জাতীয়
সংরক্ষিত নারী আসন
মনিরা ‘ফাঁপড়ে’ একটি আসন হারাচ্ছে জামায়াত জোট
NewsView

নিউজভিউ
সংরক্ষিত নারী আসনে নির্বাচনের জন্য বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী নেতৃত্বাধীন ১১ দলীয় জোটের পক্ষ থেকে নির্বাচন কমিশনে (ইসি) ১৩ জনের মনোনয়ন জমা দেওয়া হয়েছে। এরমধ্যে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) মনিরা শারমিনের মনোনয়ন স্থাগিত রাখা হয়েছে। গণপ্রতিনিধিত্ব অধ্যাদেশ (আরপিও) অনুযায়ী, সাবেক এই সরকারি কর্মকর্তার মনোনয়নের বৈধতা নেই বলে মনে করছেন আইনজ্ঞরা। সেই হিসেবে মনিরা শারমিনের মনোনয়ন বাতিল হলে ওই সংরক্ষিত নারী আসনটি হারাতে পারে জামায়াত জোট। কারণ, কোনো প্রার্থীর মনোনয়ন বাতিল হলে সেখানে উপনির্বাচন হয়। আর উন্মুক্ত সেই উপনির্বাচনে সব দল প্রার্থী দিতে পারে।
এনসিপির নারীশক্তির কেন্দ্রীয় আহ্বায়ক মনিরা শারমিন ২০২৩ সালের অক্টোবরে বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকে জেনারেল অফিসার পদে নিয়োগ পান। সর্বশেষ গত বছর ডিসেম্বরে কৃষি ব্যাংক থেকে চাকরি ছেড়েছেন। মনিরা শারমিনের ফেসবুক প্রোফাইলে ১১ নভেম্বর ২০২৩ থেকে ডিসেম্বর ২০২৫ পর্যন্ত কৃষি ব্যাংকের অফিসার হিসেবে চাকরি করার তথ্য রয়েছে। সেই হিসেবে সরকারি চাকরি থেকে অবসরের মাত্র চার মাসের মাথায় জোটের সমর্থনে সংসদ সদস্য হতে মনোনয়ন জমা দিয়েছেন। তবে আইনে আছে, সরকারি চাকরি থেকে অবসরের তিন বছরের মধ্যে কেউ সংসদ সদস্য হতে পারবেন না।
ইসি সূত্রে জানা গেছে, ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের সংরক্ষিত নারী আসনের নির্বাচনে জামায়াতে ইসলামী নেতৃত্বাধীন জোটের ১২ জনের মনোনয়নপত্র বৈধ ঘোষণা করা হয়েছে। তবে এ জোটের প্রার্থী এনসিপির যুগ্ম আহ্বায়ক মনিরা শারমিনের মনোনয়নপত্র স্থগিত রাখা হয়েছে। প্রয়োজনীয় কাগজপত্র উপস্থাপন করার পর বৃহস্পতিবার তার বিষয়ে সিদ্ধান্ত দেবে ইসি।
বুধবার দুপুরে আগারগাঁওয়ের নির্বাচন ভবনে জামায়াত জোট প্রার্থীদের মনোনয়নপত্র বাছাই করেন ইসির যুগ্ম সচিব ও এ নির্বাচনের রিটার্নিং কর্মকর্তা মো. মঈন উদ্দীন খান। মনোনয়পত্র বাছাই শেষে রিটার্নিং অফিসার মঈন উদ্দীন খান জানান, আমরা ১৩টি বাছাই করেছি, এর মধ্যে ১২টি বৈধ ঘোষণা করা হলো। একজনের (মনিরা শারমিন) মনোনয়নপত্র নিয়ে সিদ্ধান্ত অপেক্ষমান (পেন্ডিং), তাকে বৃহস্পতিবার দুপুর ১২টার মধ্যে ডকুমেন্ট দেওয়ার জন্য সময় দেওয়া হয়েছে।
এদিকে আইন অনুযায়ী, মনিরা শারমিনের মনোনয়ন বৈধ হওয়ার সুযোগ নেই। আরপিওর ১২(১)(চ) ধারা অনুযায়ী, ‘কোনো ব্যক্তি সদস্য হিসেবে নির্বাচিত হওয়ার বা সদস্য থাকার জন্য অযোগ্য বলে বিবেচিত হবেন, যদি তিনি- প্রজাতন্ত্রের চাকরি বা কোনো সংবিধিবদ্ধ সরকারি কর্তৃপক্ষ বা প্রতিরক্ষা পরিষেবা থেকে পদত্যাগ বা অবসর গ্রহণ করে থাকেন, যদি না তার পদত্যাগ বা অবসর গ্রহণের তারিখ থেকে তিন বছর সময় অতিবাহিত না হয়ে থাকে।’
জাতীয় সংসদ (সংরক্ষিত মহিলা আসন) নির্বাচন আইন, ২০০৪ এর ২৯ ধারায় বলা আছে, ‘সংরক্ষিত মহিলা আসনের নির্বাচন আয়োজনের ক্ষেত্রে অন্যান্য বিধিমালার জন্য গণপ্রতিনিধিত্ব আদেশ ১৯৭২ এর অধীনে প্রণীত বিধিমালা অনুযায়ী অনুষ্ঠিত হবে। প্রার্থীর যোগ্যতা ও অযোগ্যতা বিষয়ে জাতীয় সংসদ (সংরক্ষিত মহিলা আসন) নির্বাচন আইনের ৮ (২) ধারায় বলা হয়েছে, ‘সংবিধানের ৬৬ অনুচ্ছেদ বা অন্য কোনো আইনের অধীন সংসদ-সদস্য নির্বাচিত হইবার এবং সংসদ-সদস্য থাকিবার অযোগ্য কোনো ব্যক্তি সংরক্ষিত মহিলা আসনে প্রার্থী হইবার যোগ্য হইবেন না।’
সংরক্ষিত নারী আসনের সংসদ সদস্য প্রার্থীর মনোনয়নপত্র বাছাইয়ে বাতিল হলে, ওই আসনের কী হবে-- জানতে চাইলে এই নির্বাচনের রিটার্নিং কর্মকর্তা মো. মঈন উদ্দীন খান বলেন, ‘বাছাইয়ে মনোনয়ন বাতিল হলে সেখানে উপনির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে এবং উন্মুক্ত ওই উপনির্বাচনে সব দল প্রার্থী দিতে পারবে।’
সংরক্ষিত নারী আসনে নির্বাচনের জন্য বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী নেতৃত্বাধীন ১১ দলীয় জোটের পক্ষ থেকে নির্বাচন কমিশনে (ইসি) ১৩ জনের মনোনয়ন জমা দেওয়া হয়েছে। এরমধ্যে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) মনিরা শারমিনের মনোনয়ন স্থাগিত রাখা হয়েছে। গণপ্রতিনিধিত্ব অধ্যাদেশ (আরপিও) অনুযায়ী, সাবেক এই সরকারি কর্মকর্তার মনোনয়নের বৈধতা নেই বলে মনে করছেন আইনজ্ঞরা। সেই হিসেবে মনিরা শারমিনের মনোনয়ন বাতিল হলে ওই সংরক্ষিত নারী আসনটি হারাতে পারে জামায়াত জোট। কারণ, কোনো প্রার্থীর মনোনয়ন বাতিল হলে সেখানে উপনির্বাচন হয়। আর উন্মুক্ত সেই উপনির্বাচনে সব দল প্রার্থী দিতে পারে।
এনসিপির নারীশক্তির কেন্দ্রীয় আহ্বায়ক মনিরা শারমিন ২০২৩ সালের অক্টোবরে বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকে জেনারেল অফিসার পদে নিয়োগ পান। সর্বশেষ গত বছর ডিসেম্বরে কৃষি ব্যাংক থেকে চাকরি ছেড়েছেন। মনিরা শারমিনের ফেসবুক প্রোফাইলে ১১ নভেম্বর ২০২৩ থেকে ডিসেম্বর ২০২৫ পর্যন্ত কৃষি ব্যাংকের অফিসার হিসেবে চাকরি করার তথ্য রয়েছে। সেই হিসেবে সরকারি চাকরি থেকে অবসরের মাত্র চার মাসের মাথায় জোটের সমর্থনে সংসদ সদস্য হতে মনোনয়ন জমা দিয়েছেন। তবে আইনে আছে, সরকারি চাকরি থেকে অবসরের তিন বছরের মধ্যে কেউ সংসদ সদস্য হতে পারবেন না।
ইসি সূত্রে জানা গেছে, ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের সংরক্ষিত নারী আসনের নির্বাচনে জামায়াতে ইসলামী নেতৃত্বাধীন জোটের ১২ জনের মনোনয়নপত্র বৈধ ঘোষণা করা হয়েছে। তবে এ জোটের প্রার্থী এনসিপির যুগ্ম আহ্বায়ক মনিরা শারমিনের মনোনয়নপত্র স্থগিত রাখা হয়েছে। প্রয়োজনীয় কাগজপত্র উপস্থাপন করার পর বৃহস্পতিবার তার বিষয়ে সিদ্ধান্ত দেবে ইসি।
বুধবার দুপুরে আগারগাঁওয়ের নির্বাচন ভবনে জামায়াত জোট প্রার্থীদের মনোনয়নপত্র বাছাই করেন ইসির যুগ্ম সচিব ও এ নির্বাচনের রিটার্নিং কর্মকর্তা মো. মঈন উদ্দীন খান। মনোনয়পত্র বাছাই শেষে রিটার্নিং অফিসার মঈন উদ্দীন খান জানান, আমরা ১৩টি বাছাই করেছি, এর মধ্যে ১২টি বৈধ ঘোষণা করা হলো। একজনের (মনিরা শারমিন) মনোনয়নপত্র নিয়ে সিদ্ধান্ত অপেক্ষমান (পেন্ডিং), তাকে বৃহস্পতিবার দুপুর ১২টার মধ্যে ডকুমেন্ট দেওয়ার জন্য সময় দেওয়া হয়েছে।
এদিকে আইন অনুযায়ী, মনিরা শারমিনের মনোনয়ন বৈধ হওয়ার সুযোগ নেই। আরপিওর ১২(১)(চ) ধারা অনুযায়ী, ‘কোনো ব্যক্তি সদস্য হিসেবে নির্বাচিত হওয়ার বা সদস্য থাকার জন্য অযোগ্য বলে বিবেচিত হবেন, যদি তিনি- প্রজাতন্ত্রের চাকরি বা কোনো সংবিধিবদ্ধ সরকারি কর্তৃপক্ষ বা প্রতিরক্ষা পরিষেবা থেকে পদত্যাগ বা অবসর গ্রহণ করে থাকেন, যদি না তার পদত্যাগ বা অবসর গ্রহণের তারিখ থেকে তিন বছর সময় অতিবাহিত না হয়ে থাকে।’
জাতীয় সংসদ (সংরক্ষিত মহিলা আসন) নির্বাচন আইন, ২০০৪ এর ২৯ ধারায় বলা আছে, ‘সংরক্ষিত মহিলা আসনের নির্বাচন আয়োজনের ক্ষেত্রে অন্যান্য বিধিমালার জন্য গণপ্রতিনিধিত্ব আদেশ ১৯৭২ এর অধীনে প্রণীত বিধিমালা অনুযায়ী অনুষ্ঠিত হবে। প্রার্থীর যোগ্যতা ও অযোগ্যতা বিষয়ে জাতীয় সংসদ (সংরক্ষিত মহিলা আসন) নির্বাচন আইনের ৮ (২) ধারায় বলা হয়েছে, ‘সংবিধানের ৬৬ অনুচ্ছেদ বা অন্য কোনো আইনের অধীন সংসদ-সদস্য নির্বাচিত হইবার এবং সংসদ-সদস্য থাকিবার অযোগ্য কোনো ব্যক্তি সংরক্ষিত মহিলা আসনে প্রার্থী হইবার যোগ্য হইবেন না।’
সংরক্ষিত নারী আসনের সংসদ সদস্য প্রার্থীর মনোনয়নপত্র বাছাইয়ে বাতিল হলে, ওই আসনের কী হবে-- জানতে চাইলে এই নির্বাচনের রিটার্নিং কর্মকর্তা মো. মঈন উদ্দীন খান বলেন, ‘বাছাইয়ে মনোনয়ন বাতিল হলে সেখানে উপনির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে এবং উন্মুক্ত ওই উপনির্বাচনে সব দল প্রার্থী দিতে পারবে।’
লোড হচ্ছে...