বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি
এআই বদলে দেবে কাজের ধরন, চাকরি হারানোর আশঙ্কা থাকলেও রয়েছে সুযোগ
NewsView

নিউজভিউ ডেস্ক
কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার (এআই) জয়জয়কার যেমন মানুষের মনে উৎকণ্ঠা বাড়াচ্ছে, তেমনি দেখাচ্ছে নতুন সম্ভাবনার স্বপ্নও। ওপেনএআই-এর প্রধান নির্বাহী স্যাম অল্টম্যান মনে করেন, এআই-এর দ্রুত বিকাশের ফলে বিশ্বজুড়ে চাকরির বাজারে বড় ধরনের প্রভাব পড়বে ঠিকই, কিন্তু মানুষের অদম্য উদ্ভাবনী ক্ষমতা ভবিষ্যতে আরও উন্নত ও আধুনিক কর্মসংস্থানের সুযোগ তৈরি করবে।
বৃহস্পতিবার (১৯ ফেব্রুয়ারি) এক বক্তব্যে স্যাম অল্টম্যান বলেন, এআই প্রযুক্তি স্বয়ংক্রিয়ভাবে বিভিন্ন পেশার পুনরাবৃত্তিমূলক কাজগুলো বদলে দেবে। অফিসের দাপ্তরিক কাজ থেকে শুরু করে কারখানার শ্রমিকের দায়িত্ব—সবক্ষেত্রেই এর প্রভাব পড়বে। তবে তিনি আশাবাদী যে, ইতিহাস যেমন প্রমাণ করেছে মানুষ প্রতিটি প্রযুক্তিগত বিপ্লবের সঙ্গে নিজেকে মানিয়ে নিয়েছে, এবারও তার ব্যতিক্রম হবে না। অল্টম্যানের মতে, মানুষ বরাবরই নতুন কাজের পদ্ধতি এবং কর্মবাজার সৃষ্টি করে অভিযোজন করতে সক্ষম।
প্রযুক্তি বিশেষজ্ঞদের মতে, এআই-এর দ্রুত প্রসারের ফলে কোডিং, কনটেন্ট ক্রিয়েশন, ফাইন্যান্স এবং উৎপাদন খাতের চাকরিতে বড় ধরনের কাঠামোগত পরিবর্তন আসতে পারে। এর আগে মাইক্রোসফটের এআই প্রধান মুস্তাফা সুলেমানও একটি সতর্কবার্তা দিয়েছিলেন। তিনি জানিয়েছিলেন, আগামী ১২ থেকে ১৮ মাসের মধ্যে আইনজীবী, হিসাবরক্ষক, মার্কেটার এবং প্রকল্প ব্যবস্থাপকদের মতো 'হোয়াইট কলার' পেশার অনেক কাজ এআই স্বয়ংক্রিয়ভাবে করতে শুরু করবে। এমনকি এআই মডেল তৈরি করা অদূর ভবিষ্যতে ব্লগ লেখা বা পডকাস্ট তৈরির মতোই সহজ হয়ে যাবে।
বিশ্লেষকরা মনে করছেন, এআই কর্মসংস্থানের চিরাচরিত সংজ্ঞায় বিপুল পরিবর্তন আনলেও মানুষের সৃজনশীলতা ও অভিযোজন ক্ষমতা নতুন নতুন দিগন্ত উন্মোচন করবে। প্রযুক্তিগত এই পরিবর্তন যেমন কিছু কাজের সুযোগ কমাবে, তেমনি সৃষ্টি করবে এমন সব পেশা যার অস্তিত্ব বর্তমানে কল্পনাও করা যাচ্ছে না। সূত্র: ফসবাইটস
কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার (এআই) জয়জয়কার যেমন মানুষের মনে উৎকণ্ঠা বাড়াচ্ছে, তেমনি দেখাচ্ছে নতুন সম্ভাবনার স্বপ্নও। ওপেনএআই-এর প্রধান নির্বাহী স্যাম অল্টম্যান মনে করেন, এআই-এর দ্রুত বিকাশের ফলে বিশ্বজুড়ে চাকরির বাজারে বড় ধরনের প্রভাব পড়বে ঠিকই, কিন্তু মানুষের অদম্য উদ্ভাবনী ক্ষমতা ভবিষ্যতে আরও উন্নত ও আধুনিক কর্মসংস্থানের সুযোগ তৈরি করবে।
বৃহস্পতিবার (১৯ ফেব্রুয়ারি) এক বক্তব্যে স্যাম অল্টম্যান বলেন, এআই প্রযুক্তি স্বয়ংক্রিয়ভাবে বিভিন্ন পেশার পুনরাবৃত্তিমূলক কাজগুলো বদলে দেবে। অফিসের দাপ্তরিক কাজ থেকে শুরু করে কারখানার শ্রমিকের দায়িত্ব—সবক্ষেত্রেই এর প্রভাব পড়বে। তবে তিনি আশাবাদী যে, ইতিহাস যেমন প্রমাণ করেছে মানুষ প্রতিটি প্রযুক্তিগত বিপ্লবের সঙ্গে নিজেকে মানিয়ে নিয়েছে, এবারও তার ব্যতিক্রম হবে না। অল্টম্যানের মতে, মানুষ বরাবরই নতুন কাজের পদ্ধতি এবং কর্মবাজার সৃষ্টি করে অভিযোজন করতে সক্ষম।
প্রযুক্তি বিশেষজ্ঞদের মতে, এআই-এর দ্রুত প্রসারের ফলে কোডিং, কনটেন্ট ক্রিয়েশন, ফাইন্যান্স এবং উৎপাদন খাতের চাকরিতে বড় ধরনের কাঠামোগত পরিবর্তন আসতে পারে। এর আগে মাইক্রোসফটের এআই প্রধান মুস্তাফা সুলেমানও একটি সতর্কবার্তা দিয়েছিলেন। তিনি জানিয়েছিলেন, আগামী ১২ থেকে ১৮ মাসের মধ্যে আইনজীবী, হিসাবরক্ষক, মার্কেটার এবং প্রকল্প ব্যবস্থাপকদের মতো 'হোয়াইট কলার' পেশার অনেক কাজ এআই স্বয়ংক্রিয়ভাবে করতে শুরু করবে। এমনকি এআই মডেল তৈরি করা অদূর ভবিষ্যতে ব্লগ লেখা বা পডকাস্ট তৈরির মতোই সহজ হয়ে যাবে।
বিশ্লেষকরা মনে করছেন, এআই কর্মসংস্থানের চিরাচরিত সংজ্ঞায় বিপুল পরিবর্তন আনলেও মানুষের সৃজনশীলতা ও অভিযোজন ক্ষমতা নতুন নতুন দিগন্ত উন্মোচন করবে। প্রযুক্তিগত এই পরিবর্তন যেমন কিছু কাজের সুযোগ কমাবে, তেমনি সৃষ্টি করবে এমন সব পেশা যার অস্তিত্ব বর্তমানে কল্পনাও করা যাচ্ছে না। সূত্র: ফসবাইটস
লোড হচ্ছে...