নারায়ণগঞ্জ
সন্দেহভাজন ৩ জন আটক
চাষাড়ায় যুবলীগের গোপন বৈঠক
NewsView5

নিউজভিউ ডেস্ক
নারায়ণগঞ্জ শহরের চাষাড়ায় নিষিদ্ধঘোষিত সংগঠন যুবলীগের ঝটিকা মিছিলের পরদিনই একটি রেস্তোরাঁয় গোপন বৈঠকের অভিযোগে তিনজনকে আটক করেছে পুলিশ। শুক্রবার (২২ মে) বিকেলে চাষাড়ার ‘গ্র্যান্ড হল রেস্টুরেন্ট’ থেকে তাদের জিজ্ঞাসাবাদের জন্য হেফাজতে নেওয়া হয়।
নারায়ণগঞ্জ সদর মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সাজেদুর রহমান আটকের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। আটক ব্যক্তিরা সবাই চাঁদপুর জেলার বাসিন্দা বলে পুলিশের একটি সূত্রে জানা গেছে, তবে তদন্তের স্বার্থে তাৎক্ষণিকভাবে তাদের নাম-পরিচয় প্রকাশ করা হয়নি।
ওসি সাজেদুর রহমান বলেন, "সন্দেহভাজন হিসেবে তাদের মূলত জিজ্ঞাসাবাদের জন্য থানা হেফাজতে আনা হয়েছে। তাদের রাজনৈতিক কোনো সম্পৃক্ততা আছে কি না, তা যাচাই-বাছাই করা হচ্ছে। প্রাথমিক তদন্ত শেষে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।"
এর আগে, জুলাই আন্দোলনে মানবতাবিরোধী অপরাধে অভিযুক্ত ও বর্তমানে পলাতক আজমেরী ওসমানের অনুসারী যুবলীগের একাংশ বৃহস্পতিবার ভোরে চাষাঢ়া এলাকায় একটি আকস্মিক মিছিল বের করে। লাল কাপড়ে মুখ ঢেকে করা ওই মিছিলে ক্ষমতাচ্যুত আওয়ামী লীগ ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার পক্ষে স্লোগান দেওয়া হয়।
এই ঘটনার পরদিন শুক্রবার দুপুরে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে ইসলামী ছাত্র শিবির এবং এনসিপি ও তাদের ছাত্র সংগঠন জাতীয় ছাত্রশক্তির পক্ষ থেকে দাবি করা হয়— চাষাঢ়ার একটি রেস্তোরাঁয় আওয়ামী লীগের ‘গোপন বৈঠক’ চলছে। এই তথ্যের ওপর ভিত্তি করে ঘণ্টাখানেকের মধ্যেই ‘গ্র্যান্ড হল রেস্টুরেন্টে’ অভিযান চালায় পুলিশ। প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, অভিযান শেষে কয়েকজনকে পুলিশের গাড়িতে তুলে নিয়ে যেতে দেখা যায়।
এ বিষয়ে মহানগর ছাত্রশিবিরের সভাপতি অমিত হাসান জানান, চাঁদপুরের একটি সংগঠনের ব্যানারে মূলত এই সংবর্ধনা অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়েছিল, যেখানে নারায়ণগঞ্জের নেতাকর্মীরাও উপস্থিত ছিলেন।
তিনি বলেন, "চাঁদপুরের একটি সূত্র থেকে বৃহস্পতিবারই আমাদের বিষয়টি জানানো হয় এবং আমরা দ্রুত প্রশাসনকে অবহিত করি। জুমার নামাজের পর থেকে আমাদের কর্মীরা বিভিন্ন রেস্তোরাঁয় নজরদারি রাখছিল। বিকেল তিনটার দিকে আমরা ওই রেস্টুরেন্টে তাদের অবস্থান নিশ্চিত করি।" তবে পুলিশ পৌঁছাতে কিছুটা দেরি করায় বৈঠকে অংশ নেওয়া অনেকেই কৌশলে সরে পড়তে সক্ষম হয়েছেন বলে দাবি করেন এই ছাত্রনেতা। তিনি আরও জানান, সেখানে প্রায় ৪০ থেকে ৫০ জনের বসার কথা ছিল এবং আটক ব্যক্তিদের মধ্যে একজন আগের দিনের মিছিলেও অংশ নিয়েছিলেন বলে তাদের কাছে তথ্য রয়েছে।
অভিযানের সময় উপস্থিত থাকা এনসিপির জেলা কমিটির সাংগঠনিক সম্পাদক নিরব রায়হান বলেন, "আওয়ামী লীগের অঙ্গসংগঠনের নেতাকর্মীরা যুবলীগের একটি কমিটিকে শুভেচ্ছা জানাতে ফুলসহ এখানে জড়ো হয়েছিলেন। প্রথমে তাদের ‘কাচ্চি ভাই রেস্টুরেন্টে’ বসার পরিকল্পনা ছিল, কিন্তু তথ্য ফাঁস হয়ে যাওয়ায় তারা শেষ মুহূর্তে স্থান পরিবর্তন করে গ্র্যান্ড হলে আসেন। টেকনিক্যালি তথ্যটি প্রথমে ছাত্রশিবিরের কাছে আসে এবং পরে তারা আমাদের সাথে সমন্বয় করে।"
উদ্ভূত পরিস্থিতিতে সদর থানার ওসি সাজেদুর রহমান জানান, সেখানে বড় ধরনের কোনো গোপন বৈঠক বা নাশকতার পরিকল্পনা ছিল কি না, তা এখনো নিশ্চিত নয়। তবে সন্দেহভাজন তিনজনকে আটক করা হয়েছে এবং বিষয়টি নিয়ে ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের সাথে আলোচনা চলছে। আটক ব্যক্তিরা নির্দোষ প্রমাণিত হলে ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের নির্দেশনা অনুযায়ী পরবর্তী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
নারায়ণগঞ্জ সদর মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সাজেদুর রহমান আটকের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। আটক ব্যক্তিরা সবাই চাঁদপুর জেলার বাসিন্দা বলে পুলিশের একটি সূত্রে জানা গেছে, তবে তদন্তের স্বার্থে তাৎক্ষণিকভাবে তাদের নাম-পরিচয় প্রকাশ করা হয়নি।
ওসি সাজেদুর রহমান বলেন, "সন্দেহভাজন হিসেবে তাদের মূলত জিজ্ঞাসাবাদের জন্য থানা হেফাজতে আনা হয়েছে। তাদের রাজনৈতিক কোনো সম্পৃক্ততা আছে কি না, তা যাচাই-বাছাই করা হচ্ছে। প্রাথমিক তদন্ত শেষে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।"
এর আগে, জুলাই আন্দোলনে মানবতাবিরোধী অপরাধে অভিযুক্ত ও বর্তমানে পলাতক আজমেরী ওসমানের অনুসারী যুবলীগের একাংশ বৃহস্পতিবার ভোরে চাষাঢ়া এলাকায় একটি আকস্মিক মিছিল বের করে। লাল কাপড়ে মুখ ঢেকে করা ওই মিছিলে ক্ষমতাচ্যুত আওয়ামী লীগ ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার পক্ষে স্লোগান দেওয়া হয়।
এই ঘটনার পরদিন শুক্রবার দুপুরে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে ইসলামী ছাত্র শিবির এবং এনসিপি ও তাদের ছাত্র সংগঠন জাতীয় ছাত্রশক্তির পক্ষ থেকে দাবি করা হয়— চাষাঢ়ার একটি রেস্তোরাঁয় আওয়ামী লীগের ‘গোপন বৈঠক’ চলছে। এই তথ্যের ওপর ভিত্তি করে ঘণ্টাখানেকের মধ্যেই ‘গ্র্যান্ড হল রেস্টুরেন্টে’ অভিযান চালায় পুলিশ। প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, অভিযান শেষে কয়েকজনকে পুলিশের গাড়িতে তুলে নিয়ে যেতে দেখা যায়।
এ বিষয়ে মহানগর ছাত্রশিবিরের সভাপতি অমিত হাসান জানান, চাঁদপুরের একটি সংগঠনের ব্যানারে মূলত এই সংবর্ধনা অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়েছিল, যেখানে নারায়ণগঞ্জের নেতাকর্মীরাও উপস্থিত ছিলেন।
তিনি বলেন, "চাঁদপুরের একটি সূত্র থেকে বৃহস্পতিবারই আমাদের বিষয়টি জানানো হয় এবং আমরা দ্রুত প্রশাসনকে অবহিত করি। জুমার নামাজের পর থেকে আমাদের কর্মীরা বিভিন্ন রেস্তোরাঁয় নজরদারি রাখছিল। বিকেল তিনটার দিকে আমরা ওই রেস্টুরেন্টে তাদের অবস্থান নিশ্চিত করি।" তবে পুলিশ পৌঁছাতে কিছুটা দেরি করায় বৈঠকে অংশ নেওয়া অনেকেই কৌশলে সরে পড়তে সক্ষম হয়েছেন বলে দাবি করেন এই ছাত্রনেতা। তিনি আরও জানান, সেখানে প্রায় ৪০ থেকে ৫০ জনের বসার কথা ছিল এবং আটক ব্যক্তিদের মধ্যে একজন আগের দিনের মিছিলেও অংশ নিয়েছিলেন বলে তাদের কাছে তথ্য রয়েছে।
অভিযানের সময় উপস্থিত থাকা এনসিপির জেলা কমিটির সাংগঠনিক সম্পাদক নিরব রায়হান বলেন, "আওয়ামী লীগের অঙ্গসংগঠনের নেতাকর্মীরা যুবলীগের একটি কমিটিকে শুভেচ্ছা জানাতে ফুলসহ এখানে জড়ো হয়েছিলেন। প্রথমে তাদের ‘কাচ্চি ভাই রেস্টুরেন্টে’ বসার পরিকল্পনা ছিল, কিন্তু তথ্য ফাঁস হয়ে যাওয়ায় তারা শেষ মুহূর্তে স্থান পরিবর্তন করে গ্র্যান্ড হলে আসেন। টেকনিক্যালি তথ্যটি প্রথমে ছাত্রশিবিরের কাছে আসে এবং পরে তারা আমাদের সাথে সমন্বয় করে।"
উদ্ভূত পরিস্থিতিতে সদর থানার ওসি সাজেদুর রহমান জানান, সেখানে বড় ধরনের কোনো গোপন বৈঠক বা নাশকতার পরিকল্পনা ছিল কি না, তা এখনো নিশ্চিত নয়। তবে সন্দেহভাজন তিনজনকে আটক করা হয়েছে এবং বিষয়টি নিয়ে ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের সাথে আলোচনা চলছে। আটক ব্যক্তিরা নির্দোষ প্রমাণিত হলে ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের নির্দেশনা অনুযায়ী পরবর্তী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
লোড হচ্ছে...