নারায়ণগঞ্জ
রবীন্দ্র-নজরুল জয়ন্তীতে গল্প-আড্ডা
NewsView

নিউজভিউ
রবীন্দ্র-নজরুল জয়ন্তীতে বিকেল ৪ টায় গল্প-আড্ডার আয়োজন করছে কথন সামাজিক-সাংস্কৃতিক কেন্দ্র। কলেজ রোডের কবি নজরুল পাঠাগারে অনুষ্ঠিত হবে এই আসর।
কথনের সভাপতি দীপা নাগ তন্দ্রা এক বিবৃতিতে বলেন, সাহিত্য জীবনেরই প্রতিফলন। মানুষের আনন্দ-বেদনা, আশা-আকাঙ্ক্ষা সাহিত্যে হয়ে উঠে কবিতা-গল্প, সঙ্গীতের বারো স্বরের মধ্য দিয়ে। রবীন্দ্রনাথের লেখায় খুঁজে পাই প্রাণের ডাক, আলোর দিশা। তাঁর গানের বাণী ও সুর আমাদের মর্মে লেগে ব্যথাকে দেয় শোভা। অশান্ত চিত্তকে প্রণতি দিতে শেখায়। মানব মনের সমস্ত জায়গাটা জুড়ে যার অবস্থান তিনি বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর।
আরও বলেন, নজরুল আমাদের কাছে বিদ্রোহী বীর। কবিতা আঘাত করে বিদ্যমান শৃঙ্খলে। যুদ্ধে, মিছিলে, ময়দানে আমরা নজরুলের দামামা, ডঙ্কা বাজিয়ে স্লোগান তুলেছি। দৃঢ় সংকল্প নিয়ে দাঁড়িয়ে থেকে বাঁচতে প্রেরণা পেয়েছি। তবে তিনি নিজে চেয়েছেন তাকে এই নামে যেন শুধু না চিনি। তিনি চেয়েছেন প্রেম, দিতে এসেছেন তাই। তৎকালীন দাঙ্গার বিরুদ্ধে কথা বলতেন, হিন্দু মুসলিমকে এক জায়গায় বেঁধে ছিলেন। বাংলা সাহিত্যকে সমৃদ্ধ করেছেন অন্যান্য ভাষার সাহিত্যের সমন্বয়ে।
এ আয়োজনে সাহিত্যপ্রেমী, শিক্ষার্থী ও সংস্কৃতিমনা সকলকে উপস্থিত থাকার জন্য সাদর আমন্ত্রণ জানিয়েছে কথন সাংস্কৃতিক কেন্দ্র।
রবীন্দ্র-নজরুল জয়ন্তীতে বিকেল ৪ টায় গল্প-আড্ডার আয়োজন করছে কথন সামাজিক-সাংস্কৃতিক কেন্দ্র। কলেজ রোডের কবি নজরুল পাঠাগারে অনুষ্ঠিত হবে এই আসর।
কথনের সভাপতি দীপা নাগ তন্দ্রা এক বিবৃতিতে বলেন, সাহিত্য জীবনেরই প্রতিফলন। মানুষের আনন্দ-বেদনা, আশা-আকাঙ্ক্ষা সাহিত্যে হয়ে উঠে কবিতা-গল্প, সঙ্গীতের বারো স্বরের মধ্য দিয়ে। রবীন্দ্রনাথের লেখায় খুঁজে পাই প্রাণের ডাক, আলোর দিশা। তাঁর গানের বাণী ও সুর আমাদের মর্মে লেগে ব্যথাকে দেয় শোভা। অশান্ত চিত্তকে প্রণতি দিতে শেখায়। মানব মনের সমস্ত জায়গাটা জুড়ে যার অবস্থান তিনি বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর।
আরও বলেন, নজরুল আমাদের কাছে বিদ্রোহী বীর। কবিতা আঘাত করে বিদ্যমান শৃঙ্খলে। যুদ্ধে, মিছিলে, ময়দানে আমরা নজরুলের দামামা, ডঙ্কা বাজিয়ে স্লোগান তুলেছি। দৃঢ় সংকল্প নিয়ে দাঁড়িয়ে থেকে বাঁচতে প্রেরণা পেয়েছি। তবে তিনি নিজে চেয়েছেন তাকে এই নামে যেন শুধু না চিনি। তিনি চেয়েছেন প্রেম, দিতে এসেছেন তাই। তৎকালীন দাঙ্গার বিরুদ্ধে কথা বলতেন, হিন্দু মুসলিমকে এক জায়গায় বেঁধে ছিলেন। বাংলা সাহিত্যকে সমৃদ্ধ করেছেন অন্যান্য ভাষার সাহিত্যের সমন্বয়ে।
এ আয়োজনে সাহিত্যপ্রেমী, শিক্ষার্থী ও সংস্কৃতিমনা সকলকে উপস্থিত থাকার জন্য সাদর আমন্ত্রণ জানিয়েছে কথন সাংস্কৃতিক কেন্দ্র।
লোড হচ্ছে...