সারা দেশ
চট্টগ্রামে ভারতীয় সহকারী হাইকমিশনে এক ব্যক্তির রহস্যজনক মৃত্যু
NewsView6
নিউজভিউ ডেস্ক
চট্টগ্রাম নগরীর খুলশিতে ভারতীয় সহকারী হাইকমিশন কার্যালয়ে এক ব্যক্তির রহস্যজনক মৃত্যু হয়েছে। সেখানকার এক কর্মকর্তার লাশ উদ্ধার করা হয়েছে বলে জানায় স্থানীয় কয়েকটি সূত্র।
পুলিশ জানায়, ভারতীয় সহকারী হাইকমিশন কার্যালয় থেকে নরেন ধর (৩৮) নামে এক ব্যক্তির লাশ উদ্ধার করা হয়েছে। গতকাল মঙ্গলবার সকাল সাড়ে ৯টার দিকে লাশটি উদ্ধার করা হয়। পরে ময়না তদন্তের জন্য লাশ চট্টগ্রাম মেডিক্যাল কলেজ (চমেক) হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়।
পুলিশের ধারণা, মৃত নরেন ধর ভারতীয় সহকারী হাইকমিশন কার্যালয়ে কর্মরত ছিলেন। তবে তার মৃত্যুর সঠিক কারণ নিশ্চিত হওয়া যায়নি। ঘটনাস্থলে কোনো আঘাতের চিহ্ন বা সন্দেহজনক আলামত পাওয়া গেছে কি না, সে বিষয়ে পুলিশ কোনো মন্তব্য করেনি।
থানা পুলিশ সূত্র জানায়, খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে লাশ উদ্ধার করে। যেহেতু এটি একটি বিদেশি মিশনের ভেতরের ঘটনা, তাই নিয়ম অনুযায়ী সব ধরনের আইনি প্রক্রিয়া অনুসরণ করা হয়েছে। পুলিশ এখনো নরেন ধরের বিস্তারিত পরিচয় ও পেশাগত অবস্থান নিশ্চিত করার চেষ্টা করে যাচ্ছে বলে জানায় সূত্রটি।
স্থানীয় প্রত্যক্ষদর্শীরা জানায়, সকালে হঠাৎ মিশনের সামনে পুলিশের তৎপরতা দেখে বিষয়টি তাদের নজরে আসে। এর কিছুক্ষণ পরই একটি অ্যাম্বুলেন্সে করে মরদেহটি বের করে নিয়ে যেতে দেখা যায়। ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন পাওয়ার পর মৃত্যুর প্রকৃত কারণ জানা যাবে বলে পুলিশ জানায়।
চট্টগ্রাম নগরীর খুলশিতে ভারতীয় সহকারী হাইকমিশন কার্যালয়ে এক ব্যক্তির রহস্যজনক মৃত্যু হয়েছে। সেখানকার এক কর্মকর্তার লাশ উদ্ধার করা হয়েছে বলে জানায় স্থানীয় কয়েকটি সূত্র।
পুলিশ জানায়, ভারতীয় সহকারী হাইকমিশন কার্যালয় থেকে নরেন ধর (৩৮) নামে এক ব্যক্তির লাশ উদ্ধার করা হয়েছে। গতকাল মঙ্গলবার সকাল সাড়ে ৯টার দিকে লাশটি উদ্ধার করা হয়। পরে ময়না তদন্তের জন্য লাশ চট্টগ্রাম মেডিক্যাল কলেজ (চমেক) হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়।
পুলিশের ধারণা, মৃত নরেন ধর ভারতীয় সহকারী হাইকমিশন কার্যালয়ে কর্মরত ছিলেন। তবে তার মৃত্যুর সঠিক কারণ নিশ্চিত হওয়া যায়নি। ঘটনাস্থলে কোনো আঘাতের চিহ্ন বা সন্দেহজনক আলামত পাওয়া গেছে কি না, সে বিষয়ে পুলিশ কোনো মন্তব্য করেনি।
থানা পুলিশ সূত্র জানায়, খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে লাশ উদ্ধার করে। যেহেতু এটি একটি বিদেশি মিশনের ভেতরের ঘটনা, তাই নিয়ম অনুযায়ী সব ধরনের আইনি প্রক্রিয়া অনুসরণ করা হয়েছে। পুলিশ এখনো নরেন ধরের বিস্তারিত পরিচয় ও পেশাগত অবস্থান নিশ্চিত করার চেষ্টা করে যাচ্ছে বলে জানায় সূত্রটি।
স্থানীয় প্রত্যক্ষদর্শীরা জানায়, সকালে হঠাৎ মিশনের সামনে পুলিশের তৎপরতা দেখে বিষয়টি তাদের নজরে আসে। এর কিছুক্ষণ পরই একটি অ্যাম্বুলেন্সে করে মরদেহটি বের করে নিয়ে যেতে দেখা যায়। ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন পাওয়ার পর মৃত্যুর প্রকৃত কারণ জানা যাবে বলে পুলিশ জানায়।
লোড হচ্ছে...