নারায়ণগঞ্জবন্দর
বন্দরে বুলবুল হত্যা, সিফাতসহ ১১ জন রিমান্ডে
NewsView5

নিউজভিউ ডেস্ক
নারায়ণগঞ্জের বন্দরে ইসলামী যুব আন্দোলনের নেতা জাহিদ আল আমিন ওরফে বুলবুল হত্যা মামলায় ‘সিফাত বাহিনী’র প্রধান শেখ সিফাতসহ ১১ আসামিকে রিমান্ডে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদের অনুমতি দিয়েছেন আদালত।
রোববার দুপুরে নারায়ণগঞ্জের অতিরিক্ত চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট মোহাম্মদ নুরুল হুদা চৌধুরী শুনানি শেষে এ আদেশ দেন। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন আদালত পুলিশের পরিদর্শক আব্দুস সামাদ।
আদালত শেখ সিফাত, জুম্মন ওরফে হোয়াইট জুম্মন, সিয়াম, মাহবুব হোসেন ওরফে মাহাফুজ, রিয়াদ, ইরফান ও সিজান ওরফে জিসানকে ১০ দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন। একই মামলায় মিনারা, রুমা, নাসিমা ও ইয়াসমিনকে তিন দিনের রিমান্ডে নেওয়ার অনুমতি দেওয়া হয়।
পুলিশের তথ্য অনুযায়ী, বৃহস্পতিবার রাতে বন্দরের সালেহনগর এলাকায় হামলায় নিহত হন ইসলামী যুব আন্দোলনের বন্দর থানা (পশ্চিম) শাখার যুগ্ম সম্পাদক জাহিদ আল আমিন ওরফে বুলবুল। অভিযোগ রয়েছে, শেখ সিফাতের নেতৃত্বে একদল ব্যক্তি লোহার পাইপ ও ধারালো অস্ত্র দিয়ে তাকে মারধর ও কুপিয়ে আহত করে। পরে হাসপাতালে নেওয়া হলে চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
এ ঘটনায় পরদিন বন্দর থানায় হত্যা মামলা করা হয়। মামলার পর রাতভর অভিযান চালিয়ে ১১ জনকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ।
তদন্তসংশ্লিষ্টরা জানান, ২০২৪ সালের জুলাইয়ে বুলবুলের অটোরিকশার গ্যারেজে হামলা ও লুটপাটের ঘটনায় শেখ সিফাত ও তার সহযোগীদের বিরুদ্ধে মামলা করেছিলেন বুলবুল। এরপর থেকেই তাকে বিভিন্নভাবে হুমকি দেওয়া হচ্ছিল বলে পুলিশের দাবি।
পুলিশ জানায়, শেখ সিফাতের বিরুদ্ধে হত্যা, হত্যাচেষ্টা ও চাঁদাবাজিসহ ১৪টি মামলা রয়েছে। জুম্মন ওরফে হোয়াইট জুম্মনের বিরুদ্ধে নয়টি এবং রিয়াদের বিরুদ্ধে চারটি মামলা বিচারাধীন।
জেলা পুলিশ সুপার মিজানুর রহমান বলেন, গ্রেপ্তার ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে ছিনতাই, চাঁদাবাজি, মাদক ও হত্যাকাণ্ডে জড়িত থাকার অভিযোগ রয়েছে। এসব অভিযোগের বিষয়ে রিমান্ডে জিজ্ঞাসাবাদ করা হবে।
রোববার দুপুরে নারায়ণগঞ্জের অতিরিক্ত চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট মোহাম্মদ নুরুল হুদা চৌধুরী শুনানি শেষে এ আদেশ দেন। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন আদালত পুলিশের পরিদর্শক আব্দুস সামাদ।
আদালত শেখ সিফাত, জুম্মন ওরফে হোয়াইট জুম্মন, সিয়াম, মাহবুব হোসেন ওরফে মাহাফুজ, রিয়াদ, ইরফান ও সিজান ওরফে জিসানকে ১০ দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন। একই মামলায় মিনারা, রুমা, নাসিমা ও ইয়াসমিনকে তিন দিনের রিমান্ডে নেওয়ার অনুমতি দেওয়া হয়।
পুলিশের তথ্য অনুযায়ী, বৃহস্পতিবার রাতে বন্দরের সালেহনগর এলাকায় হামলায় নিহত হন ইসলামী যুব আন্দোলনের বন্দর থানা (পশ্চিম) শাখার যুগ্ম সম্পাদক জাহিদ আল আমিন ওরফে বুলবুল। অভিযোগ রয়েছে, শেখ সিফাতের নেতৃত্বে একদল ব্যক্তি লোহার পাইপ ও ধারালো অস্ত্র দিয়ে তাকে মারধর ও কুপিয়ে আহত করে। পরে হাসপাতালে নেওয়া হলে চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
এ ঘটনায় পরদিন বন্দর থানায় হত্যা মামলা করা হয়। মামলার পর রাতভর অভিযান চালিয়ে ১১ জনকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ।
তদন্তসংশ্লিষ্টরা জানান, ২০২৪ সালের জুলাইয়ে বুলবুলের অটোরিকশার গ্যারেজে হামলা ও লুটপাটের ঘটনায় শেখ সিফাত ও তার সহযোগীদের বিরুদ্ধে মামলা করেছিলেন বুলবুল। এরপর থেকেই তাকে বিভিন্নভাবে হুমকি দেওয়া হচ্ছিল বলে পুলিশের দাবি।
পুলিশ জানায়, শেখ সিফাতের বিরুদ্ধে হত্যা, হত্যাচেষ্টা ও চাঁদাবাজিসহ ১৪টি মামলা রয়েছে। জুম্মন ওরফে হোয়াইট জুম্মনের বিরুদ্ধে নয়টি এবং রিয়াদের বিরুদ্ধে চারটি মামলা বিচারাধীন।
জেলা পুলিশ সুপার মিজানুর রহমান বলেন, গ্রেপ্তার ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে ছিনতাই, চাঁদাবাজি, মাদক ও হত্যাকাণ্ডে জড়িত থাকার অভিযোগ রয়েছে। এসব অভিযোগের বিষয়ে রিমান্ডে জিজ্ঞাসাবাদ করা হবে।
লোড হচ্ছে...