটন এবং দায়ীদের জবাবদিহির আওতায় আনার পথ খুলবে বলে আশা করা হচ্ছে।
স্বচ্ছতা ও ন্যায়বিচারের দাবি
আইনপ্রণেতাদের মতে, এই তদন্ত শুধু ভুক্তভোগীদের ন্যায়বিচার নিশ্চিত করার জন্য নয়, বরং ভবিষ্যতে এ ধরনের অপরাধ প্রতিরোধে একটি দৃষ্টান্ত স্থাপন করবে। তদন্ত প্রক্রিয়াটি স্বচ্ছ ও নিরপেক্ষভাবে পরিচালনার প্রতিশ্রুতিও দেওয়া হয়েছে।
তদন্তের সময়সীমা ও পরবর্তী আইনি পদক্ষেপ নিয়ে শিগগিরই বিস্তারিত ঘোষণা আসতে পারে।
লোড হচ্ছে...