রাজনীতি
বাংলাদেশে প্রথম বক্তৃতায় জাইমা রহমান
নারীরা যখন সুযোগ পায়, জাতির ভবিষ্যৎ বদলে দেয়
NewsView

নিউজভিউ ডেস্ক
দীর্ঘ দেড় দশক পর দেশে ফেরার পর প্রথমবারের মতো কোনো প্রকাশ্য অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখলেন বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমানের মেয়ে ব্যারিস্টার জাইমা রহমান। রোববার (১৮ জানুয়ারি) রাজধানীর খামারবাড়িতে কৃষিবিদ ইনস্টিটিউশনে ‘জাতি গঠনে নারী: নীতি, সম্ভাবনা এবং বাংলাদেশের ভবিষ্যৎ’ শীর্ষক পলিসি ডায়লগে তিনি অংশগ্রহণ করেন। জনপরিসরে দেওয়া জাইমার এই প্রথম বক্তব্যে নারীর অগ্রযাত্রায় তাঁর দাদা শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান ও দাদি বেগম খালেদা জিয়ার যুগান্তকারী অবদানের কথা আবেগঘনভাবে ফুটে ওঠে।
পরিবারের বাইরেও জিয়া-খালেদার অবদান জাইমা রহমান বলেন, “নারীর মর্যাদা ব্যক্তিগত ও জনপরিসর—উভয় ক্ষেত্রেই স্বীকৃত হওয়া উচিত; এই বিশ্বাস আমাদের পরিবারের বাইরেও আমার দাদা-দাদির নেতৃত্ব ও জীবনে প্রতিফলিত হয়েছিল। আমার দাদা জিয়াউর রহমান জানতেন নারীদের বাদ দিয়ে উন্নয়ন পূর্ণ হতে পারে না। তাঁর হাত ধরেই পোশাক খাতে লাখ লাখ নারীর কর্মসংস্থান এবং মহিলা বিষয়ক মন্ত্রণালয় প্রতিষ্ঠা হয়েছে।” দাদি বেগম খালেদা জিয়ার প্রশংসা করে তিনি বলেন, “দাদি কন্যাশিক্ষাকে অধিকার হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করেছেন। তাঁর ‘খাদ্যের বিনিময়ে শিক্ষা’ কর্মসূচি আজ বিশ্বজুড়ে মডেল।”
লন্ডনের স্মৃতি ও বিশ্বজুড়ে স্বীকৃতি বক্তব্যের এক পর্যায়ে জাইমা রহমান লন্ডনের একটি অভিজ্ঞতার কথা তুলে ধরেন। তিনি জানান, লন্ডনের হাসপাতালে এক নাইজেরিয়ান নার্স বেগম খালেদা জিয়াকে দেখে চিনে ফেলেন। ওই নার্স জাইমার বাবা-মাকে বলেছিলেন যে, খালেদা জিয়ার শিক্ষা কর্মসূচিগুলো দেখে তাঁদের নাইজেরিয়ান সরকারও কয়েক দশক আগে নিজ দেশে তা বাস্তবায়ন করেছিল, যার ফলে সেখানকার লাখ লাখ মেয়ে আজও শিক্ষা পাচ্ছে।
শিক্ষা থেকে মানসিকতা: সর্বত্র ক্ষমতায়ন চাই নারীর ক্ষমতায়ন নিয়ে জাইমা রহমান বলেন, “নারী কেবল নিজের জীবন বদলায় না, তারা একটি পরিবার ও জাতির ভবিষ্যৎ বদলে দেয়। বাংলাদেশ যদি সত্যিকারের টেকসই উন্নয়ন চায়, তবে ক্ষমতায়নের কথা কেবল বই-পুস্তক বা অফিসের মধ্যেই সীমাবদ্ধ রাখলে চলবে না। আমাদের ঘর, প্রতিষ্ঠান এবং মানসিকতাতেও পরিবর্তন আনতে হবে।”
ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা ও নিরাপত্তা প্রসঙ্গ নিজের ভূমিকার বিষয়ে জাইমা বলেন, “আমি আজ এখানে দাঁড়িয়েছি ভিন্ন এক আবেগ নিয়ে। পলিসি লেভেলে এটা আমার প্রথম বক্তব্য। আমি এমন কেউ নই যার কাছে সব সমস্যার সমাধান আছে; তবে আমি এসেছি শুনতে, শিখতে এবং একসাথে কাজ করতে।” নারী নিরাপত্তার বিষয়ে তিনি ডিজিটাল লিটারেসি, সফট ডিফেন্স শেখানো এবং আইন বাস্তবায়নের ওপর জোর দেন। একইসাথে ঢাকা শহরসহ সারা দেশে পর্যাপ্ত স্ট্রিট লাইটিং নিশ্চিত করার গুরুত্ব তুলে ধরেন।
অনুষ্ঠানে বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরীসহ দেশের বিশিষ্ট নারী উদ্যোক্তা ও গবেষকরা উপস্থিত ছিলেন। জাইমা রহমানের এই ভাষণ রাজনৈতিক ও সামাজিক অঙ্গনে নতুন এক আলোচনার জন্ম দিয়েছে।
দীর্ঘ দেড় দশক পর দেশে ফেরার পর প্রথমবারের মতো কোনো প্রকাশ্য অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখলেন বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমানের মেয়ে ব্যারিস্টার জাইমা রহমান। রোববার (১৮ জানুয়ারি) রাজধানীর খামারবাড়িতে কৃষিবিদ ইনস্টিটিউশনে ‘জাতি গঠনে নারী: নীতি, সম্ভাবনা এবং বাংলাদেশের ভবিষ্যৎ’ শীর্ষক পলিসি ডায়লগে তিনি অংশগ্রহণ করেন। জনপরিসরে দেওয়া জাইমার এই প্রথম বক্তব্যে নারীর অগ্রযাত্রায় তাঁর দাদা শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান ও দাদি বেগম খালেদা জিয়ার যুগান্তকারী অবদানের কথা আবেগঘনভাবে ফুটে ওঠে।
পরিবারের বাইরেও জিয়া-খালেদার অবদান জাইমা রহমান বলেন, “নারীর মর্যাদা ব্যক্তিগত ও জনপরিসর—উভয় ক্ষেত্রেই স্বীকৃত হওয়া উচিত; এই বিশ্বাস আমাদের পরিবারের বাইরেও আমার দাদা-দাদির নেতৃত্ব ও জীবনে প্রতিফলিত হয়েছিল। আমার দাদা জিয়াউর রহমান জানতেন নারীদের বাদ দিয়ে উন্নয়ন পূর্ণ হতে পারে না। তাঁর হাত ধরেই পোশাক খাতে লাখ লাখ নারীর কর্মসংস্থান এবং মহিলা বিষয়ক মন্ত্রণালয় প্রতিষ্ঠা হয়েছে।” দাদি বেগম খালেদা জিয়ার প্রশংসা করে তিনি বলেন, “দাদি কন্যাশিক্ষাকে অধিকার হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করেছেন। তাঁর ‘খাদ্যের বিনিময়ে শিক্ষা’ কর্মসূচি আজ বিশ্বজুড়ে মডেল।”
লন্ডনের স্মৃতি ও বিশ্বজুড়ে স্বীকৃতি বক্তব্যের এক পর্যায়ে জাইমা রহমান লন্ডনের একটি অভিজ্ঞতার কথা তুলে ধরেন। তিনি জানান, লন্ডনের হাসপাতালে এক নাইজেরিয়ান নার্স বেগম খালেদা জিয়াকে দেখে চিনে ফেলেন। ওই নার্স জাইমার বাবা-মাকে বলেছিলেন যে, খালেদা জিয়ার শিক্ষা কর্মসূচিগুলো দেখে তাঁদের নাইজেরিয়ান সরকারও কয়েক দশক আগে নিজ দেশে তা বাস্তবায়ন করেছিল, যার ফলে সেখানকার লাখ লাখ মেয়ে আজও শিক্ষা পাচ্ছে।
শিক্ষা থেকে মানসিকতা: সর্বত্র ক্ষমতায়ন চাই নারীর ক্ষমতায়ন নিয়ে জাইমা রহমান বলেন, “নারী কেবল নিজের জীবন বদলায় না, তারা একটি পরিবার ও জাতির ভবিষ্যৎ বদলে দেয়। বাংলাদেশ যদি সত্যিকারের টেকসই উন্নয়ন চায়, তবে ক্ষমতায়নের কথা কেবল বই-পুস্তক বা অফিসের মধ্যেই সীমাবদ্ধ রাখলে চলবে না। আমাদের ঘর, প্রতিষ্ঠান এবং মানসিকতাতেও পরিবর্তন আনতে হবে।”
ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা ও নিরাপত্তা প্রসঙ্গ নিজের ভূমিকার বিষয়ে জাইমা বলেন, “আমি আজ এখানে দাঁড়িয়েছি ভিন্ন এক আবেগ নিয়ে। পলিসি লেভেলে এটা আমার প্রথম বক্তব্য। আমি এমন কেউ নই যার কাছে সব সমস্যার সমাধান আছে; তবে আমি এসেছি শুনতে, শিখতে এবং একসাথে কাজ করতে।” নারী নিরাপত্তার বিষয়ে তিনি ডিজিটাল লিটারেসি, সফট ডিফেন্স শেখানো এবং আইন বাস্তবায়নের ওপর জোর দেন। একইসাথে ঢাকা শহরসহ সারা দেশে পর্যাপ্ত স্ট্রিট লাইটিং নিশ্চিত করার গুরুত্ব তুলে ধরেন।
অনুষ্ঠানে বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরীসহ দেশের বিশিষ্ট নারী উদ্যোক্তা ও গবেষকরা উপস্থিত ছিলেন। জাইমা রহমানের এই ভাষণ রাজনৈতিক ও সামাজিক অঙ্গনে নতুন এক আলোচনার জন্ম দিয়েছে।
লোড হচ্ছে...