রাজনীতি
এনসিপি নেত্রী সামান্তার অভিযোগ
‘গণভোটের পক্ষে প্রচারণার অর্থ আত্মসাৎ হয়েছে’
NHP NewsView

নিউজভিউ ডেস্ক
বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের প্ল্যাটফর্ম ব্যবহার করে গণভোটের প্রচারণার নামে বিপুল অর্থ আত্মসাৎ ও সাংগঠনিক স্বৈরাচারের গুরুতর অভিযোগ তুলেছেন জাতীয় নাগরিক কমিটির মুখপাত্র সামান্তা শারমিন। বৃহস্পতিবার (২৩ এপ্রিল) ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের মধুর ক্যান্টিনের সামনে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি আন্দোলনের ভেতরের এই আর্থিক অনিয়ম ও প্রাতিষ্ঠানিক বৈষম্যের তথ্য ফাঁস করেন। সামান্তা শারমিন অভিযোগ করেন যে সংগঠনের গণতান্ত্রিক চেতনাকে পদদলিত করে একক সিদ্ধান্তে লুটপাট চালানো হচ্ছে।
সংবাদ সম্মেলনে সামান্তা শারমিন জানান যে ২০২৫ সালের ২৫ জুন অনুষ্ঠিত জাতীয় কাউন্সিলের মাধ্যমে তিনি সরাসরি ভোটে কেন্দ্রীয় মুখপাত্র নির্বাচিত হলেও তাকে সাংগঠনিক দায়িত্ব পালন করতে দেওয়া হয়নি। তিনি অভিযোগ করেন যে কেন্দ্রীয় যোগাযোগ মাধ্যম ও প্রশাসনিক এক্সেস থেকে তাদের বঞ্চিত রেখে সংগঠনের সকল সিদ্ধান্ত রিফাত রসিদ এককভাবে গ্রহণ করছেন। বিষয়টিকে ব্যক্তিগত অবমূল্যায়নের পাশাপাশি ক্ষমতার অপব্যবহার ও প্রাতিষ্ঠানিক বৈষম্য হিসেবে অভিহিত করেন তিনি।
সবচেয়ে গুরুতর অভিযোগ তুলে ধরে সামান্তা বলেন যে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে গণভোটে ‘হ্যাঁ’–এর পক্ষে দেশব্যাপী প্রচারণার নামে ব্যাপক আর্থিক অনিয়ম ও লুটপাট করা হয়েছে। তিনি জানান যে অনলাইন মিটিংয়ে যখন এই বৃহৎ কর্মসূচির অর্থায়ন সম্পর্কে প্রশ্ন করা হয়েছিল তখন বলা হয়েছিল ব্যক্তিগত খরচ বা ‘বাবার টাকা’ দিয়ে এটি বাস্তবায়ন করা হবে। কিন্তু পরবর্তীতে কোনো স্বচ্ছতা ছাড়াই বিভিন্ন ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠান থেকে ফান্ড সংগ্রহ করা হয়েছে এবং সেই অর্থের ব্যবহার নিয়ে কোনো তথ্য কেন্দ্রীয় দায়িত্বশীলদের কাছে উপস্থাপন করা হয়নি বরং তা গোপন রাখা হয়েছে।
সামান্তা শারমিন আরও দাবি করেন যে বারবার জবাবদিহিতা চাওয়ার পরও বিষয়টি অস্বীকার করা হয়েছে এবং উল্টো তাদের ওপরই দোষারোপ করা হয়েছে। যারা অনিয়মের বিরুদ্ধে মুখ খুলছেন তাদের বিরুদ্ধে সংগঠন অস্থিতিশীল করার মিথ্যা অভিযোগ আনা হচ্ছে। সংবাদ সম্মেলনে তিনি স্পষ্ট করেন যে কেন্দ্রীয় সংগঠনের দায়িত্বশীল হিসেবে প্রতিটি কর্মসূচি ও অর্থের উৎস জানার অধিকার তাদের রয়েছে এবং এই বৈষম্য দূর না হওয়া পর্যন্ত তারা সত্য প্রকাশে অবিচল থাকবেন।
বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের প্ল্যাটফর্ম ব্যবহার করে গণভোটের প্রচারণার নামে বিপুল অর্থ আত্মসাৎ ও সাংগঠনিক স্বৈরাচারের গুরুতর অভিযোগ তুলেছেন জাতীয় নাগরিক কমিটির মুখপাত্র সামান্তা শারমিন। বৃহস্পতিবার (২৩ এপ্রিল) ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের মধুর ক্যান্টিনের সামনে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি আন্দোলনের ভেতরের এই আর্থিক অনিয়ম ও প্রাতিষ্ঠানিক বৈষম্যের তথ্য ফাঁস করেন। সামান্তা শারমিন অভিযোগ করেন যে সংগঠনের গণতান্ত্রিক চেতনাকে পদদলিত করে একক সিদ্ধান্তে লুটপাট চালানো হচ্ছে।
সংবাদ সম্মেলনে সামান্তা শারমিন জানান যে ২০২৫ সালের ২৫ জুন অনুষ্ঠিত জাতীয় কাউন্সিলের মাধ্যমে তিনি সরাসরি ভোটে কেন্দ্রীয় মুখপাত্র নির্বাচিত হলেও তাকে সাংগঠনিক দায়িত্ব পালন করতে দেওয়া হয়নি। তিনি অভিযোগ করেন যে কেন্দ্রীয় যোগাযোগ মাধ্যম ও প্রশাসনিক এক্সেস থেকে তাদের বঞ্চিত রেখে সংগঠনের সকল সিদ্ধান্ত রিফাত রসিদ এককভাবে গ্রহণ করছেন। বিষয়টিকে ব্যক্তিগত অবমূল্যায়নের পাশাপাশি ক্ষমতার অপব্যবহার ও প্রাতিষ্ঠানিক বৈষম্য হিসেবে অভিহিত করেন তিনি।
সবচেয়ে গুরুতর অভিযোগ তুলে ধরে সামান্তা বলেন যে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে গণভোটে ‘হ্যাঁ’–এর পক্ষে দেশব্যাপী প্রচারণার নামে ব্যাপক আর্থিক অনিয়ম ও লুটপাট করা হয়েছে। তিনি জানান যে অনলাইন মিটিংয়ে যখন এই বৃহৎ কর্মসূচির অর্থায়ন সম্পর্কে প্রশ্ন করা হয়েছিল তখন বলা হয়েছিল ব্যক্তিগত খরচ বা ‘বাবার টাকা’ দিয়ে এটি বাস্তবায়ন করা হবে। কিন্তু পরবর্তীতে কোনো স্বচ্ছতা ছাড়াই বিভিন্ন ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠান থেকে ফান্ড সংগ্রহ করা হয়েছে এবং সেই অর্থের ব্যবহার নিয়ে কোনো তথ্য কেন্দ্রীয় দায়িত্বশীলদের কাছে উপস্থাপন করা হয়নি বরং তা গোপন রাখা হয়েছে।
সামান্তা শারমিন আরও দাবি করেন যে বারবার জবাবদিহিতা চাওয়ার পরও বিষয়টি অস্বীকার করা হয়েছে এবং উল্টো তাদের ওপরই দোষারোপ করা হয়েছে। যারা অনিয়মের বিরুদ্ধে মুখ খুলছেন তাদের বিরুদ্ধে সংগঠন অস্থিতিশীল করার মিথ্যা অভিযোগ আনা হচ্ছে। সংবাদ সম্মেলনে তিনি স্পষ্ট করেন যে কেন্দ্রীয় সংগঠনের দায়িত্বশীল হিসেবে প্রতিটি কর্মসূচি ও অর্থের উৎস জানার অধিকার তাদের রয়েছে এবং এই বৈষম্য দূর না হওয়া পর্যন্ত তারা সত্য প্রকাশে অবিচল থাকবেন।
লোড হচ্ছে...