নারায়ণগঞ্জবন্দর
গৃহকর্মীকে ধর্ষণ ও চুল কেটে দেওয়ার অভিযোগে যুবদল নেতা বাবুল গ্রেপ্তার
NewsView

নিউজভিউ
নারায়ণগঞ্জের বন্দরে ধর্ষণের বিচার চাওয়ায় এক গৃহকর্মীর মাথার চুল কেটে দেওয়ার জঘন্য ঘটনায় অভিযুক্ত বাড়ির মালিক যুবদল নেতা বাবুল মিয়াকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। বৃহস্পতিবার (২৩ এপ্রিল) রাতে উপজেলার ফুলহর এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। শুক্রবার তাকে আদালতের মাধ্যমে জেলহাজতে প্রেরণ করা হয়েছে।
গ্রেপ্তার বাবুল মিয়া ফুলহর এলাকার মৃত মোজাফফর আলীর ছেলে এবং স্থানীয় যুবদলের রাজনীতির সঙ্গে জড়িত। তিনি উপজেলা যুবদলের সাধারণ সম্পাদক পদপ্রার্থী হিসেবেও পরিচিত।
ঘটনার বিবরণে জানা যায়, কুমিল্লার বাসিন্দা ওই নারী বন্দরের মদনপুর এলাকায় ভাড়া থেকে বিভিন্ন বাড়িতে গৃহকর্মীর কাজ করতেন। ভুক্তভোগীর অভিযোগ অনুযায়ী, গত ১৭ এপ্রিল সকালে বাড়ির মালিক বাবুল মিয়া তাকে কৌশলে নিজের ঘরে ডেকে নিয়ে জোরপূর্বক ধর্ষণ করেন। বিষয়টি জানাজানি করলে তাকে প্রাণনাশের হুমকিও দেওয়া হয়।
পরবর্তীতে ভুক্তভোগী নারী এই বিচার চেয়ে বাবুলের স্ত্রীর কাছে ঘটনাটি খুলে বলেন। কিন্তু বিচার পাওয়ার বদলে তিনি উল্টো নির্যাতনের শিকার হন। অভিযুক্ত স্বামী-স্ত্রী মিলে তাকে মারধর করেন এবং একপর্যায়ে তার মাথার চুল কেটে দিয়ে চরম অবমাননা করেন।
এ ঘটনায় ভুক্তভোগী নারী বাদী হয়ে বৃহস্পতিবার রাতে বন্দর থানায় নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে মামলা দায়ের করেন। মামলার পর রাতেই পুলিশ মূল অভিযুক্ত বাবুল মিয়াকে গ্রেপ্তার করে।
বন্দর থানার ওসি গোলাম মুক্তার আশরাফ উদ্দিন জানান, ভুক্তভোগীকে উদ্ধার করে ডাক্তারি পরীক্ষার জন্য নারায়ণগঞ্জ জেনারেল হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। মামলার অন্য আসামি বাবুলের স্ত্রীকে গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে। অপরাধীদের বিষয়ে কোনো ছাড় দেওয়া হবে না বলেও জানান তিনি।
নারায়ণগঞ্জের বন্দরে ধর্ষণের বিচার চাওয়ায় এক গৃহকর্মীর মাথার চুল কেটে দেওয়ার জঘন্য ঘটনায় অভিযুক্ত বাড়ির মালিক যুবদল নেতা বাবুল মিয়াকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। বৃহস্পতিবার (২৩ এপ্রিল) রাতে উপজেলার ফুলহর এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। শুক্রবার তাকে আদালতের মাধ্যমে জেলহাজতে প্রেরণ করা হয়েছে।
গ্রেপ্তার বাবুল মিয়া ফুলহর এলাকার মৃত মোজাফফর আলীর ছেলে এবং স্থানীয় যুবদলের রাজনীতির সঙ্গে জড়িত। তিনি উপজেলা যুবদলের সাধারণ সম্পাদক পদপ্রার্থী হিসেবেও পরিচিত।
ঘটনার বিবরণে জানা যায়, কুমিল্লার বাসিন্দা ওই নারী বন্দরের মদনপুর এলাকায় ভাড়া থেকে বিভিন্ন বাড়িতে গৃহকর্মীর কাজ করতেন। ভুক্তভোগীর অভিযোগ অনুযায়ী, গত ১৭ এপ্রিল সকালে বাড়ির মালিক বাবুল মিয়া তাকে কৌশলে নিজের ঘরে ডেকে নিয়ে জোরপূর্বক ধর্ষণ করেন। বিষয়টি জানাজানি করলে তাকে প্রাণনাশের হুমকিও দেওয়া হয়।
পরবর্তীতে ভুক্তভোগী নারী এই বিচার চেয়ে বাবুলের স্ত্রীর কাছে ঘটনাটি খুলে বলেন। কিন্তু বিচার পাওয়ার বদলে তিনি উল্টো নির্যাতনের শিকার হন। অভিযুক্ত স্বামী-স্ত্রী মিলে তাকে মারধর করেন এবং একপর্যায়ে তার মাথার চুল কেটে দিয়ে চরম অবমাননা করেন।
এ ঘটনায় ভুক্তভোগী নারী বাদী হয়ে বৃহস্পতিবার রাতে বন্দর থানায় নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে মামলা দায়ের করেন। মামলার পর রাতেই পুলিশ মূল অভিযুক্ত বাবুল মিয়াকে গ্রেপ্তার করে।
বন্দর থানার ওসি গোলাম মুক্তার আশরাফ উদ্দিন জানান, ভুক্তভোগীকে উদ্ধার করে ডাক্তারি পরীক্ষার জন্য নারায়ণগঞ্জ জেনারেল হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। মামলার অন্য আসামি বাবুলের স্ত্রীকে গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে। অপরাধীদের বিষয়ে কোনো ছাড় দেওয়া হবে না বলেও জানান তিনি।
লোড হচ্ছে...