রাজনীতি
জাতির উদ্দেশে জামায়াত আমির ডা. শফিকুর রহমান
তরুণদের হাতে নতুন দেশ তুলে দিতে কাজ করছি
NewsView

নিউজভিউ ডেস্ক
জুলাই গণঅভ্যুত্থানে নেতৃত্বদানকারী তরুণ প্রজন্মের হাতে একটি ইনসাফভিত্তিক নতুন দেশ তুলে দেওয়ার অঙ্গীকার ব্যক্ত করেছেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান। সোমবার (৯ ফেব্রুয়ারি) রাতে বাংলাদেশ টেলিভিশন (বিটিভি) ও বাংলাদেশ বেতারে জাতির উদ্দেশে দেওয়া ভাষণে তিনি এই প্রত্যয় ব্যক্ত করেন। ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোট উপলক্ষে আয়োজিত এই ভাষণে তিনি আগামীর বাংলাদেশের রূপরেখা তুলে ধরেন।
ডা. শফিকুর রহমান বলেন, “জুলাইয়ের মতো কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে তরুণদের নিয়ে ঐক্যের বাংলাদেশ গড়তে চাই। আমরা এমন এক দেশ গড়তে চাই যেখানে পারিবারিক পরিচয় নিয়ে কেউ দেশের পরিচালকের আসনে বসতে পারবে না। রাষ্ট্র হবে সবার এবং সরকার হবে জনগণের। ক্ষমতার মোহে অন্ধ হয়ে মানুষের অধিকার কেড়ে নেওয়ার সুযোগ আর কাউকে দেওয়া হবে না।”
স্মৃতিচারণ করতে গিয়ে তিনি বলেন, ক্ষমতাবানদের বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়ানোর যে হিম্মত আবরার ফাহাদ, আবু সাঈদ, মুগ্ধ ও ওসমান হাদিরা দেখিয়েছে, সেই দেশ এখন তাদের মতো সাহসী সন্তানদের হাতেই মানায়। তারাই এ দেশের ভবিষ্যৎ রচনা করবে। আমরা চাই এমন দেশ যেখানে সুশাসন, নিরাপত্তা ও ইনসাফ হবে রাষ্ট্রের মূল ভিত্তি।
রাষ্ট্রীয় সংস্কার ও নির্বাচন প্রসঙ্গে জামায়াত আমির বলেন, ২০১৪, ১৮ ও ২৪ সালে নির্বাচনের নামে তামাশা করে জনগণের ভোটাধিকার হরণ করা হয়েছিল। সেই নিপীড়ন থেকে মুক্তি পেতেই রক্তাক্ত জুলাই এসেছিল। রাষ্ট্রের মৌলিক কিছু সংস্কারের লক্ষ্যে সরকার কিছু পদক্ষেপ নিলেও তা পূর্ণাঙ্গ করতে গণভোটে ‘হ্যাঁ’ ভোট দেওয়া জরুরি। জনগণের রায় পেলে সংস্কার প্রক্রিয়া পূর্ণতা পাবে এবং দেশ সঠিক পথে পরিচালিত হবে।
বিগত শাসনব্যবস্থার সমালোচনা করে তিনি বলেন, শাসকশ্রেণি নির্বাচিত হয়ে নিজেদের মালিক মনে করায় রাষ্ট্রীয় সম্পদ ব্যক্তিগত ও দলীয় স্বার্থে ব্যবহৃত হয়েছে। আমরা এই ধারা ভাঙতে চাই। ইনসাফভিত্তিক সমাজ প্রতিষ্ঠা করলে ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে সবাই নিরাপদ থাকবে। কোনো মা বা বোনকে আর নিরাপত্তাহীনতায় ভুগতে হবে না।
সবশেষে তিনি জুলাই বিপ্লবের শহীদদের আত্মার মাগফিরাত ও আহতদের দ্রুত সুস্থতা কামনা করেন। একটি উন্নত ও আধুনিক দেশ গড়ার কারিগর হিসেবে জামায়াতে ইসলামীকে বিজয়ী করার জন্য তিনি দেশবাসীর সহযোগিতা ও দোয়া প্রার্থনা করেন।
জুলাই গণঅভ্যুত্থানে নেতৃত্বদানকারী তরুণ প্রজন্মের হাতে একটি ইনসাফভিত্তিক নতুন দেশ তুলে দেওয়ার অঙ্গীকার ব্যক্ত করেছেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান। সোমবার (৯ ফেব্রুয়ারি) রাতে বাংলাদেশ টেলিভিশন (বিটিভি) ও বাংলাদেশ বেতারে জাতির উদ্দেশে দেওয়া ভাষণে তিনি এই প্রত্যয় ব্যক্ত করেন। ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোট উপলক্ষে আয়োজিত এই ভাষণে তিনি আগামীর বাংলাদেশের রূপরেখা তুলে ধরেন।
ডা. শফিকুর রহমান বলেন, “জুলাইয়ের মতো কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে তরুণদের নিয়ে ঐক্যের বাংলাদেশ গড়তে চাই। আমরা এমন এক দেশ গড়তে চাই যেখানে পারিবারিক পরিচয় নিয়ে কেউ দেশের পরিচালকের আসনে বসতে পারবে না। রাষ্ট্র হবে সবার এবং সরকার হবে জনগণের। ক্ষমতার মোহে অন্ধ হয়ে মানুষের অধিকার কেড়ে নেওয়ার সুযোগ আর কাউকে দেওয়া হবে না।”
স্মৃতিচারণ করতে গিয়ে তিনি বলেন, ক্ষমতাবানদের বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়ানোর যে হিম্মত আবরার ফাহাদ, আবু সাঈদ, মুগ্ধ ও ওসমান হাদিরা দেখিয়েছে, সেই দেশ এখন তাদের মতো সাহসী সন্তানদের হাতেই মানায়। তারাই এ দেশের ভবিষ্যৎ রচনা করবে। আমরা চাই এমন দেশ যেখানে সুশাসন, নিরাপত্তা ও ইনসাফ হবে রাষ্ট্রের মূল ভিত্তি।
রাষ্ট্রীয় সংস্কার ও নির্বাচন প্রসঙ্গে জামায়াত আমির বলেন, ২০১৪, ১৮ ও ২৪ সালে নির্বাচনের নামে তামাশা করে জনগণের ভোটাধিকার হরণ করা হয়েছিল। সেই নিপীড়ন থেকে মুক্তি পেতেই রক্তাক্ত জুলাই এসেছিল। রাষ্ট্রের মৌলিক কিছু সংস্কারের লক্ষ্যে সরকার কিছু পদক্ষেপ নিলেও তা পূর্ণাঙ্গ করতে গণভোটে ‘হ্যাঁ’ ভোট দেওয়া জরুরি। জনগণের রায় পেলে সংস্কার প্রক্রিয়া পূর্ণতা পাবে এবং দেশ সঠিক পথে পরিচালিত হবে।
বিগত শাসনব্যবস্থার সমালোচনা করে তিনি বলেন, শাসকশ্রেণি নির্বাচিত হয়ে নিজেদের মালিক মনে করায় রাষ্ট্রীয় সম্পদ ব্যক্তিগত ও দলীয় স্বার্থে ব্যবহৃত হয়েছে। আমরা এই ধারা ভাঙতে চাই। ইনসাফভিত্তিক সমাজ প্রতিষ্ঠা করলে ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে সবাই নিরাপদ থাকবে। কোনো মা বা বোনকে আর নিরাপত্তাহীনতায় ভুগতে হবে না।
সবশেষে তিনি জুলাই বিপ্লবের শহীদদের আত্মার মাগফিরাত ও আহতদের দ্রুত সুস্থতা কামনা করেন। একটি উন্নত ও আধুনিক দেশ গড়ার কারিগর হিসেবে জামায়াতে ইসলামীকে বিজয়ী করার জন্য তিনি দেশবাসীর সহযোগিতা ও দোয়া প্রার্থনা করেন।
লোড হচ্ছে...