শিক্ষা
নারায়ণগঞ্জে শুরু হলো এসএসসি পরীক্ষা
NewsView

নিউজভিউ
সারাদেশে একযোগে শুরু হওয়া ২০২৬ সালের এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করেছে নারায়ণগঞ্জের ৩৩ হাজার ২০৮ জন শিক্ষার্থী। মঙ্গলবার (২১ এপ্রিল) সকাল ১০টায় বাংলা প্রথম পত্রের মাধ্যমে জেলাজুড়ে অত্যন্ত সুষ্ঠু ও শান্তিপূর্ণ পরিবেশে এই পরীক্ষা শুরু হয়।
এবারের পরীক্ষায় জেলার মোট ৫০টি কেন্দ্রে পরীক্ষার্থীরা অংশ নিচ্ছে। এর মধ্যে সাধারণ শিক্ষা বোর্ডের অধীনে ৪০টি কেন্দ্রে ২৭ হাজার ৯৪৪ জন, মাদ্রাসা বোর্ডের অধীনে ৪টি কেন্দ্রে ৩ হাজার ৩৬৮ জন এবং কারিগরি শিক্ষা বোর্ডের অধীনে ৬টি কেন্দ্রে ১ হাজার ৮৯৬ জন শিক্ষার্থী পরীক্ষায় বসেছে। পরীক্ষা শুরু হওয়ার নির্ধারিত সময়ের অন্তত ৩০ মিনিট আগে কেন্দ্রে প্রবেশ করে শিক্ষার্থীরা।
পরীক্ষার স্বচ্ছতা ও নিরাপত্তা নিশ্চিতে জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে কঠোর তদারকি লক্ষ্য করা গেছে। মাউশির নির্দেশনা অনুযায়ী প্রতিটি কেন্দ্রে সিসিটিভি ক্যামেরা সচল রাখার পাশাপাশি ডিজিটাল জালিয়াতি রোধে মোবাইল নেটওয়ার্ক জ্যামার ব্যবহার করা হয়েছে। এছাড়া কেন্দ্র সচিব ছাড়া অন্য কোনো শিক্ষক বা সংশ্লিষ্ট ব্যক্তির মোবাইল ফোন ব্যবহারের ওপর নিষেধাজ্ঞা কার্যকর ছিল। কেন্দ্রগুলোতে পরীক্ষার্থীদের প্রবেশের সময় নিয়মমাফিক তল্লাশি চালিয়ে ভেতরে পাঠানো হয়।
জেলা শিক্ষা কর্মকর্তা মো. আতিকুর রহমান জানান, প্রথম দিনের পরীক্ষায় জেলায় কোনো অপ্রীতিকর পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়নি। উপজেলা শিক্ষা কর্মকর্তাদের সমন্বয়ে গঠিত বিশেষ টিম কেন্দ্রগুলো নিয়মিত পর্যবেক্ষণ করছে। নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ সরবরাহসহ শিক্ষার্থীদের জন্য সুন্দর পরিবেশ নিশ্চিত করতে জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে সব ধরনের ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে।
উল্লেখ্য, আগামী ২০ মে পর্যন্ত এসএসসি ও সমমানের লিখিত পরীক্ষা চলবে। প্রথম দিনের পরীক্ষা শেষে পরীক্ষার্থী ও অভিভাবকদের মধ্যে সন্তোষজনক আবহাওয়া দেখা গেছে।
সারাদেশে একযোগে শুরু হওয়া ২০২৬ সালের এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করেছে নারায়ণগঞ্জের ৩৩ হাজার ২০৮ জন শিক্ষার্থী। মঙ্গলবার (২১ এপ্রিল) সকাল ১০টায় বাংলা প্রথম পত্রের মাধ্যমে জেলাজুড়ে অত্যন্ত সুষ্ঠু ও শান্তিপূর্ণ পরিবেশে এই পরীক্ষা শুরু হয়।
এবারের পরীক্ষায় জেলার মোট ৫০টি কেন্দ্রে পরীক্ষার্থীরা অংশ নিচ্ছে। এর মধ্যে সাধারণ শিক্ষা বোর্ডের অধীনে ৪০টি কেন্দ্রে ২৭ হাজার ৯৪৪ জন, মাদ্রাসা বোর্ডের অধীনে ৪টি কেন্দ্রে ৩ হাজার ৩৬৮ জন এবং কারিগরি শিক্ষা বোর্ডের অধীনে ৬টি কেন্দ্রে ১ হাজার ৮৯৬ জন শিক্ষার্থী পরীক্ষায় বসেছে। পরীক্ষা শুরু হওয়ার নির্ধারিত সময়ের অন্তত ৩০ মিনিট আগে কেন্দ্রে প্রবেশ করে শিক্ষার্থীরা।
পরীক্ষার স্বচ্ছতা ও নিরাপত্তা নিশ্চিতে জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে কঠোর তদারকি লক্ষ্য করা গেছে। মাউশির নির্দেশনা অনুযায়ী প্রতিটি কেন্দ্রে সিসিটিভি ক্যামেরা সচল রাখার পাশাপাশি ডিজিটাল জালিয়াতি রোধে মোবাইল নেটওয়ার্ক জ্যামার ব্যবহার করা হয়েছে। এছাড়া কেন্দ্র সচিব ছাড়া অন্য কোনো শিক্ষক বা সংশ্লিষ্ট ব্যক্তির মোবাইল ফোন ব্যবহারের ওপর নিষেধাজ্ঞা কার্যকর ছিল। কেন্দ্রগুলোতে পরীক্ষার্থীদের প্রবেশের সময় নিয়মমাফিক তল্লাশি চালিয়ে ভেতরে পাঠানো হয়।
জেলা শিক্ষা কর্মকর্তা মো. আতিকুর রহমান জানান, প্রথম দিনের পরীক্ষায় জেলায় কোনো অপ্রীতিকর পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়নি। উপজেলা শিক্ষা কর্মকর্তাদের সমন্বয়ে গঠিত বিশেষ টিম কেন্দ্রগুলো নিয়মিত পর্যবেক্ষণ করছে। নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ সরবরাহসহ শিক্ষার্থীদের জন্য সুন্দর পরিবেশ নিশ্চিত করতে জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে সব ধরনের ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে।
উল্লেখ্য, আগামী ২০ মে পর্যন্ত এসএসসি ও সমমানের লিখিত পরীক্ষা চলবে। প্রথম দিনের পরীক্ষা শেষে পরীক্ষার্থী ও অভিভাবকদের মধ্যে সন্তোষজনক আবহাওয়া দেখা গেছে।
লোড হচ্ছে...