নারায়ণগঞ্জসদর
প্রতারণার ফাঁদে ফেলে মাইক্রোবাসে গণধর্ষণের অভিযোগ, ৬জনের নামে মামলা
NewsView

নারায়ণগঞ্জের সিদ্ধিরগঞ্জে পাওনা টাকা সংক্রান্ত জটিলতাকে কেন্দ্র করে এক তরুণীকে মাইক্রোবাসে জোর করে তুলে নিয়ে সংঘবদ্ধভাবে গণধর্ষণের অভিযোগ উঠেছে। রবিবার (৯ নভেম্বর) এ ঘটনায় ভুক্তভোগী তরুণী ছয় অভিযুক্তকে আসামি করে সিদ্ধিরগঞ্জ থানায় একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন।
অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, গত শনিবার দুপুরে সিদ্ধিরগঞ্জের ৯ নম্বর ওয়ার্ডের জালকুড়ি দশপাইপ এলাকায় এই পাশবিক ঘটনা ঘটে। ছয় অভিযুক্ত জোরপূর্বক ওই তরুণীকে একটি মাইক্রোবাসের ভেতরে নিয়ে ধর্ষণ করে।
মামলার এজাহারভুক্ত অভিযুক্তরা হলেন, শফিক (২৪), সাইদুল (৫৯), নাজমুল (২১), শামসু (২৮), ফয়সাল (২৪) ও রাশেদ (২২)।
ভুক্তভোগী তরুণীর অভিযোগের বিবরণ বিশেষভাবে তাৎপর্যপূর্ণ। তিনি জানান, অভিযুক্তদের কাছে তার মা জান্নাতুন নাহারের প্রায় চার লাখ টাকা পাওনা ছিল। সেই টাকার বিনিময়ে অভিযুক্তরা তার মায়ের কাছ থেকে একটি স্ট্যাম্পে স্বাক্ষর নিয়েছিল, যা সাইদুলের জিম্মায় ছিল।
অভিযোগকারী তরুণীর ভাষ্যমতে, পাওনা টাকা পরিশোধের পর যখন সেই স্ট্যাম্পটি ফেরত চাওয়া হয়, তখনই সাইদুলসহ ছয়জন তাকে প্রতারণার ফাঁদে ফেলে এবং জোরপূর্বক মাইক্রোবাসে তুলে নিয়ে গণধর্ষণ করে।
এ বিষয়ে সিদ্ধিরগঞ্জ থানার ইন্সপেক্টর (অফিসার ইনচার্জ) শাহীনুর আলম অভিযোগ পাওয়ার বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তিনি বলেন, "এ ঘটনার অভিযোগ আমরা গুরুত্ব সহকারে পেয়েছি। বিষয়টি তদন্ত করে অভিযুক্তদের দ্রুত আইনের আওতায় আনতে আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে।"
অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, গত শনিবার দুপুরে সিদ্ধিরগঞ্জের ৯ নম্বর ওয়ার্ডের জালকুড়ি দশপাইপ এলাকায় এই পাশবিক ঘটনা ঘটে। ছয় অভিযুক্ত জোরপূর্বক ওই তরুণীকে একটি মাইক্রোবাসের ভেতরে নিয়ে ধর্ষণ করে।
মামলার এজাহারভুক্ত অভিযুক্তরা হলেন, শফিক (২৪), সাইদুল (৫৯), নাজমুল (২১), শামসু (২৮), ফয়সাল (২৪) ও রাশেদ (২২)।
ভুক্তভোগী তরুণীর অভিযোগের বিবরণ বিশেষভাবে তাৎপর্যপূর্ণ। তিনি জানান, অভিযুক্তদের কাছে তার মা জান্নাতুন নাহারের প্রায় চার লাখ টাকা পাওনা ছিল। সেই টাকার বিনিময়ে অভিযুক্তরা তার মায়ের কাছ থেকে একটি স্ট্যাম্পে স্বাক্ষর নিয়েছিল, যা সাইদুলের জিম্মায় ছিল।
অভিযোগকারী তরুণীর ভাষ্যমতে, পাওনা টাকা পরিশোধের পর যখন সেই স্ট্যাম্পটি ফেরত চাওয়া হয়, তখনই সাইদুলসহ ছয়জন তাকে প্রতারণার ফাঁদে ফেলে এবং জোরপূর্বক মাইক্রোবাসে তুলে নিয়ে গণধর্ষণ করে।
এ বিষয়ে সিদ্ধিরগঞ্জ থানার ইন্সপেক্টর (অফিসার ইনচার্জ) শাহীনুর আলম অভিযোগ পাওয়ার বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তিনি বলেন, "এ ঘটনার অভিযোগ আমরা গুরুত্ব সহকারে পেয়েছি। বিষয়টি তদন্ত করে অভিযুক্তদের দ্রুত আইনের আওতায় আনতে আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে।"
লোড হচ্ছে...