নারায়ণগঞ্জ
জলাবদ্ধতা নিরসনে ডিসির কঠোর নির্দেশ
NewsView5

নিউজভিউ ডেস্ক
টানা বৃষ্টিতে নারায়ণগঞ্জের বিভিন্ন উপজেলা ও ইউনিয়নের নিম্নাঞ্চলে সৃষ্ট সাময়িক জলাবদ্ধতা দ্রুত নিরসনে কঠোর নির্দেশনা দিয়েছেন জেলা প্রশাসক রায়হান কবির। তার নির্দেশনার পর জেলা জুড়ে উপজেলা, পৌরসভা ও ইউনিয়ন পর্যায়ে সমন্বিতভাবে জরুরি কার্যক্রম শুরু হয়েছে।
সোমবার সকালে জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে সব উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও), ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান ও সদস্যদের কাছে জরুরি নির্দেশনা পাঠানো হয়। এতে ড্রেন, নালা-নর্দমা পরিষ্কার, পানি নিষ্কাশনের পথ সচল রাখা এবং প্রয়োজনীয় স্থানে পাম্প বসিয়ে দ্রুত জমে থাকা পানি অপসারণের নির্দেশ দেওয়া হয়।
নির্দেশনা পাওয়ার পরই উপজেলা প্রশাসনের তত্ত্বাবধানে ইউনিয়ন পরিষদের জনপ্রতিনিধিরা মাঠে কাজ শুরু করেন। চেয়ারম্যান, সদস্য, স্বেচ্ছাসেবক ও পরিচ্ছন্নতা কর্মীরা জলাবদ্ধ এলাকাগুলো চিহ্নিত করে পানি নিষ্কাশনের কার্যক্রম তদারকি করছেন। একই সঙ্গে খাল, ড্রেন ও নর্দমার মুখে জমে থাকা আবর্জনা অপসারণে বিশেষ অভিযান পরিচালনা করা হচ্ছে।
জেলা প্রশাসক রায়হান কবির বলেন, “জনদুর্ভোগ কমানোই আমাদের সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার। প্রশাসন, জনপ্রতিনিধি ও স্থানীয় জনগণের সমন্বিত উদ্যোগের মাধ্যমে দ্রুত জলাবদ্ধতা নিরসনে কাজ চলছে। কোথাও পানি জমে থাকার খবর পাওয়া মাত্রই তাৎক্ষণিক ব্যবস্থা নিতে সংশ্লিষ্ট উপজেলা প্রশাসনকে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।”
জেলা প্রশাসন জানিয়েছে, পরিস্থিতি সার্বক্ষণিক পর্যবেক্ষণের জন্য জেলার প্রতিটি ইউনিয়নে পৃথক মনিটরিং টিম গঠন করা হয়েছে। এসব টিম নিয়মিত মাঠ পরিদর্শন করে জলাবদ্ধ এলাকার তথ্য দ্রুত জেলা প্রশাসনের কাছে পাঠাচ্ছে, যাতে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা দ্রুত নেওয়া যায়।
সোমবার সকালে জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে সব উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও), ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান ও সদস্যদের কাছে জরুরি নির্দেশনা পাঠানো হয়। এতে ড্রেন, নালা-নর্দমা পরিষ্কার, পানি নিষ্কাশনের পথ সচল রাখা এবং প্রয়োজনীয় স্থানে পাম্প বসিয়ে দ্রুত জমে থাকা পানি অপসারণের নির্দেশ দেওয়া হয়।
নির্দেশনা পাওয়ার পরই উপজেলা প্রশাসনের তত্ত্বাবধানে ইউনিয়ন পরিষদের জনপ্রতিনিধিরা মাঠে কাজ শুরু করেন। চেয়ারম্যান, সদস্য, স্বেচ্ছাসেবক ও পরিচ্ছন্নতা কর্মীরা জলাবদ্ধ এলাকাগুলো চিহ্নিত করে পানি নিষ্কাশনের কার্যক্রম তদারকি করছেন। একই সঙ্গে খাল, ড্রেন ও নর্দমার মুখে জমে থাকা আবর্জনা অপসারণে বিশেষ অভিযান পরিচালনা করা হচ্ছে।
জেলা প্রশাসক রায়হান কবির বলেন, “জনদুর্ভোগ কমানোই আমাদের সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার। প্রশাসন, জনপ্রতিনিধি ও স্থানীয় জনগণের সমন্বিত উদ্যোগের মাধ্যমে দ্রুত জলাবদ্ধতা নিরসনে কাজ চলছে। কোথাও পানি জমে থাকার খবর পাওয়া মাত্রই তাৎক্ষণিক ব্যবস্থা নিতে সংশ্লিষ্ট উপজেলা প্রশাসনকে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।”
জেলা প্রশাসন জানিয়েছে, পরিস্থিতি সার্বক্ষণিক পর্যবেক্ষণের জন্য জেলার প্রতিটি ইউনিয়নে পৃথক মনিটরিং টিম গঠন করা হয়েছে। এসব টিম নিয়মিত মাঠ পরিদর্শন করে জলাবদ্ধ এলাকার তথ্য দ্রুত জেলা প্রশাসনের কাছে পাঠাচ্ছে, যাতে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা দ্রুত নেওয়া যায়।
লোড হচ্ছে...