আন্তর্জাতিক
টানা তৃতীয় দিন হামলা বন্ধ, শান্তি চুক্তিতে আশাবাদী ট্রাম্প
NewsView5

নিউজভিউ ডেস্ক
ডোনাল্ড ট্রাম্প ইরানের সঙ্গে আলোচনার মাধ্যমে শান্তি চুক্তির সম্ভাবনা নিয়ে আশাবাদ প্রকাশ করেছেন। সোমবার (২৭ জুলাই) এয়ার ফোর্স ওয়ানে সাংবাদিকদের তিনি বলেন, “আমার অনেক ধৈর্য আছে। দেখা যাক কী হয়। আমার মনে হয়, কিছু একটা হওয়ার ভালো সম্ভাবনা আছে।”
টানা তৃতীয় দিনের মতো যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে কোনো হামলার ঘটনা ঘটেনি। হরমুজ প্রণালী অবরোধ ইস্যুতে কূটনৈতিক প্রচেষ্টা ভেঙে পড়ার পর যুক্তরাষ্ট্রের নতুন করে হামলার জেরে ১৩ রাত উত্তেজনা চললেও শুক্রবার থেকে সংঘাত বন্ধ রয়েছে।
তবে তেহরান যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে চলমান আলোচনার দাবি নাকচ করেছে। ইরানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র ইসমাইল বাকাই বলেন, বর্তমান পরিস্থিতি নিয়ে মধ্যস্থতাকারীরা বার্তা পৌঁছে দিতে পারেন, কিন্তু এই মুহূর্তে ওয়াশিংটনের সঙ্গে কোনো আলোচনা হচ্ছে না। এর বিপরীতে ট্রাম্প মিশিগানে এক ভাষণে দাবি করেন, “তারা এখন আমাদের সঙ্গে একটি চুক্তি নিয়ে কথা বলছে।”
ট্রাম্প আরও সতর্ক করে বলেন, নতুন কূটনৈতিক উদ্যোগ ব্যর্থ হলে যুক্তরাষ্ট্র “যুদ্ধবিরতির আগের অবস্থানে” ফিরে যাবে। একই সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের গোলাবারুদের মজুত কমে যাওয়ার উদ্বেগও তিনি উড়িয়ে দেন।
এদিকে সাময়িক বিরতির মধ্যেও সৌদি আরব সোমবার ড্রোন হামলার মুখে পড়ে। দেশটির প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, ইরান-সমর্থিত ইরাকি গোষ্ঠীগুলোর ছোড়া কয়েকটি ড্রোন ভূপাতিত করা হয়েছে। এসব ড্রোন তেল স্থাপনাকে লক্ষ্য করে পাঠানো হয়েছিল বলে দাবি রিয়াদের। কোনো গোষ্ঠী হামলার দায় স্বীকার করেনি।
সংঘাতের বড় বাধা হয়ে রয়েছে হরমুজ প্রণালী। ইরান বলছে, তেল ও গ্যাস পরিবহনের এই গুরুত্বপূর্ণ নৌপথের নিয়ন্ত্রণ তাদের হাতেই থাকবে। দেশটির বিপ্লবী গার্ড সাম্প্রতিক দিনগুলোতে কয়েকটি জাহাজ থামিয়েছে বলেও রাষ্ট্রীয় টেলিভিশন জানিয়েছে। ওমানের সঙ্গে নিরাপদ নৌ চলাচল নিশ্চিত করতে যৌথ নীতি নিয়ে আলোচনা চলছে বলে তেহরান জানিয়েছে।
অন্যদিকে, ওয়াশিংটন ও তেহরানের মধ্যে হামলা বন্ধ থাকায় সোমবার বিশ্ব শেয়ারবাজারে ঊর্ধ্বগতি দেখা যায়। আন্তর্জাতিক মানদণ্ডের ব্রেন্ট অপরিশোধিত তেলের দাম প্রায় ৬ শতাংশ কমে ব্যারেলপ্রতি প্রায় ৮৬ ডলারে নেমে আসে, যা উপসাগরীয় অঞ্চলের নৌপরিবহন ও তেলশিল্পে কিছুটা স্বস্তি ফিরিয়েছে।
ইসরাইলি সামরিক বাহিনীও জানিয়েছে, তারা জর্ডান সীমান্তের কাছে দুটি ড্রোন ভূপাতিত করেছে; ড্রোনগুলোর উৎস তদন্ত করা হচ্ছে।
টানা তৃতীয় দিনের মতো যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে কোনো হামলার ঘটনা ঘটেনি। হরমুজ প্রণালী অবরোধ ইস্যুতে কূটনৈতিক প্রচেষ্টা ভেঙে পড়ার পর যুক্তরাষ্ট্রের নতুন করে হামলার জেরে ১৩ রাত উত্তেজনা চললেও শুক্রবার থেকে সংঘাত বন্ধ রয়েছে।
তবে তেহরান যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে চলমান আলোচনার দাবি নাকচ করেছে। ইরানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র ইসমাইল বাকাই বলেন, বর্তমান পরিস্থিতি নিয়ে মধ্যস্থতাকারীরা বার্তা পৌঁছে দিতে পারেন, কিন্তু এই মুহূর্তে ওয়াশিংটনের সঙ্গে কোনো আলোচনা হচ্ছে না। এর বিপরীতে ট্রাম্প মিশিগানে এক ভাষণে দাবি করেন, “তারা এখন আমাদের সঙ্গে একটি চুক্তি নিয়ে কথা বলছে।”
ট্রাম্প আরও সতর্ক করে বলেন, নতুন কূটনৈতিক উদ্যোগ ব্যর্থ হলে যুক্তরাষ্ট্র “যুদ্ধবিরতির আগের অবস্থানে” ফিরে যাবে। একই সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের গোলাবারুদের মজুত কমে যাওয়ার উদ্বেগও তিনি উড়িয়ে দেন।
এদিকে সাময়িক বিরতির মধ্যেও সৌদি আরব সোমবার ড্রোন হামলার মুখে পড়ে। দেশটির প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, ইরান-সমর্থিত ইরাকি গোষ্ঠীগুলোর ছোড়া কয়েকটি ড্রোন ভূপাতিত করা হয়েছে। এসব ড্রোন তেল স্থাপনাকে লক্ষ্য করে পাঠানো হয়েছিল বলে দাবি রিয়াদের। কোনো গোষ্ঠী হামলার দায় স্বীকার করেনি।
সংঘাতের বড় বাধা হয়ে রয়েছে হরমুজ প্রণালী। ইরান বলছে, তেল ও গ্যাস পরিবহনের এই গুরুত্বপূর্ণ নৌপথের নিয়ন্ত্রণ তাদের হাতেই থাকবে। দেশটির বিপ্লবী গার্ড সাম্প্রতিক দিনগুলোতে কয়েকটি জাহাজ থামিয়েছে বলেও রাষ্ট্রীয় টেলিভিশন জানিয়েছে। ওমানের সঙ্গে নিরাপদ নৌ চলাচল নিশ্চিত করতে যৌথ নীতি নিয়ে আলোচনা চলছে বলে তেহরান জানিয়েছে।
অন্যদিকে, ওয়াশিংটন ও তেহরানের মধ্যে হামলা বন্ধ থাকায় সোমবার বিশ্ব শেয়ারবাজারে ঊর্ধ্বগতি দেখা যায়। আন্তর্জাতিক মানদণ্ডের ব্রেন্ট অপরিশোধিত তেলের দাম প্রায় ৬ শতাংশ কমে ব্যারেলপ্রতি প্রায় ৮৬ ডলারে নেমে আসে, যা উপসাগরীয় অঞ্চলের নৌপরিবহন ও তেলশিল্পে কিছুটা স্বস্তি ফিরিয়েছে।
ইসরাইলি সামরিক বাহিনীও জানিয়েছে, তারা জর্ডান সীমান্তের কাছে দুটি ড্রোন ভূপাতিত করেছে; ড্রোনগুলোর উৎস তদন্ত করা হচ্ছে।
লোড হচ্ছে...