নারায়ণগঞ্জসদর
শেখ হাসিনার বিচার ব্যবস্থার ধারাবাহিকতা আর কত দিন: রফিউর রাব্বি
NHP NewsView

নিউজভিউ
বিচারহীনতার এক যুগ পেরিয়ে তেরো বছরে পদার্পণ—তবুও থমকে আছে মেধাবী ছাত্র তানভীর মুহাম্মদ ত্বকী হত্যার বিচার প্রক্রিয়া। এই দীর্ঘ প্রতীক্ষার প্রতিবাদে এবং ঘাতকদের বিচারের দাবিতে রবিবার (৮ মার্চ) সন্ধ্যায় মোমবাতির আলোয় প্রজ্জ্বলিত হয়ে ওঠে নারায়ণগঞ্জ কেন্দ্রীয় শহীদ মিনার। নারায়ণগঞ্জ সাংস্কৃতিক জোটের আয়োজনে এই কর্মসূচিতে বক্তাদের কণ্ঠে ঝরেছে বিচারহীনতার সংস্কৃতির বিরুদ্ধে ক্ষোভ।
আলোক প্রজ্বালন পরবর্তী সমাবেশে সভাপতির বক্তব্য রাখেন সংগঠনের সভাপতি মনি সুপান্থ এবং অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেন সাধারণ সম্পাদক দীনা তাজরিন।
নিহত ত্বকীর পিতা রফিউর রাব্বি বিচার ব্যবস্থার স্বাধীনতা নিয়ে প্রশ্ন তুলে বলেন, "১৩ বছরে যেখানে অভিযোগপত্র আদালতে জমা পড়ে না, সেখানে বিচার ব্যবস্থা কতটা জনবান্ধব বা স্বাধীন তা সহজেই বুঝতে পারি। কিন্তু প্রশ্ন হচ্ছে শেখ হাসিনার বিচার ব্যবস্থার ধারাবাহিকতা এভাবে আর কত দিন চলবে? সরকার বদলালেও রাষ্ট্রের গণবিরোধী চরিত্র বদলায় না কেন?" তিনি বর্তমান সরকারের কাছে রাষ্ট্রকে গণবিরোধী খোলস থেকে বের করে আনার দাবি জানিয়ে আরও বলেন, "একাত্তর বা চব্বিশে আমাদের স্বপ্ন ছিল একটি জনবান্ধব, গণতান্ত্রিক, মানবিক, সাম্য ও সুশাসনের রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠা করা। এর জন্য তো একটি সরকারের সদিচ্ছাই যথেষ্ট। শতাব্দীর পর শতাব্দী অপেক্ষা করতে হবে কেন?" তিনি কেবল ত্বকী নয়, বরং সাগর-রুনী, তনু, মিতু, মুনিয়া ও নারায়ণগঞ্জের আশিক, চঞ্চল, ভুলু, মিঠু হত্যার বিচারসহ গুম হওয়া সকলের বিচার দাবি করেন।
সমাবেশে সংহতি প্রকাশ করে বক্তব্য রাখেন দৈনিক খবরের পাতার সম্পাদক অ্যাডভোকেট মাহবুবুর রহমান মাসুম, নারায়ণগঞ্জ নাগরিক কমিটির সাধারণ সম্পাদক জাহিদুল হক দীপু, শিশু সংগঠক রথীন চক্রবর্তী ও প্রবীণ শ্রমিক নেতা মন্টু ঘোষ। তাঁরা স্মরণ করিয়ে দেন যে, ২০১৪ সালের ৫ মার্চ র্যাব সংবাদ সম্মেলনে জানিয়েছিল ওসমান পরিবারের টর্চারসেলে ১১ জন মিলে ত্বকীকে হত্যা করেছে। অথচ সেই চিহ্নিত আসামিদের বিরুদ্ধে আজও চার্জশিট দেওয়া হয়নি।
এই প্রতিবাদী আয়োজনে আরও উপস্থিত ছিলেন নারায়ণগঞ্জ সাংস্কৃতিক জোটের উপদেষ্টা ভবানী শংকর রায়, জিয়াউর ইসলাম কাজল ও প্রদীপ ঘোষ বাবু। রাজনৈতিক ও সামাজিক অঙ্গনের প্রতিনিধিদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন ন্যাপ জেলা সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট আওলাদ হোসেন, সিপিবির জেলা সভাপতি শিবনাথ চক্রবর্তী ও সাবেক সভাপতি হাফিজুল ইসলাম, বাসদ জেলা সংগঠক সেলিম মাহমুদ, গণসংহতি আন্দোলনের জেলা যুগ্ম সমন্বয়ক অঞ্জন দাস এবং বিপ্লবী ওয়ার্কার্স পার্টির জেলা সভাপতি মাহমুদ হোসেন।
এছাড়াও সংহতি জানান ওয়ার্কার্স পার্টির জেলা সভাপতি হাফিজুর রহমান, নারায়ণগঞ্জ চেম্বার অব কমার্সের পরিচালক আহমেদুর রহমান তনু, সমমনার সাবেক সভাপতি দুলাল সাহা এবং সুজন জেলা সভাপতি ধীমান সাহা জুয়েলসহ বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ। ২০১৩ সালের ৬ মার্চ নিখোঁজ হওয়ার দুই দিন পর আজকের এই দিনে (৮ মার্চ) শীতলক্ষ্যার খাল থেকে ত্বকীর লাশ উদ্ধার হয়েছিল। সেই থেকেই প্রতি মাসের ৮ তারিখ এই আলোর মিছিল ও প্রজ্বালনের মাধ্যমে বিচারের দাবি জানিয়ে আসছে নারায়ণগঞ্জ সাংস্কৃতিক জোট।
বিচারহীনতার এক যুগ পেরিয়ে তেরো বছরে পদার্পণ—তবুও থমকে আছে মেধাবী ছাত্র তানভীর মুহাম্মদ ত্বকী হত্যার বিচার প্রক্রিয়া। এই দীর্ঘ প্রতীক্ষার প্রতিবাদে এবং ঘাতকদের বিচারের দাবিতে রবিবার (৮ মার্চ) সন্ধ্যায় মোমবাতির আলোয় প্রজ্জ্বলিত হয়ে ওঠে নারায়ণগঞ্জ কেন্দ্রীয় শহীদ মিনার। নারায়ণগঞ্জ সাংস্কৃতিক জোটের আয়োজনে এই কর্মসূচিতে বক্তাদের কণ্ঠে ঝরেছে বিচারহীনতার সংস্কৃতির বিরুদ্ধে ক্ষোভ।
আলোক প্রজ্বালন পরবর্তী সমাবেশে সভাপতির বক্তব্য রাখেন সংগঠনের সভাপতি মনি সুপান্থ এবং অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেন সাধারণ সম্পাদক দীনা তাজরিন।
নিহত ত্বকীর পিতা রফিউর রাব্বি বিচার ব্যবস্থার স্বাধীনতা নিয়ে প্রশ্ন তুলে বলেন, "১৩ বছরে যেখানে অভিযোগপত্র আদালতে জমা পড়ে না, সেখানে বিচার ব্যবস্থা কতটা জনবান্ধব বা স্বাধীন তা সহজেই বুঝতে পারি। কিন্তু প্রশ্ন হচ্ছে শেখ হাসিনার বিচার ব্যবস্থার ধারাবাহিকতা এভাবে আর কত দিন চলবে? সরকার বদলালেও রাষ্ট্রের গণবিরোধী চরিত্র বদলায় না কেন?" তিনি বর্তমান সরকারের কাছে রাষ্ট্রকে গণবিরোধী খোলস থেকে বের করে আনার দাবি জানিয়ে আরও বলেন, "একাত্তর বা চব্বিশে আমাদের স্বপ্ন ছিল একটি জনবান্ধব, গণতান্ত্রিক, মানবিক, সাম্য ও সুশাসনের রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠা করা। এর জন্য তো একটি সরকারের সদিচ্ছাই যথেষ্ট। শতাব্দীর পর শতাব্দী অপেক্ষা করতে হবে কেন?" তিনি কেবল ত্বকী নয়, বরং সাগর-রুনী, তনু, মিতু, মুনিয়া ও নারায়ণগঞ্জের আশিক, চঞ্চল, ভুলু, মিঠু হত্যার বিচারসহ গুম হওয়া সকলের বিচার দাবি করেন।
সমাবেশে সংহতি প্রকাশ করে বক্তব্য রাখেন দৈনিক খবরের পাতার সম্পাদক অ্যাডভোকেট মাহবুবুর রহমান মাসুম, নারায়ণগঞ্জ নাগরিক কমিটির সাধারণ সম্পাদক জাহিদুল হক দীপু, শিশু সংগঠক রথীন চক্রবর্তী ও প্রবীণ শ্রমিক নেতা মন্টু ঘোষ। তাঁরা স্মরণ করিয়ে দেন যে, ২০১৪ সালের ৫ মার্চ র্যাব সংবাদ সম্মেলনে জানিয়েছিল ওসমান পরিবারের টর্চারসেলে ১১ জন মিলে ত্বকীকে হত্যা করেছে। অথচ সেই চিহ্নিত আসামিদের বিরুদ্ধে আজও চার্জশিট দেওয়া হয়নি।
এই প্রতিবাদী আয়োজনে আরও উপস্থিত ছিলেন নারায়ণগঞ্জ সাংস্কৃতিক জোটের উপদেষ্টা ভবানী শংকর রায়, জিয়াউর ইসলাম কাজল ও প্রদীপ ঘোষ বাবু। রাজনৈতিক ও সামাজিক অঙ্গনের প্রতিনিধিদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন ন্যাপ জেলা সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট আওলাদ হোসেন, সিপিবির জেলা সভাপতি শিবনাথ চক্রবর্তী ও সাবেক সভাপতি হাফিজুল ইসলাম, বাসদ জেলা সংগঠক সেলিম মাহমুদ, গণসংহতি আন্দোলনের জেলা যুগ্ম সমন্বয়ক অঞ্জন দাস এবং বিপ্লবী ওয়ার্কার্স পার্টির জেলা সভাপতি মাহমুদ হোসেন।
এছাড়াও সংহতি জানান ওয়ার্কার্স পার্টির জেলা সভাপতি হাফিজুর রহমান, নারায়ণগঞ্জ চেম্বার অব কমার্সের পরিচালক আহমেদুর রহমান তনু, সমমনার সাবেক সভাপতি দুলাল সাহা এবং সুজন জেলা সভাপতি ধীমান সাহা জুয়েলসহ বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ। ২০১৩ সালের ৬ মার্চ নিখোঁজ হওয়ার দুই দিন পর আজকের এই দিনে (৮ মার্চ) শীতলক্ষ্যার খাল থেকে ত্বকীর লাশ উদ্ধার হয়েছিল। সেই থেকেই প্রতি মাসের ৮ তারিখ এই আলোর মিছিল ও প্রজ্বালনের মাধ্যমে বিচারের দাবি জানিয়ে আসছে নারায়ণগঞ্জ সাংস্কৃতিক জোট।
লোড হচ্ছে...