শিক্ষা
অভিন্ন প্রশ্নপত্রে শুরু হলো এইচএসসি ও সমমান পরীক্ষা
NewsView5
 (1).jpg)
নিউজভিউ ডেস্ক
সারা দেশে একযোগে শুরু হয়েছে ২০২৬ সালের উচ্চ মাধ্যমিক স্কুল সার্টিফিকেট (এইচএসসি) ও সমমান পরীক্ষা। বৃহস্পতিবার (২ জুলাই) সকাল ১০টায় বাংলা প্রথমপত্র (আবশ্যিক) পরীক্ষার মাধ্যমে শুরু হওয়া এ পরীক্ষা বেলা ১টা পর্যন্ত চলে।
এবার ৯ হাজার ৪৩৯টি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের ২ হাজার ৬৯৭টি কেন্দ্রে মোট ১২ লাখ ৭০ হাজার ৫৮৩ জন পরীক্ষার্থী অংশ নিচ্ছেন। এর মধ্যে ছাত্র ৬ লাখ ২১ হাজার ৯৬৯ জন এবং ছাত্রী ৬ লাখ ৪৮ হাজার ৬১৪ জন। ফলে ছাত্রদের তুলনায় ২৬ হাজার ৬৪৫ জন বেশি ছাত্রী পরীক্ষায় অংশ নিয়েছেন।
শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের তথ্য অনুযায়ী, দেশের ৯টি সাধারণ শিক্ষা বোর্ডে এবার প্রথমবারের মতো অভিন্ন প্রশ্নপত্রে এইচএসসি পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হচ্ছে। এর আগে প্রতিটি বোর্ডে পৃথক প্রশ্নপত্রে পরীক্ষা নেওয়া হতো।
পরীক্ষা সুষ্ঠু ও নকলমুক্ত রাখতে দেশের সব কেন্দ্রে সিসিটিভি ক্যামেরা স্থাপন করা হয়েছে। পাশাপাশি শিক্ষা মন্ত্রণালয়ে একটি কেন্দ্রীয় সিসিটিভি মনিটরিং সেল থেকে সারাদেশের পরীক্ষা কার্যক্রম সরাসরি পর্যবেক্ষণ করা হচ্ছে। নিরাপত্তা জোরদারে দায়িত্বপ্রাপ্ত পুলিশ কর্মকর্তাদের বডি-ওর্ন ক্যামেরাও সরবরাহ করা হয়েছে।
বোর্ডভিত্তিক হিসাবে, সাধারণ শিক্ষা বোর্ডগুলোর অধীনে পরীক্ষার্থী ১০ লাখ ৬৯ হাজার ৭১৪ জন, মাদ্রাসা বোর্ডে ৯২ হাজার ৯০৫ জন এবং কারিগরি শিক্ষা বোর্ডে ১ লাখ ৭ হাজার ৯৬৪ জন। ঢাকা বোর্ডে সর্বোচ্চ ৩ লাখ ৩৯৩ জন এবং বরিশাল বোর্ডে সর্বনিম্ন ৫৮ হাজার ৬৯৪ জন পরীক্ষার্থী অংশ নিচ্ছেন।
মোট ৭৭টি বিষয়ে ২১ দিনে লিখিত পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে। লিখিত পরীক্ষা শেষ হবে আগামী ৮ আগস্ট। এরপর ১৫ আগস্টের মধ্যে ব্যবহারিক পরীক্ষা সম্পন্ন করা হবে। যেসব দিনে পরীক্ষা থাকবে না, সেসব দিনে সংশ্লিষ্ট শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে নিয়মিত শ্রেণি কার্যক্রম চালু থাকবে।
আন্তঃশিক্ষা বোর্ড সমন্বয় কমিটি জানিয়েছে, যানজট ও বিশৃঙ্খলা এড়াতে পরীক্ষার্থীদের সকাল সাড়ে ৮টার মধ্যে কেন্দ্রে প্রবেশ নিশ্চিত করা হয়েছে। নকলের অভিযোগ থাকা ভেন্যু কেন্দ্রগুলো আগেই বাতিল করা হয়েছে। তবে হাওর, পার্বত্য ও দুর্গম চরাঞ্চলের শিক্ষার্থীদের সুবিধার কথা বিবেচনা করে কয়েকটি কেন্দ্র বিশেষ নিরাপত্তা ব্যবস্থার আওতায় বহাল রাখা হয়েছে।
এদিকে প্রশ্নপত্র ফাঁস বা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভুয়া প্রশ্ন ছড়ানোর অপচেষ্টা করলে সংশোধিত পাবলিক পরীক্ষা আইন, ১৯৮০ অনুযায়ী কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে জানিয়েছে শিক্ষা মন্ত্রণালয়।
এবার ৯ হাজার ৪৩৯টি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের ২ হাজার ৬৯৭টি কেন্দ্রে মোট ১২ লাখ ৭০ হাজার ৫৮৩ জন পরীক্ষার্থী অংশ নিচ্ছেন। এর মধ্যে ছাত্র ৬ লাখ ২১ হাজার ৯৬৯ জন এবং ছাত্রী ৬ লাখ ৪৮ হাজার ৬১৪ জন। ফলে ছাত্রদের তুলনায় ২৬ হাজার ৬৪৫ জন বেশি ছাত্রী পরীক্ষায় অংশ নিয়েছেন।
শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের তথ্য অনুযায়ী, দেশের ৯টি সাধারণ শিক্ষা বোর্ডে এবার প্রথমবারের মতো অভিন্ন প্রশ্নপত্রে এইচএসসি পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হচ্ছে। এর আগে প্রতিটি বোর্ডে পৃথক প্রশ্নপত্রে পরীক্ষা নেওয়া হতো।
পরীক্ষা সুষ্ঠু ও নকলমুক্ত রাখতে দেশের সব কেন্দ্রে সিসিটিভি ক্যামেরা স্থাপন করা হয়েছে। পাশাপাশি শিক্ষা মন্ত্রণালয়ে একটি কেন্দ্রীয় সিসিটিভি মনিটরিং সেল থেকে সারাদেশের পরীক্ষা কার্যক্রম সরাসরি পর্যবেক্ষণ করা হচ্ছে। নিরাপত্তা জোরদারে দায়িত্বপ্রাপ্ত পুলিশ কর্মকর্তাদের বডি-ওর্ন ক্যামেরাও সরবরাহ করা হয়েছে।
বোর্ডভিত্তিক হিসাবে, সাধারণ শিক্ষা বোর্ডগুলোর অধীনে পরীক্ষার্থী ১০ লাখ ৬৯ হাজার ৭১৪ জন, মাদ্রাসা বোর্ডে ৯২ হাজার ৯০৫ জন এবং কারিগরি শিক্ষা বোর্ডে ১ লাখ ৭ হাজার ৯৬৪ জন। ঢাকা বোর্ডে সর্বোচ্চ ৩ লাখ ৩৯৩ জন এবং বরিশাল বোর্ডে সর্বনিম্ন ৫৮ হাজার ৬৯৪ জন পরীক্ষার্থী অংশ নিচ্ছেন।
মোট ৭৭টি বিষয়ে ২১ দিনে লিখিত পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে। লিখিত পরীক্ষা শেষ হবে আগামী ৮ আগস্ট। এরপর ১৫ আগস্টের মধ্যে ব্যবহারিক পরীক্ষা সম্পন্ন করা হবে। যেসব দিনে পরীক্ষা থাকবে না, সেসব দিনে সংশ্লিষ্ট শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে নিয়মিত শ্রেণি কার্যক্রম চালু থাকবে।
আন্তঃশিক্ষা বোর্ড সমন্বয় কমিটি জানিয়েছে, যানজট ও বিশৃঙ্খলা এড়াতে পরীক্ষার্থীদের সকাল সাড়ে ৮টার মধ্যে কেন্দ্রে প্রবেশ নিশ্চিত করা হয়েছে। নকলের অভিযোগ থাকা ভেন্যু কেন্দ্রগুলো আগেই বাতিল করা হয়েছে। তবে হাওর, পার্বত্য ও দুর্গম চরাঞ্চলের শিক্ষার্থীদের সুবিধার কথা বিবেচনা করে কয়েকটি কেন্দ্র বিশেষ নিরাপত্তা ব্যবস্থার আওতায় বহাল রাখা হয়েছে।
এদিকে প্রশ্নপত্র ফাঁস বা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভুয়া প্রশ্ন ছড়ানোর অপচেষ্টা করলে সংশোধিত পাবলিক পরীক্ষা আইন, ১৯৮০ অনুযায়ী কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে জানিয়েছে শিক্ষা মন্ত্রণালয়।
লোড হচ্ছে...