আদালত
ওসমান হাদি হত্যা মামলা: সহযোগী রুবেল ৬ দিনের রিমান্ডে
NewsView

নিউজভিউ
ইনকিলাব মঞ্চের মুখপাত্র শরীফ ওসমান হাদিকে গুলি করে হত্যার ঘটনায় গ্রেপ্তার হওয়া রুবেল আহমেদকে ৬ দিনের রিমান্ডে পাঠিয়েছেন আদালত। বৃহস্পতিবার (২২ জানুয়ারি) ঢাকার অতিরিক্ত চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট জশিতা ইসলাম শুনানি শেষে এই আদেশ দেন।
রুবেল আহমেদ এই মামলার প্রধান শুটার ফয়সাল করিম মাসুদের ঘনিষ্ঠ সহযোগী হিসেবে পরিচিত। গত বুধবার (২১ জানুয়ারি) দিবাগত রাতে দক্ষিণ কেরানীগঞ্জের আটি নয়াবাজার এলাকা থেকে ডিবি পুলিশের সহায়তায় সিআইডি তাকে গ্রেপ্তার করে।
বৃহস্পতিবার আসামিকে ঢাকার চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে হাজির করে মামলার সুষ্ঠু তদন্তের স্বার্থে ১০ দিনের রিমান্ডে নেওয়ার আবেদন করেন তদন্তকারী কর্মকর্তা ও সিআইডির সহকারী পুলিশ সুপার আবদুল কাদির ভূঞা। রাষ্ট্রপক্ষে রিমান্ডের পক্ষে যুক্তি তুলে ধরেন আইনজীবী জামাল উদ্দিন মার্জিন। তবে আসামিপক্ষে কোনো আইনজীবী ছিলেন না। উভয়পক্ষের শুনানি শেষে আদালত ৬ দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন।
মামলার নথি অনুযায়ী, গত ১২ ডিসেম্বর ২০২৫ তারিখে জুমার নামাজ শেষে নির্বাচনী প্রচারণা চালানোর সময় পুরানা পল্টনের বক্স কালভার্ট রোডে মোটরসাইকেলে আসা দুর্বৃত্তরা শরীফ ওসমান হাদিকে লক্ষ্য করে গুলি ছোড়ে। আশঙ্কাজনক অবস্থায় তাকে সিঙ্গাপুরে নেওয়া হলে ১৮ ডিসেম্বর চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়।
এর আগে গত ৬ জানুয়ারি ডিবির পক্ষ থেকে সাবেক কাউন্সিলর তাইজুল ইসলাম চৌধুরী বাপ্পি ও ফয়সাল করিম মাসুদসহ ১৭ জনের বিরুদ্ধে অভিযোগপত্র দাখিল করা হয়েছিল। তবে মামলার বাদী ইনকিলাব মঞ্চের সদস্য সচিব আবদুল্লাহ আল জাবের ওই চার্জশিটে অসন্তোষ প্রকাশ করে ‘নারাজি’ আবেদন দাখিল করলে আদালত মামলাটি অধিকতর তদন্তের জন্য সিআইডিকে নির্দেশ দেন।
সিআইডির রিমান্ড আবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে, আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে বাধাগ্রস্ত করা, ভোটারদের মনে ভীতি সঞ্চার এবং প্রার্থীদের মনোবল ভেঙে দেওয়ার উদ্দেশ্যেই পূর্বপরিকল্পিতভাবে হাদিকে গুলি করা হয়েছিল। গ্রেপ্তার রুবেল এই পরিকল্পনা বাস্তবায়ন ও প্রধান আসামিকে পালিয়ে যেতে সহায়তা করেছেন বলে প্রাথমিক তদন্তে জানা গেছে।
আগামী ২৫ জানুয়ারি এই মামলার অধিকতর তদন্ত প্রতিবেদন আদালতে দাখিলের দিন ধার্য রয়েছে।
ইনকিলাব মঞ্চের মুখপাত্র শরীফ ওসমান হাদিকে গুলি করে হত্যার ঘটনায় গ্রেপ্তার হওয়া রুবেল আহমেদকে ৬ দিনের রিমান্ডে পাঠিয়েছেন আদালত। বৃহস্পতিবার (২২ জানুয়ারি) ঢাকার অতিরিক্ত চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট জশিতা ইসলাম শুনানি শেষে এই আদেশ দেন।
রুবেল আহমেদ এই মামলার প্রধান শুটার ফয়সাল করিম মাসুদের ঘনিষ্ঠ সহযোগী হিসেবে পরিচিত। গত বুধবার (২১ জানুয়ারি) দিবাগত রাতে দক্ষিণ কেরানীগঞ্জের আটি নয়াবাজার এলাকা থেকে ডিবি পুলিশের সহায়তায় সিআইডি তাকে গ্রেপ্তার করে।
বৃহস্পতিবার আসামিকে ঢাকার চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে হাজির করে মামলার সুষ্ঠু তদন্তের স্বার্থে ১০ দিনের রিমান্ডে নেওয়ার আবেদন করেন তদন্তকারী কর্মকর্তা ও সিআইডির সহকারী পুলিশ সুপার আবদুল কাদির ভূঞা। রাষ্ট্রপক্ষে রিমান্ডের পক্ষে যুক্তি তুলে ধরেন আইনজীবী জামাল উদ্দিন মার্জিন। তবে আসামিপক্ষে কোনো আইনজীবী ছিলেন না। উভয়পক্ষের শুনানি শেষে আদালত ৬ দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন।
মামলার নথি অনুযায়ী, গত ১২ ডিসেম্বর ২০২৫ তারিখে জুমার নামাজ শেষে নির্বাচনী প্রচারণা চালানোর সময় পুরানা পল্টনের বক্স কালভার্ট রোডে মোটরসাইকেলে আসা দুর্বৃত্তরা শরীফ ওসমান হাদিকে লক্ষ্য করে গুলি ছোড়ে। আশঙ্কাজনক অবস্থায় তাকে সিঙ্গাপুরে নেওয়া হলে ১৮ ডিসেম্বর চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়।
এর আগে গত ৬ জানুয়ারি ডিবির পক্ষ থেকে সাবেক কাউন্সিলর তাইজুল ইসলাম চৌধুরী বাপ্পি ও ফয়সাল করিম মাসুদসহ ১৭ জনের বিরুদ্ধে অভিযোগপত্র দাখিল করা হয়েছিল। তবে মামলার বাদী ইনকিলাব মঞ্চের সদস্য সচিব আবদুল্লাহ আল জাবের ওই চার্জশিটে অসন্তোষ প্রকাশ করে ‘নারাজি’ আবেদন দাখিল করলে আদালত মামলাটি অধিকতর তদন্তের জন্য সিআইডিকে নির্দেশ দেন।
সিআইডির রিমান্ড আবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে, আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে বাধাগ্রস্ত করা, ভোটারদের মনে ভীতি সঞ্চার এবং প্রার্থীদের মনোবল ভেঙে দেওয়ার উদ্দেশ্যেই পূর্বপরিকল্পিতভাবে হাদিকে গুলি করা হয়েছিল। গ্রেপ্তার রুবেল এই পরিকল্পনা বাস্তবায়ন ও প্রধান আসামিকে পালিয়ে যেতে সহায়তা করেছেন বলে প্রাথমিক তদন্তে জানা গেছে।
আগামী ২৫ জানুয়ারি এই মামলার অধিকতর তদন্ত প্রতিবেদন আদালতে দাখিলের দিন ধার্য রয়েছে।
লোড হচ্ছে...