লাইফস্টাইল
বর্ষায় পাটশাক কেন খাবেন? জানুন ৬ উপকারিতা
NewsView5

নিউজভিউ ডেস্ক
বর্ষা মৌসুমে বাজারে সহজেই পাওয়া যায় পাটশাক। স্বাদে হালকা তিতকুটে হলেও পুষ্টিগুণে ভরপুর এই শাকে রয়েছে ভিটামিন এ, বি৬, সি, ফোলেট, ক্যালসিয়াম, ম্যাগনেশিয়ামসহ নানা অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট। নিয়মিত খাদ্যতালিকায় পাটশাক রাখলে শরীরের বিভিন্ন উপকার হতে পারে।
চোখের স্বাস্থ্য ভালো রাখতে সহায়ক
পাটশাকে থাকা ভিটামিন বি৬ ও ফোলেট চোখের স্বাভাবিক কার্যকারিতা বজায় রাখতে সাহায্য করে। এসব পুষ্টি উপাদান রাতকানা রোগের ঝুঁকি কমাতেও ভূমিকা রাখতে পারে।
রোগ প্রতিরোধক্ষমতা বাড়ায়
ভিটামিন সি-সমৃদ্ধ পাটশাক শরীরের রোগ প্রতিরোধক্ষমতা শক্তিশালী করতে সহায়তা করে। ফলে সর্দি-কাশি, ফ্লু ও অন্যান্য ভাইরাসজনিত সংক্রমণের বিরুদ্ধে শরীর ভালোভাবে লড়তে পারে।
কিছু ক্যানসারের ঝুঁকি কমাতে সহায়ক
পাটশাকে থাকা ফোলেট (ভিটামিন বি৯) নতুন কোষ তৈরি ও ডিএনএ মেরামতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। পর্যাপ্ত ফোলেট গ্রহণ জরায়ুমুখ, কোলন ও ফুসফুসের ক্যানসারের ঝুঁকি কমাতে সহায়ক হতে পারে বলে বিভিন্ন গবেষণায় উল্লেখ করা হয়েছে।
দাঁত ও মাড়ি সুস্থ রাখে
ক্যালসিয়ামসমৃদ্ধ পাটশাক দাঁত ও চোয়ালের হাড় মজবুত রাখতে সাহায্য করে। পাশাপাশি দাঁতের ক্ষয় ও মাড়ির নানা সমস্যার ঝুঁকিও কমাতে ভূমিকা রাখতে পারে।
হাড় মজবুত করে
পাটশাকে থাকা ক্যালসিয়াম ও ম্যাগনেশিয়াম একসঙ্গে হাড়ের স্বাস্থ্য রক্ষায় কাজ করে। এই দুই খনিজের সঠিক ভারসাম্য অস্টিওপোরোসিস বা হাড় ক্ষয়ের ঝুঁকি কমাতে সহায়ক হতে পারে।
ত্বক ও চুলের যত্নে উপকারী
পাটশাকে থাকা ভিটামিন বি২ শরীরে কোলাজেনের স্বাভাবিক মাত্রা বজায় রাখতে সহায়তা করে। এতে ত্বকের তারুণ্য ধরে রাখতে, সূক্ষ্ম বলিরেখা কমাতে এবং চুলের স্বাস্থ্য ভালো রাখতে সাহায্য মিলতে পারে।
সতর্কতা:
পাটশাক পুষ্টিকর হলেও এটি কোনো রোগের ওষুধ নয়। সুষম খাদ্যাভ্যাসের অংশ হিসেবে পরিমিত পরিমাণে খাওয়াই সবচেয়ে উপকারী। নির্দিষ্ট কোনো স্বাস্থ্য সমস্যা থাকলে চিকিৎসক বা পুষ্টিবিদের পরামর্শ নেওয়া উচিত।
চোখের স্বাস্থ্য ভালো রাখতে সহায়ক
পাটশাকে থাকা ভিটামিন বি৬ ও ফোলেট চোখের স্বাভাবিক কার্যকারিতা বজায় রাখতে সাহায্য করে। এসব পুষ্টি উপাদান রাতকানা রোগের ঝুঁকি কমাতেও ভূমিকা রাখতে পারে।
রোগ প্রতিরোধক্ষমতা বাড়ায়
ভিটামিন সি-সমৃদ্ধ পাটশাক শরীরের রোগ প্রতিরোধক্ষমতা শক্তিশালী করতে সহায়তা করে। ফলে সর্দি-কাশি, ফ্লু ও অন্যান্য ভাইরাসজনিত সংক্রমণের বিরুদ্ধে শরীর ভালোভাবে লড়তে পারে।
কিছু ক্যানসারের ঝুঁকি কমাতে সহায়ক
পাটশাকে থাকা ফোলেট (ভিটামিন বি৯) নতুন কোষ তৈরি ও ডিএনএ মেরামতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। পর্যাপ্ত ফোলেট গ্রহণ জরায়ুমুখ, কোলন ও ফুসফুসের ক্যানসারের ঝুঁকি কমাতে সহায়ক হতে পারে বলে বিভিন্ন গবেষণায় উল্লেখ করা হয়েছে।
দাঁত ও মাড়ি সুস্থ রাখে
ক্যালসিয়ামসমৃদ্ধ পাটশাক দাঁত ও চোয়ালের হাড় মজবুত রাখতে সাহায্য করে। পাশাপাশি দাঁতের ক্ষয় ও মাড়ির নানা সমস্যার ঝুঁকিও কমাতে ভূমিকা রাখতে পারে।
হাড় মজবুত করে
পাটশাকে থাকা ক্যালসিয়াম ও ম্যাগনেশিয়াম একসঙ্গে হাড়ের স্বাস্থ্য রক্ষায় কাজ করে। এই দুই খনিজের সঠিক ভারসাম্য অস্টিওপোরোসিস বা হাড় ক্ষয়ের ঝুঁকি কমাতে সহায়ক হতে পারে।
ত্বক ও চুলের যত্নে উপকারী
পাটশাকে থাকা ভিটামিন বি২ শরীরে কোলাজেনের স্বাভাবিক মাত্রা বজায় রাখতে সহায়তা করে। এতে ত্বকের তারুণ্য ধরে রাখতে, সূক্ষ্ম বলিরেখা কমাতে এবং চুলের স্বাস্থ্য ভালো রাখতে সাহায্য মিলতে পারে।
সতর্কতা:
পাটশাক পুষ্টিকর হলেও এটি কোনো রোগের ওষুধ নয়। সুষম খাদ্যাভ্যাসের অংশ হিসেবে পরিমিত পরিমাণে খাওয়াই সবচেয়ে উপকারী। নির্দিষ্ট কোনো স্বাস্থ্য সমস্যা থাকলে চিকিৎসক বা পুষ্টিবিদের পরামর্শ নেওয়া উচিত।
লোড হচ্ছে...