নারায়ণগঞ্জসদর
হকার উচ্ছেদ ঘিরে উত্তপ্ত নারায়ণগঞ্জ নগর ভবন
NHP NewsView

নিউজভিউ
ফুটপাত কি পথচারীর হাঁটার জন্য নাকি হকারের পসরা সাজানোর জন্য; দীর্ঘদিনের এই অমীমাংসিত বিতর্কে আবারও উত্তপ্ত হয়ে উঠেছে নারায়ণগঞ্জ শহর। একদিকে যানজটমুক্ত শহর ও দখলমুক্ত ফুটপাতের জন্য নগরবাসীর দীর্ঘদিনের দাবি অন্যদিকে হাজারো মানুষের জীবন ও জীবিকার লড়াই। এই দুই বাস্তবতার টানাপোড়েনে সোমবার (২০ এপ্রিল) সকাল ১১টায় নগর ভবনের সামনে দেখা দেয় চরম উত্তেজনা।
উচ্ছেদ অভিযানের ফলে কর্মহীন হয়ে পড়া শতাধিক হকার এদিন নগর ভবনের সামনে অবস্থান নিয়ে বিক্ষোভ শুরু করেন। তাঁদের দাবি কোনো বিকল্প ব্যবস্থা বা পুনর্বাসন ছাড়াই হঠাৎ উচ্ছেদ করায় হাজারো পরিবার এখন পথে বসার উপক্রম হয়েছে। আন্দোলনরত হকাররা জানান, তাঁরা দীর্ঘদিন ধরে এখানে ব্যবসা করে জীবিকা নির্বাহ করছেন। বিকল্প কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা না করে এভাবে উচ্ছেদ করাকে তাঁরা অমানবিক বলে উল্লেখ করেন। তাঁদের স্পষ্ট দাবি আগে বসার জায়গা নিশ্চিত করে তারপর উচ্ছেদ কার্যক্রম চালানো হোক।
অন্যদিকে গত ১৩ এপ্রিল বঙ্গবন্ধু সড়কে পরিচালিত বিশাল উচ্ছেদ অভিযানকে সাধুবাদ জানিয়েছিলেন সাধারণ নগরবাসী। দীর্ঘদিন পর শহরের প্রধান সড়কগুলোতে নির্বিঘ্নে হাঁটতে পেরে স্বস্তির নিশ্বাস ফেলেছিলেন তাঁরা। সিটি করপোরেশনের প্রশাসক অ্যাডভোকেট সাখাওয়াত হোসেন খান এবং নারায়ণগঞ্জ-৫ আসনের সংসদ সদস্য অ্যাডভোটেক আবুল কালামের নেতৃত্বে পরিচালিত সেই যৌথ অভিযানে রাজনৈতিক দলগুলোও একাত্মতা প্রকাশ করেছিল। শহরকে আধুনিক ও যানজটমুক্ত করতে ফুটপাত হকারমুক্ত রাখার কোনো বিকল্প নেই বলেই মনে করেন সচেতন নগরবাসী।
বিক্ষোভের ফলে নগর ভবনের সামনের সড়কে সাময়িকভাবে যান চলাচলে বিঘ্ন ঘটে। হকাররা পুনর্বাসনের দাবিতে অনড় থাকলেও প্রশাসন শহরকে যানজটমুক্ত রাখতে কঠোর অবস্থানে রয়েছে। তবে মানবিক দিক বিবেচনায় নিয়ে হকারদের জন্য নির্দিষ্ট কোনো এলাকা বা হলিডে মার্কেট চালু করা যায় কি না তা নিয়ে সাধারণ মানুষের মাঝে আলোচনা চলছে। এই সংকট নিরসনে দ্রুত কোনো সমাধান না এলে পরিস্থিতি আবারও সংঘাতের দিকে মোড় নিতে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।
ফুটপাত কি পথচারীর হাঁটার জন্য নাকি হকারের পসরা সাজানোর জন্য; দীর্ঘদিনের এই অমীমাংসিত বিতর্কে আবারও উত্তপ্ত হয়ে উঠেছে নারায়ণগঞ্জ শহর। একদিকে যানজটমুক্ত শহর ও দখলমুক্ত ফুটপাতের জন্য নগরবাসীর দীর্ঘদিনের দাবি অন্যদিকে হাজারো মানুষের জীবন ও জীবিকার লড়াই। এই দুই বাস্তবতার টানাপোড়েনে সোমবার (২০ এপ্রিল) সকাল ১১টায় নগর ভবনের সামনে দেখা দেয় চরম উত্তেজনা।
উচ্ছেদ অভিযানের ফলে কর্মহীন হয়ে পড়া শতাধিক হকার এদিন নগর ভবনের সামনে অবস্থান নিয়ে বিক্ষোভ শুরু করেন। তাঁদের দাবি কোনো বিকল্প ব্যবস্থা বা পুনর্বাসন ছাড়াই হঠাৎ উচ্ছেদ করায় হাজারো পরিবার এখন পথে বসার উপক্রম হয়েছে। আন্দোলনরত হকাররা জানান, তাঁরা দীর্ঘদিন ধরে এখানে ব্যবসা করে জীবিকা নির্বাহ করছেন। বিকল্প কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা না করে এভাবে উচ্ছেদ করাকে তাঁরা অমানবিক বলে উল্লেখ করেন। তাঁদের স্পষ্ট দাবি আগে বসার জায়গা নিশ্চিত করে তারপর উচ্ছেদ কার্যক্রম চালানো হোক।
অন্যদিকে গত ১৩ এপ্রিল বঙ্গবন্ধু সড়কে পরিচালিত বিশাল উচ্ছেদ অভিযানকে সাধুবাদ জানিয়েছিলেন সাধারণ নগরবাসী। দীর্ঘদিন পর শহরের প্রধান সড়কগুলোতে নির্বিঘ্নে হাঁটতে পেরে স্বস্তির নিশ্বাস ফেলেছিলেন তাঁরা। সিটি করপোরেশনের প্রশাসক অ্যাডভোকেট সাখাওয়াত হোসেন খান এবং নারায়ণগঞ্জ-৫ আসনের সংসদ সদস্য অ্যাডভোটেক আবুল কালামের নেতৃত্বে পরিচালিত সেই যৌথ অভিযানে রাজনৈতিক দলগুলোও একাত্মতা প্রকাশ করেছিল। শহরকে আধুনিক ও যানজটমুক্ত করতে ফুটপাত হকারমুক্ত রাখার কোনো বিকল্প নেই বলেই মনে করেন সচেতন নগরবাসী।
বিক্ষোভের ফলে নগর ভবনের সামনের সড়কে সাময়িকভাবে যান চলাচলে বিঘ্ন ঘটে। হকাররা পুনর্বাসনের দাবিতে অনড় থাকলেও প্রশাসন শহরকে যানজটমুক্ত রাখতে কঠোর অবস্থানে রয়েছে। তবে মানবিক দিক বিবেচনায় নিয়ে হকারদের জন্য নির্দিষ্ট কোনো এলাকা বা হলিডে মার্কেট চালু করা যায় কি না তা নিয়ে সাধারণ মানুষের মাঝে আলোচনা চলছে। এই সংকট নিরসনে দ্রুত কোনো সমাধান না এলে পরিস্থিতি আবারও সংঘাতের দিকে মোড় নিতে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।
লোড হচ্ছে...