রাজনীতি
মনোনয়ন ফিরে পেলেন নারায়ণগঞ্জের ১০ প্রার্থী, ৫টি আসনে প্রতিদ্বন্দ্বী এখন ৫০
NewsView

নিউজভিউ
নির্বাচন কমিশনে (ইসি) আপিল করে প্রার্থিতা ফিরে পেয়েছেন নারায়ণগঞ্জের পাঁচটি সংসদীয় আসনের ১০ জন প্রার্থী। গত ১০ থেকে ১৭ জানুয়ারি পর্যন্ত ইসিতে অনুষ্ঠিত আপিল শুনানি শেষে তাঁদের মনোনয়নপত্র বৈধ ঘোষণা করা হয়। এর ফলে আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে নারায়ণগঞ্জের ৫টি আসনে মোট বৈধ প্রার্থীর সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৫০ জনে।
এর আগে গত ৩ জানুয়ারি জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তা রায়হান কবির অসম্পূর্ণ হলফনামা, হলফনামায় স্বাক্ষর না থাকা, বকেয়া গ্যাস বিল ও গৃহ কর এবং ১ শতাংশ ভোটারের স্বাক্ষরের গরমিলসহ বিভিন্ন কারণে এই ১০ প্রার্থীর মনোনয়ন বাতিল করেছিলেন। পরে তাঁরা প্রধান নির্বাচন কমিশনারের কাছে আপিল করে পুনরায় প্রার্থিতা ফিরে পাওয়ার সুযোগ পান।
আসনভিত্তিক যারা প্রার্থিতা ফিরে পেয়েছেন
নারায়ণগঞ্জ-১ : এই আসনে প্রার্থিতা ফিরে পেয়েছেন বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টির (সিপিবি) মো. মনিরুজ্জামান চন্দন এবং স্বতন্ত্র প্রার্থী ও কেন্দ্রীয় যুবদলের সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক মো. দুলাল।
নারায়ণগঞ্জ-২ : এই আসনে ইসলামী আন্দোলনের প্রার্থী মাওলানা মো. হাবিবুল্লাহর মনোনয়নপত্র বৈধ ঘোষণা করেছে ইসি।
নারায়ণগঞ্জ-৩: স্বতন্ত্র প্রার্থী ও সাবেক প্রতিমন্ত্রী রেজাউল করিম এই আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করার সুযোগ পেয়েছেন।
নারায়ণগঞ্জ-৪: এই আসনে সবচেয়ে বেশি চারজন প্রার্থী ফিরে এসেছেন। তাঁরা হলেন— জাতীয় পার্টির ছালাউদ্দিন খোকা মোল্লা, গণঅধিকার পরিষদের আরিফ ভূঁইয়া, সিপিবির ইকবাল হোসেন এবং বাংলাদেশ সুপ্রিম পার্টির সেলিম আহমেদ।
নারায়ণগঞ্জ-৫: এই আসনে স্বতন্ত্র প্রার্থী ও জাতীয় পার্টির বহিষ্কৃত নেতা মাকসুদ হোসেন এবং গণঅধিকার পরিষদের নাহিদ হোসেন তাঁদের প্রার্থিতা ফিরে পেয়েছেন।
নির্বাচন কমিশনের তথ্য অনুযায়ী, হলফনামার ছোটখাটো ভুল সংশোধন এবং বকেয়া পরিশোধ সংক্রান্ত নথিপত্র উপস্থাপনের মাধ্যমে এই প্রার্থীরা তাঁদের যোগ্যতার প্রমাণ দিয়েছেন।
নির্বাচন কমিশনে (ইসি) আপিল করে প্রার্থিতা ফিরে পেয়েছেন নারায়ণগঞ্জের পাঁচটি সংসদীয় আসনের ১০ জন প্রার্থী। গত ১০ থেকে ১৭ জানুয়ারি পর্যন্ত ইসিতে অনুষ্ঠিত আপিল শুনানি শেষে তাঁদের মনোনয়নপত্র বৈধ ঘোষণা করা হয়। এর ফলে আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে নারায়ণগঞ্জের ৫টি আসনে মোট বৈধ প্রার্থীর সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৫০ জনে।
এর আগে গত ৩ জানুয়ারি জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তা রায়হান কবির অসম্পূর্ণ হলফনামা, হলফনামায় স্বাক্ষর না থাকা, বকেয়া গ্যাস বিল ও গৃহ কর এবং ১ শতাংশ ভোটারের স্বাক্ষরের গরমিলসহ বিভিন্ন কারণে এই ১০ প্রার্থীর মনোনয়ন বাতিল করেছিলেন। পরে তাঁরা প্রধান নির্বাচন কমিশনারের কাছে আপিল করে পুনরায় প্রার্থিতা ফিরে পাওয়ার সুযোগ পান।
আসনভিত্তিক যারা প্রার্থিতা ফিরে পেয়েছেন
নারায়ণগঞ্জ-১ : এই আসনে প্রার্থিতা ফিরে পেয়েছেন বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টির (সিপিবি) মো. মনিরুজ্জামান চন্দন এবং স্বতন্ত্র প্রার্থী ও কেন্দ্রীয় যুবদলের সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক মো. দুলাল।
নারায়ণগঞ্জ-২ : এই আসনে ইসলামী আন্দোলনের প্রার্থী মাওলানা মো. হাবিবুল্লাহর মনোনয়নপত্র বৈধ ঘোষণা করেছে ইসি।
নারায়ণগঞ্জ-৩: স্বতন্ত্র প্রার্থী ও সাবেক প্রতিমন্ত্রী রেজাউল করিম এই আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করার সুযোগ পেয়েছেন।
নারায়ণগঞ্জ-৪: এই আসনে সবচেয়ে বেশি চারজন প্রার্থী ফিরে এসেছেন। তাঁরা হলেন— জাতীয় পার্টির ছালাউদ্দিন খোকা মোল্লা, গণঅধিকার পরিষদের আরিফ ভূঁইয়া, সিপিবির ইকবাল হোসেন এবং বাংলাদেশ সুপ্রিম পার্টির সেলিম আহমেদ।
নারায়ণগঞ্জ-৫: এই আসনে স্বতন্ত্র প্রার্থী ও জাতীয় পার্টির বহিষ্কৃত নেতা মাকসুদ হোসেন এবং গণঅধিকার পরিষদের নাহিদ হোসেন তাঁদের প্রার্থিতা ফিরে পেয়েছেন।
নির্বাচন কমিশনের তথ্য অনুযায়ী, হলফনামার ছোটখাটো ভুল সংশোধন এবং বকেয়া পরিশোধ সংক্রান্ত নথিপত্র উপস্থাপনের মাধ্যমে এই প্রার্থীরা তাঁদের যোগ্যতার প্রমাণ দিয়েছেন।
লোড হচ্ছে...