বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি
অশ্লীল ডিপফেক তৈরির অভিযোগে ইলন মাস্কের ‘গ্রোক’ নিষিদ্ধ মালয়েশিয়া ও ইন্দোনেশিয়ায়
NewsView

নিউজভিউ ডেস্ক
কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বা এআই প্রযুক্তির অপব্যবহার রোধে এবার কঠোর অবস্থানে মালয়েশিয়া ও ইন্দোনেশিয়া। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্স-এর (সাবেক টুইটার) মালিক ইলন মাস্কের এআই চ্যাটবট ‘গ্রোক’ ব্যবহার করে যৌন উত্তেজক ও অশ্লীল ডিপফেক ছবি তৈরির অভিযোগে দেশ দুটিতে এটি নিষিদ্ধ করা হয়েছে। বিশ্বে প্রথমবারের মতো গ্রোক এই মাত্রার নিষেধাজ্ঞার মুখে পড়ল।
মালয়েশিয়ান কমিউনিকেশনস অ্যান্ড মাল্টিমিডিয়া কমিশন জানিয়েছে, গ্রোক ব্যবহার করে নারীদের এবং শিশুদের আপত্তিকর নগ্ন ছবি তৈরি করা সম্ভব হচ্ছে, যা অত্যন্ত ঝুঁকিপূর্ণ। বছরের শুরুতে এক্স কর্তৃপক্ষকে এ বিষয়ে নোটিশ দেওয়া হলেও তারা কোনো কার্যকর ব্যবস্থা নেয়নি। তদন্তে দেখা গেছে, ব্যবহারকারীরা গ্রোক ব্যবহার করে সাধারণ মানুষের ছবি সম্পাদনা করে তাদের পোশাক সরিয়ে নগ্নভাবে প্রদর্শন করছে। মূলত সমাজের নৈতিকতা ও ব্যক্তি নিরাপত্তা রক্ষায় দেশ দুটি এই জরুরি সিদ্ধান্ত নিয়েছে।
গ্রোকের এমন কার্যক্রমকে ‘লজ্জাজনক’ ও ‘ঘৃণ্য’ বলে অভিহিত করেছেন যুক্তরাজ্যের প্রধানমন্ত্রী কিয়ার স্টার্মার। ইউরোপীয় ইউনিয়নসহ (ইইউ) বিশ্বের অনেক শীর্ষ নেতা এর নিন্দা জানিয়েছেন। এমনকি যুক্তরাজ্যেও গ্রোক নিষিদ্ধ করার জন্য সরকারের ওপর চাপ বাড়ছে। দেশটির প্রযুক্তিমন্ত্রী এই নিষেধাজ্ঞা প্রস্তাবের পাশে থাকবেন বলে ইঙ্গিত দিয়েছেন।
নিষেধাজ্ঞা ও সমালোচনার মুখে নিজের অবস্থানে অনড় রয়েছেন ইলন মাস্ক। তিনি বরাবরের মতোই একে ‘মতপ্রকাশের স্বাধীনতা দমনের চেষ্টা’ হিসেবে অভিহিত করেছেন। মাস্কের দাবি, সরকারগুলো নিয়ন্ত্রণের নাম করে ব্যবহারকারীদের সৃজনশীলতায় বাধা দিচ্ছে।
বিবিসির প্রতিবেদন অনুযায়ী, ডিপফেক পর্নোগ্রাফি বর্তমানে বিশ্বব্যাপী সাইবার অপরাধের অন্যতম বড় হাতিয়ার হয়ে দাঁড়িয়েছে। মালয়েশিয়া ও ইন্দোনেশিয়ার এই নিষেধাজ্ঞা অন্যান্য দেশের জন্য উদাহরণ হয়ে দাঁড়াতে পারে বলে মনে করছেন প্রযুক্তি বিশেষজ্ঞরা।
কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বা এআই প্রযুক্তির অপব্যবহার রোধে এবার কঠোর অবস্থানে মালয়েশিয়া ও ইন্দোনেশিয়া। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্স-এর (সাবেক টুইটার) মালিক ইলন মাস্কের এআই চ্যাটবট ‘গ্রোক’ ব্যবহার করে যৌন উত্তেজক ও অশ্লীল ডিপফেক ছবি তৈরির অভিযোগে দেশ দুটিতে এটি নিষিদ্ধ করা হয়েছে। বিশ্বে প্রথমবারের মতো গ্রোক এই মাত্রার নিষেধাজ্ঞার মুখে পড়ল।
মালয়েশিয়ান কমিউনিকেশনস অ্যান্ড মাল্টিমিডিয়া কমিশন জানিয়েছে, গ্রোক ব্যবহার করে নারীদের এবং শিশুদের আপত্তিকর নগ্ন ছবি তৈরি করা সম্ভব হচ্ছে, যা অত্যন্ত ঝুঁকিপূর্ণ। বছরের শুরুতে এক্স কর্তৃপক্ষকে এ বিষয়ে নোটিশ দেওয়া হলেও তারা কোনো কার্যকর ব্যবস্থা নেয়নি। তদন্তে দেখা গেছে, ব্যবহারকারীরা গ্রোক ব্যবহার করে সাধারণ মানুষের ছবি সম্পাদনা করে তাদের পোশাক সরিয়ে নগ্নভাবে প্রদর্শন করছে। মূলত সমাজের নৈতিকতা ও ব্যক্তি নিরাপত্তা রক্ষায় দেশ দুটি এই জরুরি সিদ্ধান্ত নিয়েছে।
গ্রোকের এমন কার্যক্রমকে ‘লজ্জাজনক’ ও ‘ঘৃণ্য’ বলে অভিহিত করেছেন যুক্তরাজ্যের প্রধানমন্ত্রী কিয়ার স্টার্মার। ইউরোপীয় ইউনিয়নসহ (ইইউ) বিশ্বের অনেক শীর্ষ নেতা এর নিন্দা জানিয়েছেন। এমনকি যুক্তরাজ্যেও গ্রোক নিষিদ্ধ করার জন্য সরকারের ওপর চাপ বাড়ছে। দেশটির প্রযুক্তিমন্ত্রী এই নিষেধাজ্ঞা প্রস্তাবের পাশে থাকবেন বলে ইঙ্গিত দিয়েছেন।
নিষেধাজ্ঞা ও সমালোচনার মুখে নিজের অবস্থানে অনড় রয়েছেন ইলন মাস্ক। তিনি বরাবরের মতোই একে ‘মতপ্রকাশের স্বাধীনতা দমনের চেষ্টা’ হিসেবে অভিহিত করেছেন। মাস্কের দাবি, সরকারগুলো নিয়ন্ত্রণের নাম করে ব্যবহারকারীদের সৃজনশীলতায় বাধা দিচ্ছে।
বিবিসির প্রতিবেদন অনুযায়ী, ডিপফেক পর্নোগ্রাফি বর্তমানে বিশ্বব্যাপী সাইবার অপরাধের অন্যতম বড় হাতিয়ার হয়ে দাঁড়িয়েছে। মালয়েশিয়া ও ইন্দোনেশিয়ার এই নিষেধাজ্ঞা অন্যান্য দেশের জন্য উদাহরণ হয়ে দাঁড়াতে পারে বলে মনে করছেন প্রযুক্তি বিশেষজ্ঞরা।
লোড হচ্ছে...