জাতীয়
‘ইয়াবা আনতে ওবায়দুল কাদের প্রতিমাসে কক্সবাজার যেতেন’
NHP NewsView

নিউজভিউ ডেস্ক
আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদেরকে নিয়ে বিস্ফোরক মন্তব্য করেছেন লিবারেল ডেমোক্রেটিক পার্টির (এলডিপি) সভাপতি কর্নেল (অব.) অলি আহমদ বীর বিক্রম। তিনি অভিযোগ করেছেন, ওবায়দুল কাদের প্রতি মাসে এক-দুইবার কক্সবাজার যেতেন কেবল সাবেক সংসদ সদস্য আবদুর রহমান বদির কাছ থেকে ‘বস্তা ভরে’ ইয়াবা আনার জন্য।
বুধবার (২২ এপ্রিল) এক অনুষ্ঠানে বক্তব্য প্রদানকালে অলি আহমদ এই চাঞ্চল্যকর দাবি করেন। তিনি বলেন, “ওবায়দুল কাদের প্রতি মাসে কক্সবাজার যেতেন ইয়াবা ট্যাবলেটগুলো আনার জন্য। আপনারা তখন মনে করেছেন মন্ত্রী কতই না পরিশ্রমী, বারবার কক্সবাজার যায়। আসলে তিনি রাজশাহী বা দিনাজপুর যেতেন না, যেতেন বদির কাছে ইয়াবা আনতে।”
অলি আহমদ আরও দাবি করেন, বর্তমানে জনপ্রতিনিধিরাই মাদক কারবারের সঙ্গে জড়িয়ে পড়েছেন। রাতারাতি কোটি কোটি টাকা রোজগার করার জন্য ইয়াবাই এখন সহজ পথ হয়ে দাঁড়িয়েছে। তিনি ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, “জনপ্রতিনিধিরা মুখে বলে ইয়াবা কারবারিদের ঠিকানা হবে পুলিশে, কিন্তু বাস্তবে পুলিশের কাছে তাদের কিছুই হচ্ছে না। তত্ত্বাবধায়ক সরকারের সময় মাদকের সমস্যা কিছুটা কমেছিল, যা এখন ভয়াবহ আকার ধারণ করেছে।”
জাতীয় সংসদের গঠন নিয়ে সমালোচনা করে এলডিপি সভাপতি বলেন, বর্তমানে সংসদের তিন ভাগের এক ভাগ ব্যবসায়ী এবং বাকিরা অশিক্ষিত। যারা ‘পার্লামেন্ট’ বানানটি পর্যন্ত সঠিকভাবে উচ্চারণ করতে পারেন না। তিনি অভিযোগ করেন, অশিক্ষিত না লিখে তারা ভদ্র ভাষায় নিজেদের ‘স্বশিক্ষিত’ পরিচয় দিয়ে মানুষকে বিভ্রান্ত করছেন।
দেশের বর্তমান রাজনৈতিক ও মাদক পরিস্থিতি নিয়ে অলি আহমদের এই বক্তব্য রাজনৈতিক মহলে ব্যাপক আলোচনার সৃষ্টি করেছে। ওবায়দুল কাদেরের বিরুদ্ধে এমন সরাসরি গুরুতর অভিযোগের প্রেক্ষিতে সংশ্লিষ্ট মহলে তীব্র প্রতিক্রিয়ার সম্ভাবনা দেখা দিয়েছে।
আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদেরকে নিয়ে বিস্ফোরক মন্তব্য করেছেন লিবারেল ডেমোক্রেটিক পার্টির (এলডিপি) সভাপতি কর্নেল (অব.) অলি আহমদ বীর বিক্রম। তিনি অভিযোগ করেছেন, ওবায়দুল কাদের প্রতি মাসে এক-দুইবার কক্সবাজার যেতেন কেবল সাবেক সংসদ সদস্য আবদুর রহমান বদির কাছ থেকে ‘বস্তা ভরে’ ইয়াবা আনার জন্য।
বুধবার (২২ এপ্রিল) এক অনুষ্ঠানে বক্তব্য প্রদানকালে অলি আহমদ এই চাঞ্চল্যকর দাবি করেন। তিনি বলেন, “ওবায়দুল কাদের প্রতি মাসে কক্সবাজার যেতেন ইয়াবা ট্যাবলেটগুলো আনার জন্য। আপনারা তখন মনে করেছেন মন্ত্রী কতই না পরিশ্রমী, বারবার কক্সবাজার যায়। আসলে তিনি রাজশাহী বা দিনাজপুর যেতেন না, যেতেন বদির কাছে ইয়াবা আনতে।”
অলি আহমদ আরও দাবি করেন, বর্তমানে জনপ্রতিনিধিরাই মাদক কারবারের সঙ্গে জড়িয়ে পড়েছেন। রাতারাতি কোটি কোটি টাকা রোজগার করার জন্য ইয়াবাই এখন সহজ পথ হয়ে দাঁড়িয়েছে। তিনি ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, “জনপ্রতিনিধিরা মুখে বলে ইয়াবা কারবারিদের ঠিকানা হবে পুলিশে, কিন্তু বাস্তবে পুলিশের কাছে তাদের কিছুই হচ্ছে না। তত্ত্বাবধায়ক সরকারের সময় মাদকের সমস্যা কিছুটা কমেছিল, যা এখন ভয়াবহ আকার ধারণ করেছে।”
জাতীয় সংসদের গঠন নিয়ে সমালোচনা করে এলডিপি সভাপতি বলেন, বর্তমানে সংসদের তিন ভাগের এক ভাগ ব্যবসায়ী এবং বাকিরা অশিক্ষিত। যারা ‘পার্লামেন্ট’ বানানটি পর্যন্ত সঠিকভাবে উচ্চারণ করতে পারেন না। তিনি অভিযোগ করেন, অশিক্ষিত না লিখে তারা ভদ্র ভাষায় নিজেদের ‘স্বশিক্ষিত’ পরিচয় দিয়ে মানুষকে বিভ্রান্ত করছেন।
দেশের বর্তমান রাজনৈতিক ও মাদক পরিস্থিতি নিয়ে অলি আহমদের এই বক্তব্য রাজনৈতিক মহলে ব্যাপক আলোচনার সৃষ্টি করেছে। ওবায়দুল কাদেরের বিরুদ্ধে এমন সরাসরি গুরুতর অভিযোগের প্রেক্ষিতে সংশ্লিষ্ট মহলে তীব্র প্রতিক্রিয়ার সম্ভাবনা দেখা দিয়েছে।
লোড হচ্ছে...