অর্থ-বাণিজ্য
মোহাম্মদ হাতেমের সাথে করা আচরণ ‘অনাকাঙ্ক্ষিত’ বললেন ছাত্রদল নেতা রাজীব
NewsView

সরকারি তোলারাম কলেজে বিকেএমইএ সভাপতি মোহাম্মদ হাতেমকে বের করে দেওয়ার ঘটনাকে নারায়ণগঞ্জ মহানগর ছাত্রদলের সাবেক সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক আজিজুল ইসলাম রাজীব 'অনাকাঙ্ক্ষিত' এবং 'অশোভনীয়' বলে আখ্যায়িত করেছেন। এই ঘটনায় কর্মীদের দায়িত্বশীলতা নিয়ে প্রশ্ন তুলে তিনি বুধবার (১২ নভেম্বর) সন্ধ্যায় এক ভিডিও বার্তায় বিস্তারিত ব্যাখ্যা দিয়েছেন।
তিনি এই ঘটনাকে “অনাকাঙ্ক্ষিত” এবং “অশোভনীয়” বলে উল্লেখ করে কর্মীদের দায়িত্বশীলতার অভাব নিয়ে প্রশ্ন তোলেন।
রাজীব বলেন, “গতকাল যে ঘটনা ঘটেছে তোলারাম কলেজে এটা একটা অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা। এটা আমাদের ছাত্রদলের কোনো দলীয় সিদ্ধান্ত না। যারাই এই কাজ করেছেন তারা স্বতঃপ্রণোদিত হয়ে করেছেন। যারা এই ঘটনার সাথে যুক্ত ছিল তারা ছাত্রদলের তোলারাম কলেজ শাখার নেতৃবৃন্দ।” তিনি জানান, যেহেতু মহানগর ছাত্রদলের কমিটি নেই, তাই সাংগঠনিক ব্যবস্থা কেবল কেন্দ্রীয় কমিটিই নিতে পারবে।
তিনি বলেন, “তাঁর (মোহাম্মদ হাতেম) ব্যাপারে একটা নেগেটিভ প্রচারণা আছে, এই প্রচারণার কারণে ছাত্রদলের নেতাদের মাইন্ডসেটে ঢুকে গেছে তাই তারা এই কাজ করেছে। তবে নেতৃবৃন্দের আরও দায়িত্বশীলতার পরিচয় দেওয়া উচিত ছিল।”
বিকেএমইএ সভাপতির মর্যাদা প্রসঙ্গে রাজীব বলেন, “তাকে ফ্যাসিস্ট আওয়ামী লীগ থেকে কোনো সিলেকশনের মাধ্যমে রাখা হয়নি, সে নির্বাচনের মাধ্যমে প্রেসিডেন্ট হয়েছেন। অবশ্যই তিনি নিঃসন্দেহে একজন সম্মানিত ব্যক্তি। ব্যবসায়ী সেক্টরে যদি সবাই তাঁকে মানতে পারে তাহলে আমাদের এই ব্যাপারে কথা বলার কোনো অপশন থাকে না।” রাজীবের মতে, “এটা অবশ্যই আমার কাছে মনে হয়নি এটা কোনো শোভনীয় কাজ হয়েছে। তাঁর বিরোধিতা সে করতেই পারে, যদি এমন হয় তাহলে তাকে দাওয়াত দেওয়ার কোনো দরকার ছিল না।”
এই অপ্রীতিকর ঘটনার জন্য তিনি কলেজ প্রশাসনকে দায়ী করেন। তিনি বলেন, “কলেজ প্রশাসন কোনো প্রোগ্রাম হওয়ার আগে বিভিন্ন ছাত্র সংগঠনদের সাথে বসে পরামর্শ বা অবগত করবে, কিন্তু এই প্রোগ্রামের বিষয়ে আমাদের কিছু জানায় নাই, প্রিন্সিপাল আমাদের কিছু জানায় নাই। তাঁর এই দায়িত্বহীনতার কারণে এই অপৃিতকর ঘটনা ঘটেছে।”
মোহাম্মদ হাতেমের বক্তব্যের বিষয়ে রাজীবের ব্যাখ্যা: “তাঁর ফ্যাসিস্ট সরকারের আমলে যে বক্তব্য তিনি দিয়েছেন এটা বিভিন্নভাবে নেগেটিভ প্রচার হয়েছে। তাছাড়া উনি সে সময় যে বক্তব্য দিয়েছেন সেটা একটা ব্যবসায়ী সংগঠন হিসেবে দিয়েছেন। স্বাভাবিকভাবেই তাঁদের কাজ সরকারের সাথে সুসম্পর্ক করা। এটা নতুন কিছু না—সব সরকারের সময় এটা করতে হয়।” তিনি যোগ করেন, “আমাদের দেখা উচিত যে, যেকোনো ব্যবসায়ী বিগত সরকারের আমলে সে নিজের স্বার্থে কথা বলেছেন নাকি ব্যবসায়ী স্বার্থে কথা বলেছেন। নিজের স্বার্থে কথা বললে আমি নিজেও তার বিরোধিতা করতাম। কিন্তু সে সেটা করে নাই। আমি মনে করি না সেটা ভুল করেছেন।”
রাজীব কর্মীদের উদ্দেশ করে বলেন, “আসলে আমাদের নেতৃবৃন্দের মধ্যে অনেকেই বুদ্ধিভিত্তিক চর্চা করে নাই... সামনে এগিয়ে যেতে হলে বুঝে শুনে অ্যাকশন নেওয়া উচিত।” তিনি ব্যক্তিগতভাবে জানান, “আমি ব্যক্তিগতভাবে এই ভদ্রলোক (মোহাম্মদ হাতেম) কাউকে কখনো হেনস্তা করেছেন বা ক্ষতি করেছেন... সে কখনো আওয়ামী লীগের লেজুর ভিত্তিক কাজ করেছে আমার জানা নাই।”
তিনি এই ঘটনাকে “অনাকাঙ্ক্ষিত” এবং “অশোভনীয়” বলে উল্লেখ করে কর্মীদের দায়িত্বশীলতার অভাব নিয়ে প্রশ্ন তোলেন।
রাজীব বলেন, “গতকাল যে ঘটনা ঘটেছে তোলারাম কলেজে এটা একটা অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা। এটা আমাদের ছাত্রদলের কোনো দলীয় সিদ্ধান্ত না। যারাই এই কাজ করেছেন তারা স্বতঃপ্রণোদিত হয়ে করেছেন। যারা এই ঘটনার সাথে যুক্ত ছিল তারা ছাত্রদলের তোলারাম কলেজ শাখার নেতৃবৃন্দ।” তিনি জানান, যেহেতু মহানগর ছাত্রদলের কমিটি নেই, তাই সাংগঠনিক ব্যবস্থা কেবল কেন্দ্রীয় কমিটিই নিতে পারবে।
তিনি বলেন, “তাঁর (মোহাম্মদ হাতেম) ব্যাপারে একটা নেগেটিভ প্রচারণা আছে, এই প্রচারণার কারণে ছাত্রদলের নেতাদের মাইন্ডসেটে ঢুকে গেছে তাই তারা এই কাজ করেছে। তবে নেতৃবৃন্দের আরও দায়িত্বশীলতার পরিচয় দেওয়া উচিত ছিল।”
বিকেএমইএ সভাপতির মর্যাদা প্রসঙ্গে রাজীব বলেন, “তাকে ফ্যাসিস্ট আওয়ামী লীগ থেকে কোনো সিলেকশনের মাধ্যমে রাখা হয়নি, সে নির্বাচনের মাধ্যমে প্রেসিডেন্ট হয়েছেন। অবশ্যই তিনি নিঃসন্দেহে একজন সম্মানিত ব্যক্তি। ব্যবসায়ী সেক্টরে যদি সবাই তাঁকে মানতে পারে তাহলে আমাদের এই ব্যাপারে কথা বলার কোনো অপশন থাকে না।” রাজীবের মতে, “এটা অবশ্যই আমার কাছে মনে হয়নি এটা কোনো শোভনীয় কাজ হয়েছে। তাঁর বিরোধিতা সে করতেই পারে, যদি এমন হয় তাহলে তাকে দাওয়াত দেওয়ার কোনো দরকার ছিল না।”
এই অপ্রীতিকর ঘটনার জন্য তিনি কলেজ প্রশাসনকে দায়ী করেন। তিনি বলেন, “কলেজ প্রশাসন কোনো প্রোগ্রাম হওয়ার আগে বিভিন্ন ছাত্র সংগঠনদের সাথে বসে পরামর্শ বা অবগত করবে, কিন্তু এই প্রোগ্রামের বিষয়ে আমাদের কিছু জানায় নাই, প্রিন্সিপাল আমাদের কিছু জানায় নাই। তাঁর এই দায়িত্বহীনতার কারণে এই অপৃিতকর ঘটনা ঘটেছে।”
মোহাম্মদ হাতেমের বক্তব্যের বিষয়ে রাজীবের ব্যাখ্যা: “তাঁর ফ্যাসিস্ট সরকারের আমলে যে বক্তব্য তিনি দিয়েছেন এটা বিভিন্নভাবে নেগেটিভ প্রচার হয়েছে। তাছাড়া উনি সে সময় যে বক্তব্য দিয়েছেন সেটা একটা ব্যবসায়ী সংগঠন হিসেবে দিয়েছেন। স্বাভাবিকভাবেই তাঁদের কাজ সরকারের সাথে সুসম্পর্ক করা। এটা নতুন কিছু না—সব সরকারের সময় এটা করতে হয়।” তিনি যোগ করেন, “আমাদের দেখা উচিত যে, যেকোনো ব্যবসায়ী বিগত সরকারের আমলে সে নিজের স্বার্থে কথা বলেছেন নাকি ব্যবসায়ী স্বার্থে কথা বলেছেন। নিজের স্বার্থে কথা বললে আমি নিজেও তার বিরোধিতা করতাম। কিন্তু সে সেটা করে নাই। আমি মনে করি না সেটা ভুল করেছেন।”
রাজীব কর্মীদের উদ্দেশ করে বলেন, “আসলে আমাদের নেতৃবৃন্দের মধ্যে অনেকেই বুদ্ধিভিত্তিক চর্চা করে নাই... সামনে এগিয়ে যেতে হলে বুঝে শুনে অ্যাকশন নেওয়া উচিত।” তিনি ব্যক্তিগতভাবে জানান, “আমি ব্যক্তিগতভাবে এই ভদ্রলোক (মোহাম্মদ হাতেম) কাউকে কখনো হেনস্তা করেছেন বা ক্ষতি করেছেন... সে কখনো আওয়ামী লীগের লেজুর ভিত্তিক কাজ করেছে আমার জানা নাই।”
লোড হচ্ছে...