আন্তর্জাতিক
ট্রাম্পের যুদ্ধবিরতি ঘোষণায় কিছুই আসে যায় না ইরানের
NHP NewsView

নিউজভিউ ডেস্ক
মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের ঘোষিত যুদ্ধবিরতির মেয়াদ বৃদ্ধিকে সরাসরি ‘অর্থহীন’ ও ‘সময়ক্ষেপণের কৌশল’ হিসেবে প্রত্যাখ্যান করেছে ইরান। বুধবার (২২ এপ্রিল) ইরানের পার্লামেন্ট স্পিকারের জ্যেষ্ঠ উপদেষ্টা মাহদি মোহাম্মদী এক প্রতিক্রিয়ায় জানান, যুক্তরাষ্ট্রের এই ঘোষণায় ইরানের ‘কিছুই আসে যায় না’। বরং এটি হঠাৎ বড় ধরনের হামলার প্রস্তুতির একটি চাতুর্যপূর্ণ কৌশল মাত্র।
বিবিসির প্রতিবেদন অনুযায়ী, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে (সাবেক টুইটার) দেওয়া এক পোস্টে মাহদি মোহাম্মদী মার্কিন প্রশাসনের তীব্র সমালোচনা করেন। তিনি উল্লেখ করেন, যুক্তরাষ্ট্রের অব্যাহত ‘নৌ অবরোধ’ আসলে সরাসরি ‘বোমা হামলার’ মতোই ধ্বংসাত্মক। তাই এর জবাব কেবল আলোচনার টেবিলে নয়, বরং সামরিকভাবেই দেওয়া উচিত। এখন ইরানের নিজস্ব উদ্যোগে পাল্টা ব্যবস্থা নেওয়ার উপযুক্ত সময় বলেও তিনি মন্তব্য করেন।
এর আগে, পাকিস্তানের মধ্যস্থতাকারীদের বিশেষ অনুরোধে ইরানের ওপর পূর্বপরিকল্পিত সামরিক হামলা স্থগিত রাখার ঘোষণা দেন ডোনাল্ড ট্রাম্প। তিনি জানান, তেহরানকে যুদ্ধ শেষ করার একটি চূড়ান্ত প্রস্তাব দেওয়ার সুযোগ দিতেই এই যুদ্ধবিরতির মেয়াদ বাড়ানো হয়েছে। তবে এই সময়ে ইরানের ওপর কঠোর নৌ অবরোধ (ব্লকেড) বলবৎ রাখার বিষয়ে অনড় অবস্থানে রয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট।
উল্লেখ্য, দুই দেশের মধ্যে চলমান উত্তেজনার প্রেক্ষাপটে নির্ধারিত এই যুদ্ধবিরতির মেয়াদ আজ বুধবার (২২ এপ্রিল) শেষ হওয়ার কথা ছিল। ট্রাম্পের এই নতুন সিদ্ধান্তে সাময়িক স্বস্তি ফেরার সম্ভাবনা থাকলেও ইরানের কড়া পাল্টা হুঁশিয়ারি মধ্যপ্রাচ্যের রণক্ষেত্রে পুনরায় বারুদের গন্ধ ছড়িয়ে দিচ্ছে। বিশ্লেষকরা মনে করছেন, দুই পক্ষের এই অনড় অবস্থান যেকোনো সময় একটি পূর্ণমাত্রার যুদ্ধের দিকে মোড় নিতে পারে।
মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের ঘোষিত যুদ্ধবিরতির মেয়াদ বৃদ্ধিকে সরাসরি ‘অর্থহীন’ ও ‘সময়ক্ষেপণের কৌশল’ হিসেবে প্রত্যাখ্যান করেছে ইরান। বুধবার (২২ এপ্রিল) ইরানের পার্লামেন্ট স্পিকারের জ্যেষ্ঠ উপদেষ্টা মাহদি মোহাম্মদী এক প্রতিক্রিয়ায় জানান, যুক্তরাষ্ট্রের এই ঘোষণায় ইরানের ‘কিছুই আসে যায় না’। বরং এটি হঠাৎ বড় ধরনের হামলার প্রস্তুতির একটি চাতুর্যপূর্ণ কৌশল মাত্র।
বিবিসির প্রতিবেদন অনুযায়ী, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে (সাবেক টুইটার) দেওয়া এক পোস্টে মাহদি মোহাম্মদী মার্কিন প্রশাসনের তীব্র সমালোচনা করেন। তিনি উল্লেখ করেন, যুক্তরাষ্ট্রের অব্যাহত ‘নৌ অবরোধ’ আসলে সরাসরি ‘বোমা হামলার’ মতোই ধ্বংসাত্মক। তাই এর জবাব কেবল আলোচনার টেবিলে নয়, বরং সামরিকভাবেই দেওয়া উচিত। এখন ইরানের নিজস্ব উদ্যোগে পাল্টা ব্যবস্থা নেওয়ার উপযুক্ত সময় বলেও তিনি মন্তব্য করেন।
এর আগে, পাকিস্তানের মধ্যস্থতাকারীদের বিশেষ অনুরোধে ইরানের ওপর পূর্বপরিকল্পিত সামরিক হামলা স্থগিত রাখার ঘোষণা দেন ডোনাল্ড ট্রাম্প। তিনি জানান, তেহরানকে যুদ্ধ শেষ করার একটি চূড়ান্ত প্রস্তাব দেওয়ার সুযোগ দিতেই এই যুদ্ধবিরতির মেয়াদ বাড়ানো হয়েছে। তবে এই সময়ে ইরানের ওপর কঠোর নৌ অবরোধ (ব্লকেড) বলবৎ রাখার বিষয়ে অনড় অবস্থানে রয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট।
উল্লেখ্য, দুই দেশের মধ্যে চলমান উত্তেজনার প্রেক্ষাপটে নির্ধারিত এই যুদ্ধবিরতির মেয়াদ আজ বুধবার (২২ এপ্রিল) শেষ হওয়ার কথা ছিল। ট্রাম্পের এই নতুন সিদ্ধান্তে সাময়িক স্বস্তি ফেরার সম্ভাবনা থাকলেও ইরানের কড়া পাল্টা হুঁশিয়ারি মধ্যপ্রাচ্যের রণক্ষেত্রে পুনরায় বারুদের গন্ধ ছড়িয়ে দিচ্ছে। বিশ্লেষকরা মনে করছেন, দুই পক্ষের এই অনড় অবস্থান যেকোনো সময় একটি পূর্ণমাত্রার যুদ্ধের দিকে মোড় নিতে পারে।
লোড হচ্ছে...