রাজনীতিসদর
যে কাপুরুষ মাঠ ছেড়ে পালায়, সে এলাকার কী উন্নয়ন করবে: গিয়াসউদ্দিন
NewsView

নিউজভিউ
নির্বাচন সামনে রেখে নারায়ণগঞ্জ-৪ আসনের প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থীকে ‘কাপুরুষ’ ও ‘আগাছা’ হিসেবে আখ্যায়িত করেছেন স্বতন্ত্র প্রার্থী ও সাবেক সংসদ সদস্য বীর মুক্তিযোদ্ধা মুহাম্মদ গিয়াস উদ্দিন। রোববার (৮ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে ফতুল্লা রেলস্টেশন এলাকায় আয়োজিত এক নির্বাচনি গণসংযোগকালে তিনি বিএনপি জোটের প্রার্থী মুফতি মনির হোসাইন কাসেমীকে লক্ষ্য করে এই কড়া সমালোচনা করেন।
গিয়াস উদ্দিন বলেন, “২০১৮ সালেও এই স্বর্ণলতা এসেছিল এবং বিএনপির মূল গাছের ওপর বসেছিল। কিন্তু নির্বাচন করতে গিয়ে রাতের আঁধারে সে পালিয়ে গেছে। যারা মাঠ থেকে পালিয়ে যায়, তারা বীরপুরুষ নয়—কাপুরুষ। সেই কাপুরুষ আবার এসেছে মূল গাছের ওপর ভর করে। যে ব্যক্তি আগাছার মতো এবং এলাকার মানুষের জন্য ১০ টাকার কাজও কোনোদিন করেনি, সে এলাকার উন্নয়নে কী ভূমিকা রাখবে?”
তিনি আরও যোগ করেন, “তিনি হচ্ছেন বসন্তের কোকিল। বসন্তকালে ডাকেন, মানুষের হৃদয় আকৃষ্ট করেন, কিন্তু বসন্ত চলে গেলে তাকে আর খুঁজে পাওয়া যায় না। ফতুল্লাবাসী তাকে চেনেও না।”
গিয়াসউদ্দিন বলেন, “বিএনপিতে অনেক যোগ্য প্রার্থী ছিল যারা মনোনয়ন চেয়েছিল। আমিও চেয়েছিলাম, কিন্তু দল আমাদের দেয়নি। যাকে মনোনয়ন দেওয়া হয়েছে, তাকে এই এলাকার মানুষ চেনে না। বিপরীতে আপনারা চোখ খুললেই আমার আমলের দৃশ্যমান উন্নয়ন দেখতে পাবেন—রাস্তাঘাট, স্কুল, মসজিদ, কবরস্থান সবখানে আমার হাতের কাজ রয়েছে। আমি সবসময় আপনাদের পাশে ছিলাম।”
ফতুল্লা রেলস্টেশন ও আশপাশের এলাকায় সাধারণ মানুষের সাথে কুশল বিনিময়কালে তিনি এলাকার সন্তানদের মূল্যায়নের আহ্বান জানান। তিনি বলেন, বহিরাগত বা সুযোগসন্ধানী নয়, বরং যারা সুখে-দুখে পাশে থাকে তাদেরই নির্বাচিত করা উচিত।
গণসংযোগকালে তাঁর সঙ্গে স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ ও বিপুল সংখ্যক সমর্থক উপস্থিত ছিলেন।
নির্বাচন সামনে রেখে নারায়ণগঞ্জ-৪ আসনের প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থীকে ‘কাপুরুষ’ ও ‘আগাছা’ হিসেবে আখ্যায়িত করেছেন স্বতন্ত্র প্রার্থী ও সাবেক সংসদ সদস্য বীর মুক্তিযোদ্ধা মুহাম্মদ গিয়াস উদ্দিন। রোববার (৮ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে ফতুল্লা রেলস্টেশন এলাকায় আয়োজিত এক নির্বাচনি গণসংযোগকালে তিনি বিএনপি জোটের প্রার্থী মুফতি মনির হোসাইন কাসেমীকে লক্ষ্য করে এই কড়া সমালোচনা করেন।
গিয়াস উদ্দিন বলেন, “২০১৮ সালেও এই স্বর্ণলতা এসেছিল এবং বিএনপির মূল গাছের ওপর বসেছিল। কিন্তু নির্বাচন করতে গিয়ে রাতের আঁধারে সে পালিয়ে গেছে। যারা মাঠ থেকে পালিয়ে যায়, তারা বীরপুরুষ নয়—কাপুরুষ। সেই কাপুরুষ আবার এসেছে মূল গাছের ওপর ভর করে। যে ব্যক্তি আগাছার মতো এবং এলাকার মানুষের জন্য ১০ টাকার কাজও কোনোদিন করেনি, সে এলাকার উন্নয়নে কী ভূমিকা রাখবে?”
তিনি আরও যোগ করেন, “তিনি হচ্ছেন বসন্তের কোকিল। বসন্তকালে ডাকেন, মানুষের হৃদয় আকৃষ্ট করেন, কিন্তু বসন্ত চলে গেলে তাকে আর খুঁজে পাওয়া যায় না। ফতুল্লাবাসী তাকে চেনেও না।”
গিয়াসউদ্দিন বলেন, “বিএনপিতে অনেক যোগ্য প্রার্থী ছিল যারা মনোনয়ন চেয়েছিল। আমিও চেয়েছিলাম, কিন্তু দল আমাদের দেয়নি। যাকে মনোনয়ন দেওয়া হয়েছে, তাকে এই এলাকার মানুষ চেনে না। বিপরীতে আপনারা চোখ খুললেই আমার আমলের দৃশ্যমান উন্নয়ন দেখতে পাবেন—রাস্তাঘাট, স্কুল, মসজিদ, কবরস্থান সবখানে আমার হাতের কাজ রয়েছে। আমি সবসময় আপনাদের পাশে ছিলাম।”
ফতুল্লা রেলস্টেশন ও আশপাশের এলাকায় সাধারণ মানুষের সাথে কুশল বিনিময়কালে তিনি এলাকার সন্তানদের মূল্যায়নের আহ্বান জানান। তিনি বলেন, বহিরাগত বা সুযোগসন্ধানী নয়, বরং যারা সুখে-দুখে পাশে থাকে তাদেরই নির্বাচিত করা উচিত।
গণসংযোগকালে তাঁর সঙ্গে স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ ও বিপুল সংখ্যক সমর্থক উপস্থিত ছিলেন।
লোড হচ্ছে...