জাতীয়
আইভীর জামিন বহাল, মুক্তিতে বাধা নেই: আইনজীবী
NewsView5

নিউজভিউ ডেস্ক
সেলিনা হায়াৎ আইভী–এর বিরুদ্ধে দায়ের করা দুটি হত্যা মামলায় হাইকোর্টের দেওয়া অন্তর্বর্তীকালীন জামিন বহাল রেখেছেন আপিল বিভাগের চেম্বার আদালত। এর ফলে তার মুক্তিতে এখন আর কোনো আইনি বাধা নেই বলে জানিয়েছেন আইনজীবীরা।
রোববার (১৭ মে) দুপুরে আপিল বিভাগের চেম্বার বিচারপতি মো. রেজাউল হক রাষ্ট্রপক্ষের করা জামিন স্থগিতের আবেদনে ‘নো অর্ডার’ দেন।
আদালতে আইভীর পক্ষে শুনানি করেন জ্যেষ্ঠ আইনজীবী মোতাহার হোসেন সাজু ও আইনজীবী এস এম সিদ্দিকুর রহমান। সঙ্গে ছিলেন আইনজীবী এস এম হৃদয় রহমান। রাষ্ট্রপক্ষে শুনানিতে ছিলেন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল সৈয়দা সাজিয়া শারমিন।
শুনানি শেষে মোতাহার হোসেন সাজু বলেন, এর আগে ১০টি মামলায় হাইকোর্ট থেকে জামিন পাওয়ার পর সিদ্ধিরগঞ্জ থানার আরও দুটি মামলায় আইভীকে গ্রেপ্তার দেখানো হয়। পরে ওই মামলাগুলোতেও অন্তর্বর্তীকালীন জামিন দেন হাইকোর্ট। রাষ্ট্রপক্ষ সেই জামিন স্থগিত চেয়ে চেম্বার আদালতে আবেদন করলেও আদালত কোনো আদেশ দেননি।
তিনি বলেন, “চেম্বার আদালতের এ আদেশের ফলে আইভীর মুক্তিতে আর কোনো আইনি বাধা নেই।”
২০২৪ সালের জুলাই-আগস্টে ছাত্র-জনতার গণঅভ্যুত্থানের পর আওয়ামী লীগ সরকারের পতন হলে ১৮ আগস্ট দেশের সব সিটি কর্পোরেশনের মেয়রদের অপসারণ করা হয়। সে সময় দায়িত্ব হারান নারায়ণগঞ্জ সিটির টানা তিনবারের নির্বাচিত মেয়র ডা. সেলিনা হায়াৎ আইভী।
পরে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনে নিহত পোশাক শ্রমিক মিনারুল ইসলাম হত্যা মামলায় প্রথম তাকে আসামি করা হয়। এরপর আরও একাধিক মামলায় তার নাম যুক্ত হয়।
গত (৯ মে ২০২৫) ভোরে নারায়ণগঞ্জ শহরের দেওভোগ এলাকার বাসা থেকে আইভীকে গ্রেপ্তার করা হয়। নিম্ন আদালতে জামিন না পেয়ে তিনি হাইকোর্টে আবেদন করলে কয়েক দফায় একাধিক মামলায় জামিন পান।
তবে প্রতিবার জামিনের পর নতুন মামলায় তাকে গ্রেপ্তার দেখানোর আবেদন করে পুলিশ।
এ ঘটনায় আইভীর আইনজীবীরা হাইকোর্টে রিট আবেদন করলে গত ২৬ এপ্রিল আদালত সুনির্দিষ্ট অভিযোগ ছাড়া নতুন কোনো মামলায় তাকে গ্রেপ্তার বা হয়রানি না করার নির্দেশ দেন। একইসঙ্গে ধারাবাহিকভাবে গ্রেপ্তার দেখানোর বৈধতা নিয়ে রুল জারি করেন আদালত।
আইভীর আইনজীবী এস এম হৃদয় রহমান বলেন, ১২টি মামলায় পাওয়া জামিনের আদেশ সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে পৌঁছানোর প্রক্রিয়া চলছে। সব আনুষ্ঠানিকতা শেষ হলে চলতি সপ্তাহেই তিনি মুক্তি পেতে পারেন বলে আশা করা হচ্ছে।
রোববার (১৭ মে) দুপুরে আপিল বিভাগের চেম্বার বিচারপতি মো. রেজাউল হক রাষ্ট্রপক্ষের করা জামিন স্থগিতের আবেদনে ‘নো অর্ডার’ দেন।
আদালতে আইভীর পক্ষে শুনানি করেন জ্যেষ্ঠ আইনজীবী মোতাহার হোসেন সাজু ও আইনজীবী এস এম সিদ্দিকুর রহমান। সঙ্গে ছিলেন আইনজীবী এস এম হৃদয় রহমান। রাষ্ট্রপক্ষে শুনানিতে ছিলেন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল সৈয়দা সাজিয়া শারমিন।
শুনানি শেষে মোতাহার হোসেন সাজু বলেন, এর আগে ১০টি মামলায় হাইকোর্ট থেকে জামিন পাওয়ার পর সিদ্ধিরগঞ্জ থানার আরও দুটি মামলায় আইভীকে গ্রেপ্তার দেখানো হয়। পরে ওই মামলাগুলোতেও অন্তর্বর্তীকালীন জামিন দেন হাইকোর্ট। রাষ্ট্রপক্ষ সেই জামিন স্থগিত চেয়ে চেম্বার আদালতে আবেদন করলেও আদালত কোনো আদেশ দেননি।
তিনি বলেন, “চেম্বার আদালতের এ আদেশের ফলে আইভীর মুক্তিতে আর কোনো আইনি বাধা নেই।”
২০২৪ সালের জুলাই-আগস্টে ছাত্র-জনতার গণঅভ্যুত্থানের পর আওয়ামী লীগ সরকারের পতন হলে ১৮ আগস্ট দেশের সব সিটি কর্পোরেশনের মেয়রদের অপসারণ করা হয়। সে সময় দায়িত্ব হারান নারায়ণগঞ্জ সিটির টানা তিনবারের নির্বাচিত মেয়র ডা. সেলিনা হায়াৎ আইভী।
পরে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনে নিহত পোশাক শ্রমিক মিনারুল ইসলাম হত্যা মামলায় প্রথম তাকে আসামি করা হয়। এরপর আরও একাধিক মামলায় তার নাম যুক্ত হয়।
গত (৯ মে ২০২৫) ভোরে নারায়ণগঞ্জ শহরের দেওভোগ এলাকার বাসা থেকে আইভীকে গ্রেপ্তার করা হয়। নিম্ন আদালতে জামিন না পেয়ে তিনি হাইকোর্টে আবেদন করলে কয়েক দফায় একাধিক মামলায় জামিন পান।
তবে প্রতিবার জামিনের পর নতুন মামলায় তাকে গ্রেপ্তার দেখানোর আবেদন করে পুলিশ।
এ ঘটনায় আইভীর আইনজীবীরা হাইকোর্টে রিট আবেদন করলে গত ২৬ এপ্রিল আদালত সুনির্দিষ্ট অভিযোগ ছাড়া নতুন কোনো মামলায় তাকে গ্রেপ্তার বা হয়রানি না করার নির্দেশ দেন। একইসঙ্গে ধারাবাহিকভাবে গ্রেপ্তার দেখানোর বৈধতা নিয়ে রুল জারি করেন আদালত।
আইভীর আইনজীবী এস এম হৃদয় রহমান বলেন, ১২টি মামলায় পাওয়া জামিনের আদেশ সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে পৌঁছানোর প্রক্রিয়া চলছে। সব আনুষ্ঠানিকতা শেষ হলে চলতি সপ্তাহেই তিনি মুক্তি পেতে পারেন বলে আশা করা হচ্ছে।
লোড হচ্ছে...