আন্তর্জাতিক
সাংস্কৃতিক ইতিহাসে এক কলঙ্ক অধ্যায়, বই মেলায় লুটের হিড়িক
NewsView

নিউজভিউ
ভারতের রাজধানী নয়াদিল্লিতে শেষ হলো ৯ দিনব্যাপী ‘বিশ্ব বইমেলা ২০২৬’। তবে মেলার শেষ দিন অর্থাৎ রোববার যা ঘটল, তা সম্ভবত ভারতের সাংস্কৃতিক ইতিহাসে এক কলঙ্কজনক অধ্যায় হিসেবেই চিহ্নিত হয়ে থাকবে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভাইরাল হওয়া বেশ কিছু ভিডিওতে দেখা গেছে, মেলার শেষ দিনে স্টলগুলোতে বই নেওয়ার জন্য উন্মত্ত জনতার হুড়োহুড়ি, ধাক্কাধাক্কি এবং রীতিমতো বই লুটপাটের দৃশ্য।
নয়াদিল্লির প্রগতি ময়দানের ভারত মণ্ডপম কনভেনশন সেন্টারে গত ১০ জানুয়ারি থেকে ন্যাশনাল বুক ট্রাস্টের (এনবিটি) আয়োজনে শুরু হয়েছিল এই মেলা। এতে ভারতসহ ৩৫টি দেশের এক হাজারের বেশি প্রকাশক অংশ নেয়। কিন্তু রোববার মেলার সমাপনী লগ্নে জনসমুদ্রের বিশৃঙ্খলা সামলাতে হিমশিম খেতে হয় কর্তৃপক্ষকে।
ভাইরাল ভিডিওতে যা দেখা গেছে ভিডিওগুলোতে দেখা যায়, বিপুল সংখ্যক মানুষ একযোগে কয়েকটি স্টলের দিকে ঝাঁপিয়ে পড়ছে। কোনো কোনো স্টলের ওপর লাফিয়ে পড়তে দেখা যায় দর্শনার্থীদের। বই হাতে পেতে স্টলকর্মীদের হাত থেকে বই কেড়ে নেওয়া এবং বিশৃঙ্খলভাবে স্টলের ভেতরে ঢুকে যাওয়ার দৃশ্যও ধরা পড়েছে। এই পরিস্থিতিতে সাধারণ পাঠকদের মধ্যে চরম আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে এবং সাংস্কৃতিক মেলা রূপ নেয় এক বিভীষিকায়।
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে নিন্দার ঝড় ঘটনাটি জানাজানি হওয়ার পর ইন্টারনেটে তীব্র প্রতিক্রিয়ার সৃষ্টি হয়েছে। শিক্ষিত ও বইপড়া মানুষের এমন আচরণে লজ্জিত সাধারণ ভারতীয়রা। এক্সে (সাবেক টুইটার) এক ব্যবহারকারী লিখেছেন, ‘বই লুটপাটের এই দৃশ্য আমাদের নৈতিক অবক্ষয়ের প্রমাণ। এরা নাকি নিজেদের শিক্ষিত দাবি করে!’ অন্য এক ব্যবহারকারী ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, ‘সুযোগ পেলেই নাগরিক শিষ্টাচার ভুলে আমরা পশুর মতো আচরণ শুরু করি।’
উচ্চপর্যায়ের পরিদর্শন ও ব্যবস্থাপনা নিয়ে প্রশ্ন মেলার পরিবেশ যখন উত্তপ্ত, তার ঠিক একদিন আগেই অর্থাৎ শনিবার ভারতের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ মেলা প্রাঙ্গণ পরিদর্শন করেছিলেন। সফরের ছবি পোস্ট করে তিনি আয়োজনের প্রশংসা করেছিলেন। কিন্তু তার পরিদর্শনের ২৪ ঘণ্টার মধ্যেই এমন বিশৃঙ্খলা দিল্লির বড় বড় আয়োজনের নিরাপত্তা ও জনসমাগম ব্যবস্থাপনা নিয়ে বড় ধরণের প্রশ্ন তুলেছে।
কর্তৃপক্ষ এবং প্রকাশকদের পক্ষ থেকে এখনো ক্ষয়ক্ষতির কোনো সুনির্দিষ্ট তথ্য দেওয়া না হলেও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের ভিডিওগুলো ভারতের রাজধানীর সাংস্কৃতিক আভিজাত্যকে প্রশ্নের মুখে ফেলেছে। সূত্র: টাইমস নাউ।
ভারতের রাজধানী নয়াদিল্লিতে শেষ হলো ৯ দিনব্যাপী ‘বিশ্ব বইমেলা ২০২৬’। তবে মেলার শেষ দিন অর্থাৎ রোববার যা ঘটল, তা সম্ভবত ভারতের সাংস্কৃতিক ইতিহাসে এক কলঙ্কজনক অধ্যায় হিসেবেই চিহ্নিত হয়ে থাকবে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভাইরাল হওয়া বেশ কিছু ভিডিওতে দেখা গেছে, মেলার শেষ দিনে স্টলগুলোতে বই নেওয়ার জন্য উন্মত্ত জনতার হুড়োহুড়ি, ধাক্কাধাক্কি এবং রীতিমতো বই লুটপাটের দৃশ্য।
নয়াদিল্লির প্রগতি ময়দানের ভারত মণ্ডপম কনভেনশন সেন্টারে গত ১০ জানুয়ারি থেকে ন্যাশনাল বুক ট্রাস্টের (এনবিটি) আয়োজনে শুরু হয়েছিল এই মেলা। এতে ভারতসহ ৩৫টি দেশের এক হাজারের বেশি প্রকাশক অংশ নেয়। কিন্তু রোববার মেলার সমাপনী লগ্নে জনসমুদ্রের বিশৃঙ্খলা সামলাতে হিমশিম খেতে হয় কর্তৃপক্ষকে।
ভাইরাল ভিডিওতে যা দেখা গেছে ভিডিওগুলোতে দেখা যায়, বিপুল সংখ্যক মানুষ একযোগে কয়েকটি স্টলের দিকে ঝাঁপিয়ে পড়ছে। কোনো কোনো স্টলের ওপর লাফিয়ে পড়তে দেখা যায় দর্শনার্থীদের। বই হাতে পেতে স্টলকর্মীদের হাত থেকে বই কেড়ে নেওয়া এবং বিশৃঙ্খলভাবে স্টলের ভেতরে ঢুকে যাওয়ার দৃশ্যও ধরা পড়েছে। এই পরিস্থিতিতে সাধারণ পাঠকদের মধ্যে চরম আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে এবং সাংস্কৃতিক মেলা রূপ নেয় এক বিভীষিকায়।
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে নিন্দার ঝড় ঘটনাটি জানাজানি হওয়ার পর ইন্টারনেটে তীব্র প্রতিক্রিয়ার সৃষ্টি হয়েছে। শিক্ষিত ও বইপড়া মানুষের এমন আচরণে লজ্জিত সাধারণ ভারতীয়রা। এক্সে (সাবেক টুইটার) এক ব্যবহারকারী লিখেছেন, ‘বই লুটপাটের এই দৃশ্য আমাদের নৈতিক অবক্ষয়ের প্রমাণ। এরা নাকি নিজেদের শিক্ষিত দাবি করে!’ অন্য এক ব্যবহারকারী ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, ‘সুযোগ পেলেই নাগরিক শিষ্টাচার ভুলে আমরা পশুর মতো আচরণ শুরু করি।’
উচ্চপর্যায়ের পরিদর্শন ও ব্যবস্থাপনা নিয়ে প্রশ্ন মেলার পরিবেশ যখন উত্তপ্ত, তার ঠিক একদিন আগেই অর্থাৎ শনিবার ভারতের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ মেলা প্রাঙ্গণ পরিদর্শন করেছিলেন। সফরের ছবি পোস্ট করে তিনি আয়োজনের প্রশংসা করেছিলেন। কিন্তু তার পরিদর্শনের ২৪ ঘণ্টার মধ্যেই এমন বিশৃঙ্খলা দিল্লির বড় বড় আয়োজনের নিরাপত্তা ও জনসমাগম ব্যবস্থাপনা নিয়ে বড় ধরণের প্রশ্ন তুলেছে।
কর্তৃপক্ষ এবং প্রকাশকদের পক্ষ থেকে এখনো ক্ষয়ক্ষতির কোনো সুনির্দিষ্ট তথ্য দেওয়া না হলেও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের ভিডিওগুলো ভারতের রাজধানীর সাংস্কৃতিক আভিজাত্যকে প্রশ্নের মুখে ফেলেছে। সূত্র: টাইমস নাউ।
লোড হচ্ছে...