নারায়ণগঞ্জসোনারগাঁও
নির্বাচনী মাঠে অঞ্জন দাস ‘সোনারগাঁয়ে উন্নয়ন কি করে হবে, যখন পাড়া-মহল্লায় ভয়ের রাজত্ব’
NewsView

নারায়ণগঞ্জ–০৩ আসনে জাতীয় সংসদ নির্বাচনের আনুষ্ঠানিক প্রচারণায় নেমেছেন গণসংহতি আন্দোলন নারায়ণগঞ্জ জেলার নির্বাহী সমন্বয়কারী এবং গার্মেন্ট শ্রমিক সংহতির কেন্দ্রীয় সহ-সভাপ্রধান অঞ্জন দাস। শনিবার (১৫ নভেম্বর) বিকেলে ৪টায় চিটাগাং রোড থেকে গণসংযোগের মাধ্যমে তিনি তার নির্বাচনী কার্যক্রম শুরু করেন। এই গণসংযোগের প্রধান লক্ষ্য হলো স্থানীয় জনগণের সঙ্গে সরাসরি সংযোগ স্থাপন করে তাদের সমস্যা ও প্রয়োজনভিত্তিক রাজনীতি গড়ে তোলা।
অঞ্জন দাসের প্রথম দিনের গণসংযোগে স্থানীয় বিভিন্ন শ্রেণি–পেশার মানুষের স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণ দেখা যায়। শ্রমিক, দোকানি, পরিবহন কর্মী, কলেজ শিক্ষার্থী ও স্থানীয় নারীদের সক্রিয় উপস্থিতিতে কর্মসূচিটি প্রাণবন্ত হয়ে ওঠে।
দলের নেতারা জানান, এই গণসংযোগ কেবল ভোটের আনুষ্ঠানিকতা নয়, এটি মূলত জনগণের মতামতকে গুরুত্ব দিয়ে নির্বাচন–পরবর্তী পরিকল্পনা ও ইশতেহারের কেন্দ্রে স্থান দেওয়ার একটি প্রক্রিয়া। নির্বাচনের দিন পর্যন্ত ধারাবাহিক গণসংযোগ, পথসভা, এবং পেশাজীবী গোষ্ঠীর সঙ্গে আলোচনা চলবে বলে তারা জানিয়েছেন।
গণসংযোগ চলাকালীন বক্তব্যে অঞ্জন দাস নারায়ণগঞ্জ–০৩ আসনের জনগণের বহু বছরের বঞ্চনা ও অনিরাপত্তার চিত্র তুলে ধরেন। তিনি তার লড়াইয়ের প্রধান লক্ষ্য ঘোষণা করেন—এলাকা থেকে সন্ত্রাস, ভূমিদস্যুতা ও দখলদারিত্বের নেটওয়ার্ক ভেঙে দেওয়া।
তিনি হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেন, নারায়ণগঞ্জ–০৩ আসনের মানুষ বহু বছর ধরে যে অবহেলা, সন্ত্রাস, ভূমিদস্যুতা আর দখলদারিত্বের দৌরাত্ম্য সহ্য করে এসেছে—এটা আর চলতে দেওয়া যায় না। যারা এই এলাকায় জনগণের জমি, নিরাপত্তা, ব্যবসা-বাণিজ্য, শান্তিপূর্ণ জীবনকে জিম্মি করে রেখেছে, তাদের বিরুদ্ধে জনগণের পক্ষের রাজনীতিই হবে সবচেয়ে বড় প্রতিরোধ।"
তিনি আক্ষেপ করে বলেন, "উন্নয়ন কি করে হবে, যখন পাড়া-মহল্লায় ভয়ের রাজত্ব, দখলবাজির নেটওয়ার্ক আর ভূমিদস্যুতার বিষ দাঁত গোলাপ শাহি–বেথি শাখার মতো চারদিকে গেঁথে বসে আছে?"
অঞ্জন দাস দৃঢ় কণ্ঠে বলেন, আমরা জনগণের কাছে এসেছি শুধু শোনার জন্য নয়—বরং এই অন্যায়চক্র ভাঙার অঙ্গীকার নিয়ে।... নারায়ণগঞ্জ–০৩ আসনকে মুক্ত করতে হলে জনগণের ভোটই হবে সবচেয়ে শক্তিশালী অস্ত্র।
তিনি অঙ্গীকার করেন, জনগণের মূল্যবান ভোটের শক্তিতে তিনি এই দখল–সন্ত্রাস–ভূমিদস্যু চক্রের আধিপত্য ভেঙে মানুষের অধিকার, মর্যাদা ও নিরাপত্তা ফিরিয়ে আনবেন। সমতার ভিত্তিতে উন্নয়ন ও স্বচ্ছ রাজনীতির পথে অঙ্গীকারবদ্ধ হয়ে তিনি ন্যায়ের রাজনীতিকে এগিয়ে নিতে সকলের ভোট প্রত্যাশা করেন।
এই নির্বাচনী প্রচারণার সূচনালগ্নে অঞ্জন দাসের সঙ্গে ছিলেন গণসংহতি আন্দোলন নারায়ণগঞ্জ জেলা ও মহানগরের নিয়ামুর রশিদ বিপ্লব, আলঙ্গীর হোসেন আলম, পপি রাণী সরকারসহ অন্যান্য নেতা-কর্মীবৃন্দ। এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন, গণসংহতি আন্দোলনের সিদ্ধিরগঞ্জ থানার আহ্বায়ক মো: জিয়াউর রহমান, সদস্য সচিব মো: সোহাগ, সোনারগাঁও উপজেলা আহ্বায়ক এম এইচ প্রান্ত এবং সম্পাদক মো: মোবাশ্বির হোসাইন, গার্মেন্ট শ্রমিক সংহতির জেলার সম্পাদক মেহেদী হাসান উজ্জ্বল, যুগ্ম আহ্বায়ক জাহাঙ্গীর আলম বাবু, দপ্তর সম্পাদক রনি শেখ, প্রতিবেশ আন্দোলনের নারায়ণগঞ্জ জেলার আহ্বায়ক রাইসুল রাব্বি, বাংলাদেশ যুব ফেডারেশন নারায়ণগঞ্জ জেলার আহ্বায়ক সাকিব হোসেন হৃদয়, যুগ্ম আহ্বায়ক রুবেল মোল্লা, সদস্য সচিব রাকিবুল ইসলাম ইফতি, বাংলাদেশ ছাত্র ফেডারেশন নারায়ণগঞ্জ জেলার সভাপতি সাইদুর রহমান ও সহ-সভাপতি ইউশা ইসলামসহ নেতৃবৃন্দ।
অঞ্জন দাসের প্রথম দিনের গণসংযোগে স্থানীয় বিভিন্ন শ্রেণি–পেশার মানুষের স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণ দেখা যায়। শ্রমিক, দোকানি, পরিবহন কর্মী, কলেজ শিক্ষার্থী ও স্থানীয় নারীদের সক্রিয় উপস্থিতিতে কর্মসূচিটি প্রাণবন্ত হয়ে ওঠে।
দলের নেতারা জানান, এই গণসংযোগ কেবল ভোটের আনুষ্ঠানিকতা নয়, এটি মূলত জনগণের মতামতকে গুরুত্ব দিয়ে নির্বাচন–পরবর্তী পরিকল্পনা ও ইশতেহারের কেন্দ্রে স্থান দেওয়ার একটি প্রক্রিয়া। নির্বাচনের দিন পর্যন্ত ধারাবাহিক গণসংযোগ, পথসভা, এবং পেশাজীবী গোষ্ঠীর সঙ্গে আলোচনা চলবে বলে তারা জানিয়েছেন।
গণসংযোগ চলাকালীন বক্তব্যে অঞ্জন দাস নারায়ণগঞ্জ–০৩ আসনের জনগণের বহু বছরের বঞ্চনা ও অনিরাপত্তার চিত্র তুলে ধরেন। তিনি তার লড়াইয়ের প্রধান লক্ষ্য ঘোষণা করেন—এলাকা থেকে সন্ত্রাস, ভূমিদস্যুতা ও দখলদারিত্বের নেটওয়ার্ক ভেঙে দেওয়া।
তিনি হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেন, নারায়ণগঞ্জ–০৩ আসনের মানুষ বহু বছর ধরে যে অবহেলা, সন্ত্রাস, ভূমিদস্যুতা আর দখলদারিত্বের দৌরাত্ম্য সহ্য করে এসেছে—এটা আর চলতে দেওয়া যায় না। যারা এই এলাকায় জনগণের জমি, নিরাপত্তা, ব্যবসা-বাণিজ্য, শান্তিপূর্ণ জীবনকে জিম্মি করে রেখেছে, তাদের বিরুদ্ধে জনগণের পক্ষের রাজনীতিই হবে সবচেয়ে বড় প্রতিরোধ।"
তিনি আক্ষেপ করে বলেন, "উন্নয়ন কি করে হবে, যখন পাড়া-মহল্লায় ভয়ের রাজত্ব, দখলবাজির নেটওয়ার্ক আর ভূমিদস্যুতার বিষ দাঁত গোলাপ শাহি–বেথি শাখার মতো চারদিকে গেঁথে বসে আছে?"
অঞ্জন দাস দৃঢ় কণ্ঠে বলেন, আমরা জনগণের কাছে এসেছি শুধু শোনার জন্য নয়—বরং এই অন্যায়চক্র ভাঙার অঙ্গীকার নিয়ে।... নারায়ণগঞ্জ–০৩ আসনকে মুক্ত করতে হলে জনগণের ভোটই হবে সবচেয়ে শক্তিশালী অস্ত্র।
তিনি অঙ্গীকার করেন, জনগণের মূল্যবান ভোটের শক্তিতে তিনি এই দখল–সন্ত্রাস–ভূমিদস্যু চক্রের আধিপত্য ভেঙে মানুষের অধিকার, মর্যাদা ও নিরাপত্তা ফিরিয়ে আনবেন। সমতার ভিত্তিতে উন্নয়ন ও স্বচ্ছ রাজনীতির পথে অঙ্গীকারবদ্ধ হয়ে তিনি ন্যায়ের রাজনীতিকে এগিয়ে নিতে সকলের ভোট প্রত্যাশা করেন।
এই নির্বাচনী প্রচারণার সূচনালগ্নে অঞ্জন দাসের সঙ্গে ছিলেন গণসংহতি আন্দোলন নারায়ণগঞ্জ জেলা ও মহানগরের নিয়ামুর রশিদ বিপ্লব, আলঙ্গীর হোসেন আলম, পপি রাণী সরকারসহ অন্যান্য নেতা-কর্মীবৃন্দ। এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন, গণসংহতি আন্দোলনের সিদ্ধিরগঞ্জ থানার আহ্বায়ক মো: জিয়াউর রহমান, সদস্য সচিব মো: সোহাগ, সোনারগাঁও উপজেলা আহ্বায়ক এম এইচ প্রান্ত এবং সম্পাদক মো: মোবাশ্বির হোসাইন, গার্মেন্ট শ্রমিক সংহতির জেলার সম্পাদক মেহেদী হাসান উজ্জ্বল, যুগ্ম আহ্বায়ক জাহাঙ্গীর আলম বাবু, দপ্তর সম্পাদক রনি শেখ, প্রতিবেশ আন্দোলনের নারায়ণগঞ্জ জেলার আহ্বায়ক রাইসুল রাব্বি, বাংলাদেশ যুব ফেডারেশন নারায়ণগঞ্জ জেলার আহ্বায়ক সাকিব হোসেন হৃদয়, যুগ্ম আহ্বায়ক রুবেল মোল্লা, সদস্য সচিব রাকিবুল ইসলাম ইফতি, বাংলাদেশ ছাত্র ফেডারেশন নারায়ণগঞ্জ জেলার সভাপতি সাইদুর রহমান ও সহ-সভাপতি ইউশা ইসলামসহ নেতৃবৃন্দ।
লোড হচ্ছে...