আন্তর্জাতিক
ভারতে মসজিদ-মাদরাসা সংশ্লিষ্টদের তথ্য নিচ্ছে মোদী সরকার
NewsView

নিউজভিউ ডেস্ক
ভারতশাসিত কাশ্মীরের শ্রীনগরে মসজিদগুলোর বিস্তারিত তথ্য সংগ্রহের এক নতুন কার্যক্রম শুরু করেছে পুলিশ। ‘মসজিদ প্রোফাইলিং’ নামের এই উদ্যোগটি ঘিরে স্থানীয় মুসলিম সম্প্রদায় ও ধর্মীয় নেতাদের মধ্যে ব্যাপক আতঙ্ক ও উদ্বেগের সৃষ্টি হয়েছে। অভিযোগ উঠেছে, এর মাধ্যমে ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানগুলোর ওপর রাষ্ট্রীয় নজরদারি চরম পর্যায়ে নিয়ে যাওয়া হচ্ছে।
কী আছে পুলিশের ফরমে? কাশ্মীর পুলিশের পক্ষ থেকে বিতরণ করা চার পৃষ্ঠার ওই ফরমে মসজিদের আদর্শিক মতবাদ, প্রতিষ্ঠার সাল, আয়ের উৎস, মাসিক ব্যয় এবং জমির মালিকানাসহ নানা স্পর্শকাতর তথ্য চাওয়া হয়েছে। এছাড়া মসজিদে একত্রে কতজন নামাজ পড়তে পারেন, সেটির ধারণক্ষমতাও জানতে চাওয়া হয়েছে।
সবচেয়ে উদ্বেগের বিষয় হলো, ফরমের একটি বড় অংশে ইমাম, মুয়াজ্জিন ও খতিবদের ব্যক্তিগত তথ্য চাওয়া হয়েছে। এর মধ্যে রয়েছে তাদের মোবাইল নম্বর, ইমেইল, পাসপোর্ট নম্বর, ব্যাংক হিসাব এবং সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের বিস্তারিত। এমনকি তাদের কোনো আত্মীয় বিদেশে থাকে কি না, সেই তথ্য দেওয়াও বাধ্যতামূলক করা হয়েছে। একই ধরনের ফরম স্থানীয় মাদ্রাসাগুলোতেও পাঠানো হয়েছে বলে জানা গেছে।
নেতৃবৃন্দের প্রতিক্রিয়া ও সমালোচনা কাশ্মীরের শীর্ষ ধর্মীয় জোট মুত্তাহিদা মজলিস-ই-উলামা (এমএমইউ) এই উদ্যোগের তীব্র বিরোধিতা করেছে। সংগঠনটি এক বিবৃতিতে বলেছে, মসজিদ একটি ধর্মীয় ও পবিত্র স্থান। এর অভ্যন্তরীণ বিষয়ে পুলিশের এ ধরনের হস্তক্ষেপ মুসলিম সমাজের মধ্যে ভয় ও অনাস্থা তৈরির অপচেষ্টা মাত্র।
সাবেক মুখ্যমন্ত্রী মেহবুবা মুফতি একে ‘বৈষম্যমূলক’ আখ্যা দিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন, সরকার কি একইভাবে মন্দির, গির্জা বা গুরুদ্বারগুলোর ক্ষেত্রেও এমন তথ্য সংগ্রহ করবে? তিনি অভিযোগ করেন, এর মাধ্যমে মসজিদগুলোকে কার্যত অপরাধস্থলে পরিণত করার চেষ্টা চলছে।
বিজেপির যুক্তি তবে ভারতীয় জনতা পার্টি (বিজেপি) এই উদ্যোগের পক্ষে অবস্থান নিয়েছে। দলটির কাশ্মীর মুখপাত্র আলতাফ ঠাকুর দাবি করেছেন, অতীতে কিছু মসজিদকে রাজনৈতিক ও অস্থিতিশীল প্রচারের কাজে ব্যবহার করা হয়েছে। তাই স্বচ্ছতা বজায় রাখা এবং নিরাপত্তার স্বার্থে এ ধরনের নজরদারি প্রয়োজন।
অস্থিতিশীল প্রেক্ষাপট ২০১৯ সালে কাশ্মীরের বিশেষ মর্যাদা (৩৭০ অনুচ্ছেদ) বাতিলের পর থেকেই সেখানে ধর্মীয় স্বাধীনতা ও নাগরিক অধিকার সংকুচিত হওয়ার অভিযোগ করে আসছেন স্থানীয়রা। প্রধান জামিয়া মসজিদ দীর্ঘ সময় বন্ধ রাখা এবং ঈদের জামাতে নিয়মিত বিধিনিষেধ আরোপের পর পুলিশের এই নতুন ‘প্রোফাইলিং’ কার্যক্রম কাশ্মীরিদের মনে নতুন করে ক্ষোভের সঞ্চার করেছে। সূত্র: আল-জাজিরা
ভারতশাসিত কাশ্মীরের শ্রীনগরে মসজিদগুলোর বিস্তারিত তথ্য সংগ্রহের এক নতুন কার্যক্রম শুরু করেছে পুলিশ। ‘মসজিদ প্রোফাইলিং’ নামের এই উদ্যোগটি ঘিরে স্থানীয় মুসলিম সম্প্রদায় ও ধর্মীয় নেতাদের মধ্যে ব্যাপক আতঙ্ক ও উদ্বেগের সৃষ্টি হয়েছে। অভিযোগ উঠেছে, এর মাধ্যমে ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানগুলোর ওপর রাষ্ট্রীয় নজরদারি চরম পর্যায়ে নিয়ে যাওয়া হচ্ছে।
কী আছে পুলিশের ফরমে? কাশ্মীর পুলিশের পক্ষ থেকে বিতরণ করা চার পৃষ্ঠার ওই ফরমে মসজিদের আদর্শিক মতবাদ, প্রতিষ্ঠার সাল, আয়ের উৎস, মাসিক ব্যয় এবং জমির মালিকানাসহ নানা স্পর্শকাতর তথ্য চাওয়া হয়েছে। এছাড়া মসজিদে একত্রে কতজন নামাজ পড়তে পারেন, সেটির ধারণক্ষমতাও জানতে চাওয়া হয়েছে।
সবচেয়ে উদ্বেগের বিষয় হলো, ফরমের একটি বড় অংশে ইমাম, মুয়াজ্জিন ও খতিবদের ব্যক্তিগত তথ্য চাওয়া হয়েছে। এর মধ্যে রয়েছে তাদের মোবাইল নম্বর, ইমেইল, পাসপোর্ট নম্বর, ব্যাংক হিসাব এবং সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের বিস্তারিত। এমনকি তাদের কোনো আত্মীয় বিদেশে থাকে কি না, সেই তথ্য দেওয়াও বাধ্যতামূলক করা হয়েছে। একই ধরনের ফরম স্থানীয় মাদ্রাসাগুলোতেও পাঠানো হয়েছে বলে জানা গেছে।
নেতৃবৃন্দের প্রতিক্রিয়া ও সমালোচনা কাশ্মীরের শীর্ষ ধর্মীয় জোট মুত্তাহিদা মজলিস-ই-উলামা (এমএমইউ) এই উদ্যোগের তীব্র বিরোধিতা করেছে। সংগঠনটি এক বিবৃতিতে বলেছে, মসজিদ একটি ধর্মীয় ও পবিত্র স্থান। এর অভ্যন্তরীণ বিষয়ে পুলিশের এ ধরনের হস্তক্ষেপ মুসলিম সমাজের মধ্যে ভয় ও অনাস্থা তৈরির অপচেষ্টা মাত্র।
সাবেক মুখ্যমন্ত্রী মেহবুবা মুফতি একে ‘বৈষম্যমূলক’ আখ্যা দিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন, সরকার কি একইভাবে মন্দির, গির্জা বা গুরুদ্বারগুলোর ক্ষেত্রেও এমন তথ্য সংগ্রহ করবে? তিনি অভিযোগ করেন, এর মাধ্যমে মসজিদগুলোকে কার্যত অপরাধস্থলে পরিণত করার চেষ্টা চলছে।
বিজেপির যুক্তি তবে ভারতীয় জনতা পার্টি (বিজেপি) এই উদ্যোগের পক্ষে অবস্থান নিয়েছে। দলটির কাশ্মীর মুখপাত্র আলতাফ ঠাকুর দাবি করেছেন, অতীতে কিছু মসজিদকে রাজনৈতিক ও অস্থিতিশীল প্রচারের কাজে ব্যবহার করা হয়েছে। তাই স্বচ্ছতা বজায় রাখা এবং নিরাপত্তার স্বার্থে এ ধরনের নজরদারি প্রয়োজন।
অস্থিতিশীল প্রেক্ষাপট ২০১৯ সালে কাশ্মীরের বিশেষ মর্যাদা (৩৭০ অনুচ্ছেদ) বাতিলের পর থেকেই সেখানে ধর্মীয় স্বাধীনতা ও নাগরিক অধিকার সংকুচিত হওয়ার অভিযোগ করে আসছেন স্থানীয়রা। প্রধান জামিয়া মসজিদ দীর্ঘ সময় বন্ধ রাখা এবং ঈদের জামাতে নিয়মিত বিধিনিষেধ আরোপের পর পুলিশের এই নতুন ‘প্রোফাইলিং’ কার্যক্রম কাশ্মীরিদের মনে নতুন করে ক্ষোভের সঞ্চার করেছে। সূত্র: আল-জাজিরা
লোড হচ্ছে...