স্বাস্থ্য
নির্বাচন ঘিরে হাসপাতালের জন্য স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের ১০ দফা জরুরি নির্দেশনা
NewsView

নিউজভিউ
আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিতব্য ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোটকে কেন্দ্র করে দেশের সকল সরকারি ও বেসরকারি হাসপাতালের জন্য ১০ দফা জরুরি নির্দেশনা জারি করেছে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর। নির্বাচনকালীন যেকোনো পরিস্থিতি মোকাবিলায় সারা দেশে ২৪ ঘণ্টা কন্ট্রোল রুম চালু রাখাসহ আগামী ১০ থেকে ১৫ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত সব স্বাস্থ্যসেবা প্রতিষ্ঠানকে বিশেষ সতর্কতায় থাকার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
রোববার (২৫ জানুয়ারি) স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের পরিচালক (হাসপাতাল ও ক্লিনিকসমূহ) ডা. আবু হোসেন মো. মঈনুল আহসান স্বাক্ষরিত এক আদেশে এই নির্দেশনাগুলো জারি করা হয়।
১০ দফার মূল নির্দেশনাসমূহ
১. মেডিকেল টিম গঠন: নির্বাচনকালীন প্রতিটি সিটি করপোরেশনে ৬টি, বিভাগীয় পর্যায়ে ৪টি, জেলা পর্যায়ে ৩টি, উপজেলা পর্যায়ে ২টি এবং ইউনিয়ন পর্যায়ে ১টি করে মেডিকেল টিম সার্বক্ষণিক প্রস্তুত রাখতে হবে। ২. অতিরিক্ত জনবল ও অ্যাম্বুলেন্স: হাসপাতালের জরুরি বিভাগে প্রয়োজন অনুযায়ী অতিরিক্ত চিকিৎসক ও জনবল নিয়োগ করতে হবে। একই সঙ্গে প্রতিটি প্রতিষ্ঠানে সার্বক্ষণিক অ্যাম্বুলেন্স সেবা নিশ্চিত করতে হবে। ৩. প্রতিষ্ঠান প্রধানের উপস্থিতি: নির্বাচন চলাকালীন সকল সরকারি-বেসরকারি হাসপাতালের প্রধানদের কর্মস্থলে থাকা বাধ্যতামূলক। কোনো জরুরি কারণে ছুটিতে থাকলে দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তার নাম ও নম্বর আগেভাগেই অধিদপ্তরকে জানাতে হবে। ৪. বেসরকারি হাসপাতালের ভূমিকা: বেসরকারি ক্লিনিক ও হাসপাতালগুলোকে অবশ্যই সার্বক্ষণিক চিকিৎসকের উপস্থিতিতে জরুরি বিভাগ খোলা রাখতে হবে। ৫. রেফারেল গাইডলাইন: কোনো রোগীকে অন্য হাসপাতালে রেফার করার ক্ষেত্রে অবশ্যই প্রাথমিক চিকিৎসা এবং যথাযথ কাউন্সেলিং নিশ্চিত করে তবেই পাঠাতে হবে। ৬. সার্বক্ষণিক পরীক্ষা-নিরীক্ষা: জরুরি বিভাগ ছাড়াও অন্তঃবিভাগ, ল্যাবরেটরি, ক্যাথল্যাব, ডায়ালাইসিস সেন্টার, সিটি স্ক্যান ও এমআরআই সেন্টারগুলো নিয়মিত খোলা রাখতে হবে। ৭. কন্ট্রোল রুম: প্রতিটি বিভাগীয় স্বাস্থ্য কার্যালয় ও সিভিল সার্জন অফিসে ২৪ ঘণ্টা কন্ট্রোল রুমের মাধ্যমে পরিস্থিতির ওপর নজরদারি করতে হবে। ৮. ওষুধ ও সরঞ্জাম: জরুরি পরিস্থিতিতে প্রয়োজনীয় ওষুধ, অক্সিজেন এবং অন্যান্য চিকিৎসা সরঞ্জাম পর্যাপ্ত পরিমাণে মজুত রাখতে হবে। ৯. সমন্বিত চিকিৎসাসেবা: স্থানীয় পর্যায়ে বড় কোনো দুর্ঘটনা বা জরুরি পরিস্থিতির সৃষ্টি হলে সরকারি স্বাস্থ্য কর্তৃপক্ষের নির্দেশনা মেনে বেসরকারি হাসপাতালগুলোকেও চিকিৎসা প্রদান করতে হবে। ১০. রিপোর্টিং: নির্বাচনকালীন যেকোনো অপ্রীতিকর ঘটনা বা আহতদের তথ্য দ্রুত কেন্দ্রীয় কন্ট্রোল রুমে পাঠানোর ব্যবস্থা নিশ্চিত করতে হবে।
উল্লেখ্য, ১২ ফেব্রুয়ারির নির্বাচন ও গণভোট উপলক্ষে সরকার ইতিমধ্যে ১১ ও ১২ ফেব্রুয়ারি নির্বাহী আদেশে সাধারণ ছুটি এবং শিল্পাঞ্চলের শ্রমিকদের জন্য ১০ ফেব্রুয়ারি বিশেষ ছুটি ঘোষণা করেছে। ভোটার ও জনগণের স্বাস্থ্যঝুঁকি এড়াতে এই ১০ দফা নির্দেশনা কঠোরভাবে পালনের নির্দেশ দিয়েছে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর।
আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিতব্য ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোটকে কেন্দ্র করে দেশের সকল সরকারি ও বেসরকারি হাসপাতালের জন্য ১০ দফা জরুরি নির্দেশনা জারি করেছে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর। নির্বাচনকালীন যেকোনো পরিস্থিতি মোকাবিলায় সারা দেশে ২৪ ঘণ্টা কন্ট্রোল রুম চালু রাখাসহ আগামী ১০ থেকে ১৫ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত সব স্বাস্থ্যসেবা প্রতিষ্ঠানকে বিশেষ সতর্কতায় থাকার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
রোববার (২৫ জানুয়ারি) স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের পরিচালক (হাসপাতাল ও ক্লিনিকসমূহ) ডা. আবু হোসেন মো. মঈনুল আহসান স্বাক্ষরিত এক আদেশে এই নির্দেশনাগুলো জারি করা হয়।
১০ দফার মূল নির্দেশনাসমূহ
১. মেডিকেল টিম গঠন: নির্বাচনকালীন প্রতিটি সিটি করপোরেশনে ৬টি, বিভাগীয় পর্যায়ে ৪টি, জেলা পর্যায়ে ৩টি, উপজেলা পর্যায়ে ২টি এবং ইউনিয়ন পর্যায়ে ১টি করে মেডিকেল টিম সার্বক্ষণিক প্রস্তুত রাখতে হবে। ২. অতিরিক্ত জনবল ও অ্যাম্বুলেন্স: হাসপাতালের জরুরি বিভাগে প্রয়োজন অনুযায়ী অতিরিক্ত চিকিৎসক ও জনবল নিয়োগ করতে হবে। একই সঙ্গে প্রতিটি প্রতিষ্ঠানে সার্বক্ষণিক অ্যাম্বুলেন্স সেবা নিশ্চিত করতে হবে। ৩. প্রতিষ্ঠান প্রধানের উপস্থিতি: নির্বাচন চলাকালীন সকল সরকারি-বেসরকারি হাসপাতালের প্রধানদের কর্মস্থলে থাকা বাধ্যতামূলক। কোনো জরুরি কারণে ছুটিতে থাকলে দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তার নাম ও নম্বর আগেভাগেই অধিদপ্তরকে জানাতে হবে। ৪. বেসরকারি হাসপাতালের ভূমিকা: বেসরকারি ক্লিনিক ও হাসপাতালগুলোকে অবশ্যই সার্বক্ষণিক চিকিৎসকের উপস্থিতিতে জরুরি বিভাগ খোলা রাখতে হবে। ৫. রেফারেল গাইডলাইন: কোনো রোগীকে অন্য হাসপাতালে রেফার করার ক্ষেত্রে অবশ্যই প্রাথমিক চিকিৎসা এবং যথাযথ কাউন্সেলিং নিশ্চিত করে তবেই পাঠাতে হবে। ৬. সার্বক্ষণিক পরীক্ষা-নিরীক্ষা: জরুরি বিভাগ ছাড়াও অন্তঃবিভাগ, ল্যাবরেটরি, ক্যাথল্যাব, ডায়ালাইসিস সেন্টার, সিটি স্ক্যান ও এমআরআই সেন্টারগুলো নিয়মিত খোলা রাখতে হবে। ৭. কন্ট্রোল রুম: প্রতিটি বিভাগীয় স্বাস্থ্য কার্যালয় ও সিভিল সার্জন অফিসে ২৪ ঘণ্টা কন্ট্রোল রুমের মাধ্যমে পরিস্থিতির ওপর নজরদারি করতে হবে। ৮. ওষুধ ও সরঞ্জাম: জরুরি পরিস্থিতিতে প্রয়োজনীয় ওষুধ, অক্সিজেন এবং অন্যান্য চিকিৎসা সরঞ্জাম পর্যাপ্ত পরিমাণে মজুত রাখতে হবে। ৯. সমন্বিত চিকিৎসাসেবা: স্থানীয় পর্যায়ে বড় কোনো দুর্ঘটনা বা জরুরি পরিস্থিতির সৃষ্টি হলে সরকারি স্বাস্থ্য কর্তৃপক্ষের নির্দেশনা মেনে বেসরকারি হাসপাতালগুলোকেও চিকিৎসা প্রদান করতে হবে। ১০. রিপোর্টিং: নির্বাচনকালীন যেকোনো অপ্রীতিকর ঘটনা বা আহতদের তথ্য দ্রুত কেন্দ্রীয় কন্ট্রোল রুমে পাঠানোর ব্যবস্থা নিশ্চিত করতে হবে।
উল্লেখ্য, ১২ ফেব্রুয়ারির নির্বাচন ও গণভোট উপলক্ষে সরকার ইতিমধ্যে ১১ ও ১২ ফেব্রুয়ারি নির্বাহী আদেশে সাধারণ ছুটি এবং শিল্পাঞ্চলের শ্রমিকদের জন্য ১০ ফেব্রুয়ারি বিশেষ ছুটি ঘোষণা করেছে। ভোটার ও জনগণের স্বাস্থ্যঝুঁকি এড়াতে এই ১০ দফা নির্দেশনা কঠোরভাবে পালনের নির্দেশ দিয়েছে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর।
লোড হচ্ছে...