জাতীয়
মুরগির বিষ্ঠা নিয়ে বিএনপি-জামায়াত সংঘর্ষ-গোলাগুলি
NHP NewsView

নিউজভিউ ডেস্ক
ময়মনসিংহের ফুলবাড়ীয়ায় একটি কোম্পানির মুরগির বিষ্ঠার (সার) ব্যবসা নিয়ন্ত্রণকে কেন্দ্র করে বিএনপি ও জামায়াত ইসলামীর নেতাকর্মীদের মধ্যে ভয়াবহ সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। মঙ্গলবার (৭ এপ্রিল) রাত ১১টার দিকে উপজেলার এনায়েতপুর ইউনিয়নের কাহালগাঁও বাজারে এই সংঘাত বাঁধে। সংঘর্ষ চলাকালীন ককটেল বিস্ফোরণ ও গুলিবর্ষণের ঘটনায় পুরো এলাকায় চরম আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। এ ঘটনায় অন্তত চারজনকে আটক করেছে পুলিশ।
স্থানীয় ও পুলিশ সূত্র গণমাধ্যমকে জানান, কাহালগাঁও বাজারের পাশে ‘সিপি বাংলাদেশ’ নামের একটি কোম্পানি দীর্ঘদিন ধরে লেয়ার মুরগি পালন করে আসছে। আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে স্থানীয় দলীয় নেতাকর্মীরা ওই কোম্পানির বিষ্ঠা বিনামূল্যে নিয়ে বিক্রি করতেন। গত ৫ আগস্টের পর বিএনপির নেতাকর্মীরা এই ব্যবসার নিয়ন্ত্রণ নেন। তবে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের পর থেকে এই ব্যবসার ভাগ নিয়ে বিএনপির সঙ্গে জামায়াতের দ্বন্দ্ব শুরু হয়।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, মঙ্গলবার রাতে দুই শতাধিক জামায়াত নেতাকর্মী বাস ও মাহিন্দ্রা যোগে সিপি কোম্পানিতে ঢুকে ম্যানেজারের সঙ্গে অসদাচরণ করে জোরপূর্বক দুই ট্রাক বিষ্ঠা নিয়ে যান। এরপর তারা কাহালগাঁও বাজারে দেশীয় অস্ত্র ও ককটেল নিয়ে হামলা চালান। সিসিটিভি ফুটেজে দেখা যায়, হামলাকারীরা বাজারে ব্যাপক ভাঙচুর ও লুটপাট চালায়। ব্যাংক এশিয়া এজেন্ট ব্যাংকের তালা ভেঙে ৫ লাখ টাকা লুট, ১১টি মোটরসাইকেল ভাঙচুর এবং ৫টি মোটরসাইকেল লুটের অভিযোগ করেছেন ভুক্তভোগীরা। এছাড়া শ্রমিক দল নেতা কাইয়ুম তালুকদারের ব্যক্তিগত প্রাইভেটকারটিও গুঁড়িয়ে দেওয়া হয়।
সিপি বাংলাদেশ কোম্পানির ম্যানেজার সাদিকুর রহমান গণমাধ্যমকে জানান, প্রতি দেড় মাসে প্রায় ৮ লাখ টাকার বিষ্ঠা উৎপাদন হয় যা আগে বিএনপি নিচ্ছিল। কিন্তু নির্বাচনের পর থেকে দুই পক্ষের দ্বন্দ্বে এখন কারখানার পরিবেশ বিঘ্নিত হচ্ছে। বিষয়টি পুলিশকে জানানো হয়েছে।
ঘটনার প্রতিবাদে ময়মনসিংহ দক্ষিণ জেলা বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক আখতারুল আলম ফারুক গণমাধ্যমকে জানান, এটি একটি সন্ত্রাসী ও ডাকাতি কার্যক্রম। এই ঘটনার মাধ্যমে একটি দলের সন্ত্রাসী রূপ আবারও প্রমাণিত হয়েছে। তিনি জড়িতদের দ্রুত আইনের আওতায় আনার দাবি জানান।
এদিকে অভিযোগ অস্বীকার করে ফুলবাড়ীয়া উপজেলা জামায়াতের আমির মো. ফজলুল হক শামীম এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে জানান, এই হামলা বা লুটপাটের সঙ্গে জামায়াত জড়িত নয়। ঘটনা তদন্তে তিন সদস্যের একটি কমিটি গঠন করা হয়েছে এবং কোনো নেতাকর্মীর সংশ্লিষ্টতা পাওয়া গেলে সাংগঠনিক ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
ময়মনসিংহের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (অর্থ ও প্রশাসন) মো. আব্দুল্লাহ আল মামুন গণমাধ্যমকে জানান, খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে। এ ঘটনায় লিখিত অভিযোগের ভিত্তিতে চারজনকে আটক করা হয়েছে এবং পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে এলাকায় পুলিশি টহল জোরদার করা হয়েছে।
ময়মনসিংহের ফুলবাড়ীয়ায় একটি কোম্পানির মুরগির বিষ্ঠার (সার) ব্যবসা নিয়ন্ত্রণকে কেন্দ্র করে বিএনপি ও জামায়াত ইসলামীর নেতাকর্মীদের মধ্যে ভয়াবহ সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। মঙ্গলবার (৭ এপ্রিল) রাত ১১টার দিকে উপজেলার এনায়েতপুর ইউনিয়নের কাহালগাঁও বাজারে এই সংঘাত বাঁধে। সংঘর্ষ চলাকালীন ককটেল বিস্ফোরণ ও গুলিবর্ষণের ঘটনায় পুরো এলাকায় চরম আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। এ ঘটনায় অন্তত চারজনকে আটক করেছে পুলিশ।
স্থানীয় ও পুলিশ সূত্র গণমাধ্যমকে জানান, কাহালগাঁও বাজারের পাশে ‘সিপি বাংলাদেশ’ নামের একটি কোম্পানি দীর্ঘদিন ধরে লেয়ার মুরগি পালন করে আসছে। আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে স্থানীয় দলীয় নেতাকর্মীরা ওই কোম্পানির বিষ্ঠা বিনামূল্যে নিয়ে বিক্রি করতেন। গত ৫ আগস্টের পর বিএনপির নেতাকর্মীরা এই ব্যবসার নিয়ন্ত্রণ নেন। তবে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের পর থেকে এই ব্যবসার ভাগ নিয়ে বিএনপির সঙ্গে জামায়াতের দ্বন্দ্ব শুরু হয়।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, মঙ্গলবার রাতে দুই শতাধিক জামায়াত নেতাকর্মী বাস ও মাহিন্দ্রা যোগে সিপি কোম্পানিতে ঢুকে ম্যানেজারের সঙ্গে অসদাচরণ করে জোরপূর্বক দুই ট্রাক বিষ্ঠা নিয়ে যান। এরপর তারা কাহালগাঁও বাজারে দেশীয় অস্ত্র ও ককটেল নিয়ে হামলা চালান। সিসিটিভি ফুটেজে দেখা যায়, হামলাকারীরা বাজারে ব্যাপক ভাঙচুর ও লুটপাট চালায়। ব্যাংক এশিয়া এজেন্ট ব্যাংকের তালা ভেঙে ৫ লাখ টাকা লুট, ১১টি মোটরসাইকেল ভাঙচুর এবং ৫টি মোটরসাইকেল লুটের অভিযোগ করেছেন ভুক্তভোগীরা। এছাড়া শ্রমিক দল নেতা কাইয়ুম তালুকদারের ব্যক্তিগত প্রাইভেটকারটিও গুঁড়িয়ে দেওয়া হয়।
সিপি বাংলাদেশ কোম্পানির ম্যানেজার সাদিকুর রহমান গণমাধ্যমকে জানান, প্রতি দেড় মাসে প্রায় ৮ লাখ টাকার বিষ্ঠা উৎপাদন হয় যা আগে বিএনপি নিচ্ছিল। কিন্তু নির্বাচনের পর থেকে দুই পক্ষের দ্বন্দ্বে এখন কারখানার পরিবেশ বিঘ্নিত হচ্ছে। বিষয়টি পুলিশকে জানানো হয়েছে।
ঘটনার প্রতিবাদে ময়মনসিংহ দক্ষিণ জেলা বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক আখতারুল আলম ফারুক গণমাধ্যমকে জানান, এটি একটি সন্ত্রাসী ও ডাকাতি কার্যক্রম। এই ঘটনার মাধ্যমে একটি দলের সন্ত্রাসী রূপ আবারও প্রমাণিত হয়েছে। তিনি জড়িতদের দ্রুত আইনের আওতায় আনার দাবি জানান।
এদিকে অভিযোগ অস্বীকার করে ফুলবাড়ীয়া উপজেলা জামায়াতের আমির মো. ফজলুল হক শামীম এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে জানান, এই হামলা বা লুটপাটের সঙ্গে জামায়াত জড়িত নয়। ঘটনা তদন্তে তিন সদস্যের একটি কমিটি গঠন করা হয়েছে এবং কোনো নেতাকর্মীর সংশ্লিষ্টতা পাওয়া গেলে সাংগঠনিক ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
ময়মনসিংহের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (অর্থ ও প্রশাসন) মো. আব্দুল্লাহ আল মামুন গণমাধ্যমকে জানান, খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে। এ ঘটনায় লিখিত অভিযোগের ভিত্তিতে চারজনকে আটক করা হয়েছে এবং পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে এলাকায় পুলিশি টহল জোরদার করা হয়েছে।
লোড হচ্ছে...