আন্তর্জাতিক
পুলিশের গাফিলতির অভিযোগে উত্তাল যোধপুর
রাজস্থানে দুই বোনের আত্মহত্যা
NewsView5

নিউজভিউ
ভারতের রাজস্থান রাজ্যের যোধপুর জেলায় পুলিশের চরম গাফিলতি ও বিচারহীনতার অভিযোগে দুই বোনের আত্মহত্যার ঘটনাকে কেন্দ্র করে এলাকায় তীব্র উত্তেজনা সৃষ্টি হয়েছে। স্থানীয়দের অভিযোগ, দীর্ঘদিন ধরে নির্যাতনের শিকার হওয়ার পর বারবার প্রশাসনের কাছে বিচার চাইলেও কার্যকর ব্যবস্থা না পাওয়ায় দুই বোন আত্মহত্যার পথ বেছে নিতে বাধ্য হন।
অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, প্রায় চার বছর আগে স্থানীয় একটি ই-মিত্র সেবা কেন্দ্রের অপারেটর মহিপাল গোপনে বড় বোনের আপত্তিকর ভিডিও ধারণ করে। পরে সেই ভিডিওকে কেন্দ্র করে মহিপাল ও তার সহযোগীরা দীর্ঘ সময় ধরে তাকে ব্ল্যাকমেইল, অর্থ আদায় এবং দলবদ্ধ ধর্ষণের মাধ্যমে নির্যাতন চালায়।
অসহ্য নির্যাতনের শিকার হয়ে বড় বোন গত ২০ মার্চ আত্মহত্যা করেন। এরপর ছোট বোন ১১ এপ্রিল বাদী হয়ে মহিপাল, শিবরাজ, গোপাল, ভিজারাম, দিনেশ, মনোজ ও পুখরাজসহ মোট আটজনের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করেন। অভিযোগ দায়েরের সময় তিনি পুলিশকে সতর্ক করে জানিয়েছিলেন, বিচার না পেলে তিনিও আত্মহত্যা করবেন।
তবে অভিযোগ দায়েরের পরও পরিস্থিতির কোনো পরিবর্তন হয়নি। ছোট বোনের দাবি ছিল, অভিযুক্তরা বড় বোনের আপত্তিকর ভিডিও ছড়িয়ে দেওয়ার ভয় দেখিয়ে তাকেও যৌন নিপীড়ন করছিল। তারা প্রকাশ্যে হুমকি দিয়ে বলত, পুলিশ তাদের বিরুদ্ধে কোনো ব্যবস্থা নিতে পারবে না।
অবশেষে গত শুক্রবার প্রতিবাদের এক চরম পদক্ষেপ হিসেবে ওই তরুণী একটি পানির ট্যাংকের ওপর উঠে অভিযুক্তদের গ্রেপ্তারের দাবি জানান। সেখানেই তিনি বিষপান করেন। হাসপাতালে নেওয়ার পথে তার মৃত্যু হয়।
এই ঘটনার পর যোধপুরজুড়ে ক্ষোভ ছড়িয়ে পড়ে। স্থানীয় মারওয়ার রাজপূত সোসাইটিসহ বিভিন্ন সংগঠন ও সাধারণ মানুষ হাসপাতালের বাইরে বিক্ষোভে ফেটে পড়ে। সংগঠনটির সভাপতি হনুমান সিং খাংটা অভিযোগ করেন, শুরু থেকেই পুলিশ অভিযুক্তদের আড়াল করার চেষ্টা করেছে এবং তাদের নিষ্ক্রিয়তার কারণেই দুই বোনের প্রাণ গেছে।
নিহতদের পরিবার ও বিক্ষোভকারীরা অবিলম্বে সব আসামির গ্রেপ্তার এবং দায়িত্বে অবহেলাকারী পুলিশ কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে কঠোর শাস্তির দাবি জানিয়েছেন। প্রশাসনের আশ্বাসের পর পরিবার ময়নাতদন্তে সম্মতি দেয়।
এদিকে পিডি নিত্যা জানিয়েছেন, মূল অভিযুক্ত মহিপালসহ দুজনকে আটক করা হয়েছে এবং তাদের আনুষ্ঠানিক গ্রেপ্তারের প্রক্রিয়া চলছে। বাকি অভিযুক্তদেরও খুঁজে বের করতে অভিযান অব্যাহত রয়েছে।
এছাড়া পুলিশের ভূমিকা খতিয়ে দেখতে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে বিভাগীয় তদন্ত কমিটি গঠনের আশ্বাস দিয়েছে প্রশাসন। ঘটনাটি রাজস্থানে আইনশৃঙ্খলা ও নারী নিরাপত্তা নিয়ে নতুন করে প্রশ্ন তুলেছে।
অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, প্রায় চার বছর আগে স্থানীয় একটি ই-মিত্র সেবা কেন্দ্রের অপারেটর মহিপাল গোপনে বড় বোনের আপত্তিকর ভিডিও ধারণ করে। পরে সেই ভিডিওকে কেন্দ্র করে মহিপাল ও তার সহযোগীরা দীর্ঘ সময় ধরে তাকে ব্ল্যাকমেইল, অর্থ আদায় এবং দলবদ্ধ ধর্ষণের মাধ্যমে নির্যাতন চালায়।
অসহ্য নির্যাতনের শিকার হয়ে বড় বোন গত ২০ মার্চ আত্মহত্যা করেন। এরপর ছোট বোন ১১ এপ্রিল বাদী হয়ে মহিপাল, শিবরাজ, গোপাল, ভিজারাম, দিনেশ, মনোজ ও পুখরাজসহ মোট আটজনের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করেন। অভিযোগ দায়েরের সময় তিনি পুলিশকে সতর্ক করে জানিয়েছিলেন, বিচার না পেলে তিনিও আত্মহত্যা করবেন।
তবে অভিযোগ দায়েরের পরও পরিস্থিতির কোনো পরিবর্তন হয়নি। ছোট বোনের দাবি ছিল, অভিযুক্তরা বড় বোনের আপত্তিকর ভিডিও ছড়িয়ে দেওয়ার ভয় দেখিয়ে তাকেও যৌন নিপীড়ন করছিল। তারা প্রকাশ্যে হুমকি দিয়ে বলত, পুলিশ তাদের বিরুদ্ধে কোনো ব্যবস্থা নিতে পারবে না।
অবশেষে গত শুক্রবার প্রতিবাদের এক চরম পদক্ষেপ হিসেবে ওই তরুণী একটি পানির ট্যাংকের ওপর উঠে অভিযুক্তদের গ্রেপ্তারের দাবি জানান। সেখানেই তিনি বিষপান করেন। হাসপাতালে নেওয়ার পথে তার মৃত্যু হয়।
এই ঘটনার পর যোধপুরজুড়ে ক্ষোভ ছড়িয়ে পড়ে। স্থানীয় মারওয়ার রাজপূত সোসাইটিসহ বিভিন্ন সংগঠন ও সাধারণ মানুষ হাসপাতালের বাইরে বিক্ষোভে ফেটে পড়ে। সংগঠনটির সভাপতি হনুমান সিং খাংটা অভিযোগ করেন, শুরু থেকেই পুলিশ অভিযুক্তদের আড়াল করার চেষ্টা করেছে এবং তাদের নিষ্ক্রিয়তার কারণেই দুই বোনের প্রাণ গেছে।
নিহতদের পরিবার ও বিক্ষোভকারীরা অবিলম্বে সব আসামির গ্রেপ্তার এবং দায়িত্বে অবহেলাকারী পুলিশ কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে কঠোর শাস্তির দাবি জানিয়েছেন। প্রশাসনের আশ্বাসের পর পরিবার ময়নাতদন্তে সম্মতি দেয়।
এদিকে পিডি নিত্যা জানিয়েছেন, মূল অভিযুক্ত মহিপালসহ দুজনকে আটক করা হয়েছে এবং তাদের আনুষ্ঠানিক গ্রেপ্তারের প্রক্রিয়া চলছে। বাকি অভিযুক্তদেরও খুঁজে বের করতে অভিযান অব্যাহত রয়েছে।
এছাড়া পুলিশের ভূমিকা খতিয়ে দেখতে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে বিভাগীয় তদন্ত কমিটি গঠনের আশ্বাস দিয়েছে প্রশাসন। ঘটনাটি রাজস্থানে আইনশৃঙ্খলা ও নারী নিরাপত্তা নিয়ে নতুন করে প্রশ্ন তুলেছে।
লোড হচ্ছে...