নারায়ণগঞ্জ
সিন্ডিকেট ও দ্রব্যমূল্য বৃদ্ধির প্রতিবাদে ৭ দফা দাবিতে ক্যাবের আলটিমেটাম
NHP NewsView

নিউজভিউ
বিশ্ব ভোক্তা-অধিকার দিবস উপলক্ষ্যে অসাধু ব্যবসায়ীদের কারসাজিতে দ্রব্যমূল্য বৃদ্ধির প্রতিবাদে এবং নিরাপদ বাজারের দাবিতে রাজপথে নেমেছে কনজুমারস এসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (ক্যাব)। শনিবার (১৫ মার্চ) দুপুরে নারায়ণগঞ্জের চাষাড়া কেন্দ্রীয় শহীদ মিনার প্রাঙ্গণে ক্যাব জেলা শাখার উদ্যোগে এক বিশাল র্যালি ও প্রতিবাদ সভা অনুষ্ঠিত হয়। সভা থেকে দেশের ভোক্তা স্বার্থ সুরক্ষায় ৭ দফা দাবি উত্থাপন করে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে কঠোর বার্তা দেওয়া হয়েছে।
সভাপতির বক্তব্যে ক্যাব জেলা শাখার সাধারণ সম্পাদক বিল্লাল হোসেন রবিন বলেন, "ভোক্তা-অধিকার সংরক্ষণ আইন ২০০৯ থাকলেও বাস্তব ক্ষেত্রে সাধারণ মানুষ এখনো অসাধু সিন্ডিকেটের কাছে জিম্মি। বাজার তদারকি কেবল নামমাত্র হলে চলবে না, জনস্বার্থে এর প্রয়োগ হতে হবে দৃশ্যমান ও কঠোর।"
প্রতিবাদ সভায় বক্তারা অভিযোগ করেন, নিরাপদ খাদ্য নিশ্চিতকরণ ও ন্যায্যমূল্য প্রতিষ্ঠায় সরকারি সংস্থাগুলোর তৎপরতা আরও বৃদ্ধি করা জরুরি। বিশেষ করে কৃত্রিম সংকট তৈরি করে যারা পকেট কাটছে, তাদের আইনের আওতায় আনা এখন সময়ের দাবি। দীর্ঘদিনের অভিজ্ঞতার আলোকে ক্যাব মনে করে, বাজারে স্বচ্ছতা না ফিরলে সাধারণ মানুষের জীবনযাত্রার ব্যয় অসহনীয় হয়ে পড়বে।
ভোক্তা স্বার্থ রক্ষায় ক্যাব উত্থাপিত ৭ দফা দাবির মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলো: মানহীন ও ভেজাল পণ্য বাজারজাতকরণ বন্ধে কঠোর ব্যবস্থা, মজুতদারি ও কৃত্রিম সংকট সৃষ্টিকারীদের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা, পণ্যের সঠিক মূল্য ও তথ্য স্পষ্টভাবে প্রদর্শন, এবং বিএসটিআই ও ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরের কার্যক্রম আরও সম্প্রসারণ করা। এছাড়া অনলাইন কেনাকাটায় প্রতারণা রোধে ডিজিটাল কমার্স নীতিমালার কঠোর বাস্তবায়ন এবং ২০০৯ সালের আইনটিকে যুগোপযোগী করার দাবি জানানো হয়।
কর্মসূচিতে জেলা ক্যাবের কোষাধ্যক্ষ এস এম এনামুল হক প্রিন্স, সদর উপজেলা কমিটির সভাপতি ডা. গাজী খায়রুজ্জামানসহ অন্যান্য নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন। বক্তারা একমত পোষণ করেন যে, একটি ন্যায়ভিত্তিক বাজারব্যবস্থা প্রতিষ্ঠায় সরকার, ব্যবসায়ী এবং সাধারণ জনগণ—সবাইকে সম্মিলিতভাবে কাজ করতে হবে। বিশ্ব ভোক্তা-অধিকার দিবসের এই প্রতিবাদী আয়োজন থেকে নিরাপদ পণ্য ও ন্যায্যমূল্য নিশ্চিতের কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণের আহ্বান জানানো হয়।
বিশ্ব ভোক্তা-অধিকার দিবস উপলক্ষ্যে অসাধু ব্যবসায়ীদের কারসাজিতে দ্রব্যমূল্য বৃদ্ধির প্রতিবাদে এবং নিরাপদ বাজারের দাবিতে রাজপথে নেমেছে কনজুমারস এসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (ক্যাব)। শনিবার (১৫ মার্চ) দুপুরে নারায়ণগঞ্জের চাষাড়া কেন্দ্রীয় শহীদ মিনার প্রাঙ্গণে ক্যাব জেলা শাখার উদ্যোগে এক বিশাল র্যালি ও প্রতিবাদ সভা অনুষ্ঠিত হয়। সভা থেকে দেশের ভোক্তা স্বার্থ সুরক্ষায় ৭ দফা দাবি উত্থাপন করে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে কঠোর বার্তা দেওয়া হয়েছে।
সভাপতির বক্তব্যে ক্যাব জেলা শাখার সাধারণ সম্পাদক বিল্লাল হোসেন রবিন বলেন, "ভোক্তা-অধিকার সংরক্ষণ আইন ২০০৯ থাকলেও বাস্তব ক্ষেত্রে সাধারণ মানুষ এখনো অসাধু সিন্ডিকেটের কাছে জিম্মি। বাজার তদারকি কেবল নামমাত্র হলে চলবে না, জনস্বার্থে এর প্রয়োগ হতে হবে দৃশ্যমান ও কঠোর।"
প্রতিবাদ সভায় বক্তারা অভিযোগ করেন, নিরাপদ খাদ্য নিশ্চিতকরণ ও ন্যায্যমূল্য প্রতিষ্ঠায় সরকারি সংস্থাগুলোর তৎপরতা আরও বৃদ্ধি করা জরুরি। বিশেষ করে কৃত্রিম সংকট তৈরি করে যারা পকেট কাটছে, তাদের আইনের আওতায় আনা এখন সময়ের দাবি। দীর্ঘদিনের অভিজ্ঞতার আলোকে ক্যাব মনে করে, বাজারে স্বচ্ছতা না ফিরলে সাধারণ মানুষের জীবনযাত্রার ব্যয় অসহনীয় হয়ে পড়বে।
ভোক্তা স্বার্থ রক্ষায় ক্যাব উত্থাপিত ৭ দফা দাবির মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলো: মানহীন ও ভেজাল পণ্য বাজারজাতকরণ বন্ধে কঠোর ব্যবস্থা, মজুতদারি ও কৃত্রিম সংকট সৃষ্টিকারীদের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা, পণ্যের সঠিক মূল্য ও তথ্য স্পষ্টভাবে প্রদর্শন, এবং বিএসটিআই ও ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরের কার্যক্রম আরও সম্প্রসারণ করা। এছাড়া অনলাইন কেনাকাটায় প্রতারণা রোধে ডিজিটাল কমার্স নীতিমালার কঠোর বাস্তবায়ন এবং ২০০৯ সালের আইনটিকে যুগোপযোগী করার দাবি জানানো হয়।
কর্মসূচিতে জেলা ক্যাবের কোষাধ্যক্ষ এস এম এনামুল হক প্রিন্স, সদর উপজেলা কমিটির সভাপতি ডা. গাজী খায়রুজ্জামানসহ অন্যান্য নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন। বক্তারা একমত পোষণ করেন যে, একটি ন্যায়ভিত্তিক বাজারব্যবস্থা প্রতিষ্ঠায় সরকার, ব্যবসায়ী এবং সাধারণ জনগণ—সবাইকে সম্মিলিতভাবে কাজ করতে হবে। বিশ্ব ভোক্তা-অধিকার দিবসের এই প্রতিবাদী আয়োজন থেকে নিরাপদ পণ্য ও ন্যায্যমূল্য নিশ্চিতের কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণের আহ্বান জানানো হয়।
লোড হচ্ছে...