নারায়ণগঞ্জসদর
পরিচয় মিললো উদ্ধার হওয়া সেই লাশের
NewsView

নিউজভিউ
নারায়ণগঞ্জের সিদ্ধিরগঞ্জে খাল থেকে উদ্ধার হওয়া সেই ড্রামভর্তি মরদেহের পরিচয় মিলেছে। আধুনিক প্রযুক্তির সহায়তায় নিহতের আঙুলের ছাপ (ফিঙ্গারপ্রিন্ট) বিশ্লেষণ করে পুলিশ নিশ্চিত হয়েছে যে, উদ্ধারকৃত মরদেহটি মো. আলী (৩২) নামক এক যুবকের। তিনি ভোলার চরফ্যাশন এলাকার সাহাবুদ্দিনের ছেলে। রোববার (১৮ জানুয়ারি) সকালে পরিচয় শনাক্তের বিষয়টি নিশ্চিত করেছে পুলিশ।
এর আগে আজ সকাল ৮টার দিকে সিদ্ধিরগঞ্জের দক্ষিণ কদমতলীর নয়াপাড়া (নয়াপাড়া খাল) এলাকা থেকে ড্রামভর্তি অবস্থায় মরদেহটি উদ্ধার করা হয়। নারায়ণগঞ্জ সিটি কর্পোরেশনের ৭ নম্বর ওয়ার্ডের এই খালটিতে একটি নীল রঙের ড্রাম ভাসতে দেখে স্থানীয়দের সন্দেহ হয়। পরে পুলিশকে খবর দিলে তারা এসে ড্রামটি তীরে এনে খোলার পর ভেতরে মানবেতর অবস্থায় যুবকের মরদেহটি খুঁজে পায়।
ঘটনাস্থলে যাওয়া সিদ্ধিরগঞ্জ থানার উপপরিদর্শক (এসআই) নুর আলম সিদ্দিকী জানান, স্থানীয়দের তথ্যের ভিত্তিতে ড্রামটি উদ্ধার করা হয়। ভেতরে মরদেহের সাথে একটি রশি পাওয়া গেছে এবং নিহতের শরীরে আঘাতের বেশ কিছু চিহ্নও লক্ষ্য করা গেছে।
সিদ্ধিরগঞ্জ থানার ইন্সপেক্টর (অফিসার ইনচার্জ) আব্দুল বারিক জানান, প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, ওই যুবককে অন্য কোথাও নৃশংসভাবে হত্যার পর লাশ গোপন করার উদ্দেশ্যে ড্রামের ভেতর ভরে রাতের কোনো এক সময় খালে ফেলে দেওয়া হয়েছে। নিহতের শরীরের জখম এবং ড্রামে ভরে ফেলে রাখার ধরণ দেখে এটি একটি পরিকল্পিত হত্যাকাণ্ড বলেই মনে হচ্ছে।
তিনি আরও জানান, নিহতের মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য বর্তমানে নারায়ণগঞ্জ জেনারেল (ভিক্টোরিয়া) হাসপাতালে রয়েছে। এই হত্যাকাণ্ডের সাথে জড়িতদের শনাক্ত করতে এবং গ্রেপ্তারে পুলিশের একাধিক টিম ইতিমধ্যে তদন্ত শুরু করেছে। খুব দ্রুতই অপরাধীদের আইনের আওতায় আনা সম্ভব হবে বলে আশা প্রকাশ করেন তিনি।
নারায়ণগঞ্জের সিদ্ধিরগঞ্জে খাল থেকে উদ্ধার হওয়া সেই ড্রামভর্তি মরদেহের পরিচয় মিলেছে। আধুনিক প্রযুক্তির সহায়তায় নিহতের আঙুলের ছাপ (ফিঙ্গারপ্রিন্ট) বিশ্লেষণ করে পুলিশ নিশ্চিত হয়েছে যে, উদ্ধারকৃত মরদেহটি মো. আলী (৩২) নামক এক যুবকের। তিনি ভোলার চরফ্যাশন এলাকার সাহাবুদ্দিনের ছেলে। রোববার (১৮ জানুয়ারি) সকালে পরিচয় শনাক্তের বিষয়টি নিশ্চিত করেছে পুলিশ।
এর আগে আজ সকাল ৮টার দিকে সিদ্ধিরগঞ্জের দক্ষিণ কদমতলীর নয়াপাড়া (নয়াপাড়া খাল) এলাকা থেকে ড্রামভর্তি অবস্থায় মরদেহটি উদ্ধার করা হয়। নারায়ণগঞ্জ সিটি কর্পোরেশনের ৭ নম্বর ওয়ার্ডের এই খালটিতে একটি নীল রঙের ড্রাম ভাসতে দেখে স্থানীয়দের সন্দেহ হয়। পরে পুলিশকে খবর দিলে তারা এসে ড্রামটি তীরে এনে খোলার পর ভেতরে মানবেতর অবস্থায় যুবকের মরদেহটি খুঁজে পায়।
ঘটনাস্থলে যাওয়া সিদ্ধিরগঞ্জ থানার উপপরিদর্শক (এসআই) নুর আলম সিদ্দিকী জানান, স্থানীয়দের তথ্যের ভিত্তিতে ড্রামটি উদ্ধার করা হয়। ভেতরে মরদেহের সাথে একটি রশি পাওয়া গেছে এবং নিহতের শরীরে আঘাতের বেশ কিছু চিহ্নও লক্ষ্য করা গেছে।
সিদ্ধিরগঞ্জ থানার ইন্সপেক্টর (অফিসার ইনচার্জ) আব্দুল বারিক জানান, প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, ওই যুবককে অন্য কোথাও নৃশংসভাবে হত্যার পর লাশ গোপন করার উদ্দেশ্যে ড্রামের ভেতর ভরে রাতের কোনো এক সময় খালে ফেলে দেওয়া হয়েছে। নিহতের শরীরের জখম এবং ড্রামে ভরে ফেলে রাখার ধরণ দেখে এটি একটি পরিকল্পিত হত্যাকাণ্ড বলেই মনে হচ্ছে।
তিনি আরও জানান, নিহতের মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য বর্তমানে নারায়ণগঞ্জ জেনারেল (ভিক্টোরিয়া) হাসপাতালে রয়েছে। এই হত্যাকাণ্ডের সাথে জড়িতদের শনাক্ত করতে এবং গ্রেপ্তারে পুলিশের একাধিক টিম ইতিমধ্যে তদন্ত শুরু করেছে। খুব দ্রুতই অপরাধীদের আইনের আওতায় আনা সম্ভব হবে বলে আশা প্রকাশ করেন তিনি।
লোড হচ্ছে...