আদালতসদর
আইনজীবীদের প্রশ্ন
‘আইন সবার জন্য সমান হলে বিচার ঝুলে কেন?’
NHP NewsView

নিউজভিউ
এক যুগেও সাত খুনের বিচার প্রক্রিয়া চূড়ান্ত না হওয়ায় ক্ষোভ বাড়ছে নারায়ণগঞ্জের আদালত পাড়ায়। সোমবার সকাল ১০টায় জেলা আইনজীবী সমিতির ব্যানারে আয়োজিত মানববন্ধনে বক্তারা বলেন, নিম্ন আদালত ও হাইকোর্ট রায় দিলেও একটি স্বার্থান্বেষী মহলের কারণে আপিল বিভাগে মামলাটি দীর্ঘ সময় ধরে শুনানির তালিকায় অন্তর্ভুক্ত করা হয়নি।
নারায়ণগঞ্জ সিটি করপোরেশনের প্রশাসক ও মামলার বাদীপক্ষের আইনজীবী অ্যাডভোকেট সাখাওয়াত হোসেন খান বলেন, "তৎকালীন গডফাদারদের রাজত্ব টিকিয়ে রাখতে প্রশাসন খুনিদের সহায়তা করেছিল। ২৬ জনকে ফাঁসির রায় দেওয়া হলেও হাইকোর্টে ১৫ জনের মৃত্যুদণ্ড বহাল থাকে। কিন্তু বিগত দিনের অ্যাটর্নি জেনারেলরা নিহতদের পরিবারের আকুতি কানে তোলেননি।" তিনি আরও যোগ করেন, বর্তমান গণতান্ত্রিক পরিবেশে আর কোনো 'প্রটেকশন' চলবে না। রাষ্ট্রকে অবশ্যই এই হত্যাকাণ্ডের শিকার পরিবারগুলোকে উপযুক্ত ক্ষতিপূরণ দিতে হবে।
নারায়ণগঞ্জ-৪ আসনের সংসদ সদস্য অ্যাডভোকেট আব্দুল্লাহ আল আমিন বলেন, "সাত খুন ও ত্বকী হত্যার মতো ঘটনায় গডফাদাররা এক সময় সরকারি সুরক্ষা পেত। এখনকার প্রেক্ষাপটে সেই সুযোগ নেই। আমরা চাই দ্রুত আপিল বিভাগে শুনানির মাধ্যমে খুনিদের ফাঁসি কার্যকর হোক, যাতে দেশে আইনের শাসন সুপ্রতিষ্ঠিত হয়।"
মানববন্ধনে নিহত অ্যাডভোকেট চন্দন কুমার সরকারের ভাগ্নে অ্যাডভোকেট প্রিয়তম দেব আক্ষেপ করে বলেন, তার মামার পরিবার এখনো মানবেতর জীবনযাপন করছে। তিনি আশা প্রকাশ করেন, বর্তমান সরকার প্রধান তার মায়ের দেওয়া সেই পুরোনো প্রতিশ্রুতি (বিচারের নিশ্চয়তা) রক্ষা করবেন।
জেলা আইনজীবী সমিতির সভাপতি অ্যাডভোকেট সরকার হুমায়ুন কবিরের সভাপতিত্বে এবং ভারপ্রাপ্ত পিপি অ্যাডভোকেট এ কে এম ওমর ফারুক নয়নের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে আরও বক্তব্য রাখেন পিপি আবুল কালাম আজাদ জাকির, পিপি খোরশেদ আলম মোল্লাসহ সমিতির সিনিয়র নেতৃবৃন্দ। আইনজীবীদের দাবি, এই রায় কার্যকর হওয়া কেবল একটি পরিবারের বিচার পাওয়া নয়, বরং এটি বাংলাদেশে গুম ও খুনের রাজনীতির অবসান ঘটানোর একটি বড় বার্তা হিসেবে কাজ করবে।
এক যুগেও সাত খুনের বিচার প্রক্রিয়া চূড়ান্ত না হওয়ায় ক্ষোভ বাড়ছে নারায়ণগঞ্জের আদালত পাড়ায়। সোমবার সকাল ১০টায় জেলা আইনজীবী সমিতির ব্যানারে আয়োজিত মানববন্ধনে বক্তারা বলেন, নিম্ন আদালত ও হাইকোর্ট রায় দিলেও একটি স্বার্থান্বেষী মহলের কারণে আপিল বিভাগে মামলাটি দীর্ঘ সময় ধরে শুনানির তালিকায় অন্তর্ভুক্ত করা হয়নি।
নারায়ণগঞ্জ সিটি করপোরেশনের প্রশাসক ও মামলার বাদীপক্ষের আইনজীবী অ্যাডভোকেট সাখাওয়াত হোসেন খান বলেন, "তৎকালীন গডফাদারদের রাজত্ব টিকিয়ে রাখতে প্রশাসন খুনিদের সহায়তা করেছিল। ২৬ জনকে ফাঁসির রায় দেওয়া হলেও হাইকোর্টে ১৫ জনের মৃত্যুদণ্ড বহাল থাকে। কিন্তু বিগত দিনের অ্যাটর্নি জেনারেলরা নিহতদের পরিবারের আকুতি কানে তোলেননি।" তিনি আরও যোগ করেন, বর্তমান গণতান্ত্রিক পরিবেশে আর কোনো 'প্রটেকশন' চলবে না। রাষ্ট্রকে অবশ্যই এই হত্যাকাণ্ডের শিকার পরিবারগুলোকে উপযুক্ত ক্ষতিপূরণ দিতে হবে।
নারায়ণগঞ্জ-৪ আসনের সংসদ সদস্য অ্যাডভোকেট আব্দুল্লাহ আল আমিন বলেন, "সাত খুন ও ত্বকী হত্যার মতো ঘটনায় গডফাদাররা এক সময় সরকারি সুরক্ষা পেত। এখনকার প্রেক্ষাপটে সেই সুযোগ নেই। আমরা চাই দ্রুত আপিল বিভাগে শুনানির মাধ্যমে খুনিদের ফাঁসি কার্যকর হোক, যাতে দেশে আইনের শাসন সুপ্রতিষ্ঠিত হয়।"
মানববন্ধনে নিহত অ্যাডভোকেট চন্দন কুমার সরকারের ভাগ্নে অ্যাডভোকেট প্রিয়তম দেব আক্ষেপ করে বলেন, তার মামার পরিবার এখনো মানবেতর জীবনযাপন করছে। তিনি আশা প্রকাশ করেন, বর্তমান সরকার প্রধান তার মায়ের দেওয়া সেই পুরোনো প্রতিশ্রুতি (বিচারের নিশ্চয়তা) রক্ষা করবেন।
জেলা আইনজীবী সমিতির সভাপতি অ্যাডভোকেট সরকার হুমায়ুন কবিরের সভাপতিত্বে এবং ভারপ্রাপ্ত পিপি অ্যাডভোকেট এ কে এম ওমর ফারুক নয়নের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে আরও বক্তব্য রাখেন পিপি আবুল কালাম আজাদ জাকির, পিপি খোরশেদ আলম মোল্লাসহ সমিতির সিনিয়র নেতৃবৃন্দ। আইনজীবীদের দাবি, এই রায় কার্যকর হওয়া কেবল একটি পরিবারের বিচার পাওয়া নয়, বরং এটি বাংলাদেশে গুম ও খুনের রাজনীতির অবসান ঘটানোর একটি বড় বার্তা হিসেবে কাজ করবে।
লোড হচ্ছে...