আন্তর্জাতিক
মার্কিন যুদ্ধজাহাজে ইরানের ড্রোন হামলা
NHP NewsView

নিউজভিউ
ইরানি পতাকাবাহী কার্গো জাহাজ জব্দের পাল্টা পদক্ষেপ হিসেবে মার্কিন নৌবাহিনীর একটি যুদ্ধজাহাজে ড্রোন হামলা চালিয়েছে ইরান। ইরানের আধা-সরকারি সংবাদ সংস্থা ‘তাসনিম’ এক প্রতিবেদনে এই চাঞ্চল্যকর তথ্য নিশ্চিত করেছে। মধ্যপ্রাচ্যের জলসীমায় দুই দেশের চলমান উত্তেজনায় এই হামলা নতুন করে যুদ্ধের আশঙ্কা বাড়িয়ে দিয়েছে।
তাসনিম নিউজের প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে, মার্কিন নৌবাহিনীর একটি রণতরী লক্ষ্য করে এই ড্রোন হামলা চালানো হয়। তবে হামলায় জাহাজটির কী পরিমাণ ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে বা আদৌ কোনো প্রাণহানি ঘটেছে কি না, সে বিষয়ে এখন পর্যন্ত সুনির্দিষ্ট কোনো তথ্য পাওয়া যায়নি। মার্কিন প্রতিরক্ষা দপ্তর পেন্টাগন থেকেও এই হামলার বিষয়ে তাৎক্ষণিক কোনো আনুষ্ঠানিক প্রতিক্রিয়া জানানো হয়নি।
এর আগে গত রবিবার ইরানি পতাকাবাহী একটি পণ্যবাহী জাহাজ মাঝ সমুদ্রে আটক করে মার্কিন নৌবাহিনী। ওই ঘটনার পরপরই ক্ষুব্ধ প্রতিক্রিয়া ব্যক্ত করে ইরান। তেহরান এই ঘটনাকে ‘সশস্ত্র জলদস্যুতা’ এবং বিদ্যমান ‘যুদ্ধবিরতি লঙ্ঘন’ হিসেবে অভিহিত করে এর কঠোর জবাব দেওয়ার হুঁশিয়ারি দিয়েছিল। সেই হুমকির কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই মার্কিন যুদ্ধজাহাজে ড্রোন হামলার খবর সামনে এল।
আন্তর্জাতিক বিশ্লেষকরা মনে করছেন, হরমুজ প্রণালি ও পার্শ্ববর্তী সমুদ্রসীমায় জাহাজ জব্দের এই পাল্টাপাল্টি ঘটনা মধ্যপ্রাচ্যের সামগ্রিক স্থিতিশীলতাকে চরম ঝুঁকির মুখে ফেলেছে। দুই দেশের মধ্যে পরোক্ষ কোনো সমঝোতার চেষ্টা চললেও মাঠ পর্যায়ের এই সংঘাত সেই প্রচেষ্টাকে বাধাগ্রস্ত করতে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।
ইরানি পতাকাবাহী কার্গো জাহাজ জব্দের পাল্টা পদক্ষেপ হিসেবে মার্কিন নৌবাহিনীর একটি যুদ্ধজাহাজে ড্রোন হামলা চালিয়েছে ইরান। ইরানের আধা-সরকারি সংবাদ সংস্থা ‘তাসনিম’ এক প্রতিবেদনে এই চাঞ্চল্যকর তথ্য নিশ্চিত করেছে। মধ্যপ্রাচ্যের জলসীমায় দুই দেশের চলমান উত্তেজনায় এই হামলা নতুন করে যুদ্ধের আশঙ্কা বাড়িয়ে দিয়েছে।
তাসনিম নিউজের প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে, মার্কিন নৌবাহিনীর একটি রণতরী লক্ষ্য করে এই ড্রোন হামলা চালানো হয়। তবে হামলায় জাহাজটির কী পরিমাণ ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে বা আদৌ কোনো প্রাণহানি ঘটেছে কি না, সে বিষয়ে এখন পর্যন্ত সুনির্দিষ্ট কোনো তথ্য পাওয়া যায়নি। মার্কিন প্রতিরক্ষা দপ্তর পেন্টাগন থেকেও এই হামলার বিষয়ে তাৎক্ষণিক কোনো আনুষ্ঠানিক প্রতিক্রিয়া জানানো হয়নি।
এর আগে গত রবিবার ইরানি পতাকাবাহী একটি পণ্যবাহী জাহাজ মাঝ সমুদ্রে আটক করে মার্কিন নৌবাহিনী। ওই ঘটনার পরপরই ক্ষুব্ধ প্রতিক্রিয়া ব্যক্ত করে ইরান। তেহরান এই ঘটনাকে ‘সশস্ত্র জলদস্যুতা’ এবং বিদ্যমান ‘যুদ্ধবিরতি লঙ্ঘন’ হিসেবে অভিহিত করে এর কঠোর জবাব দেওয়ার হুঁশিয়ারি দিয়েছিল। সেই হুমকির কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই মার্কিন যুদ্ধজাহাজে ড্রোন হামলার খবর সামনে এল।
আন্তর্জাতিক বিশ্লেষকরা মনে করছেন, হরমুজ প্রণালি ও পার্শ্ববর্তী সমুদ্রসীমায় জাহাজ জব্দের এই পাল্টাপাল্টি ঘটনা মধ্যপ্রাচ্যের সামগ্রিক স্থিতিশীলতাকে চরম ঝুঁকির মুখে ফেলেছে। দুই দেশের মধ্যে পরোক্ষ কোনো সমঝোতার চেষ্টা চললেও মাঠ পর্যায়ের এই সংঘাত সেই প্রচেষ্টাকে বাধাগ্রস্ত করতে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।
লোড হচ্ছে...