সারা দেশ
লোহাগড়ায় ট্রাক চালককে কুপিয়ে হত্যার চেষ্টা
NewsView

নিউজভিউ ডেস্ক
নড়াইলের লোহাগড়ায় রহিম শিকদার নামে এক ট্রাক ড্রাইভারকে কুপিয়ে হত্যার চেষ্টা করা হয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে। গত বৃহস্পতিবার রাত সাড়ে ৮টার দিকে উপজেলার ধোপাদহ ব্রিজের পাশে এ ঘটনা ঘটে।
পুলিশ ও এলাকাবাসী সূত্রে জানা গেছে, লোহাগড়া উপজেলার কাশিপুর ইউনিয়নের ধোপাদহ এলাকার পাঁচ/ছয় জন কিশোর বৃহস্পতিবার সন্ধ্যার পর পূর্ব শত্রুতার জের ধরে ট্রাক ড্রাইভার রহিম শিকদারের ছেলে সোয়াইব শিকদারের মোবাইল ফোন কেড়ে নেয়। ঘটনা শুনে রহিম শিকদার ছেলের মোবাইল ফোন আনতে গেলে তারা ধোপাদহ ব্রিজের পাশে রহিম শিকদারের ওপর ধারালো অস্ত্র নিয়ে হামলা চালায়। এ সময় তার চিৎকারে এলাকার লোকজন ছুটে আসলে তারা পালিয়ে যায়। স্থানীয় লোকজন রহিম শিকদারকে মারাত্মক জখম অবস্থায় লোহাগড়া হাসপাতালে নিয়ে আসে। সেখানে প্রাথমিক চিকিৎসা শেষে অবস্থা আশঙ্কাজনক হওয়ায় রাতেই রহিম শিকদারকে ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে প্রেরণ করা হয়েছে। ভুক্তভোগী উক্ত কিশোরদের কিশোর গ্যাংয়ের সদস্য বলে উল্লেখ করেছে।
লোহাগড়া থানার পুলিশ পরিদর্শক (তদন্ত) অজিত কুমার রায় শুক্রবার সকালে বলেন, রাতে খবর পেয়ে হাসপাতালে গিয়ে দেখেছি, এ ঘটনায় দোষীদের আটকের জন্য অভিযান চলছে।
নড়াইলের লোহাগড়ায় রহিম শিকদার নামে এক ট্রাক ড্রাইভারকে কুপিয়ে হত্যার চেষ্টা করা হয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে। গত বৃহস্পতিবার রাত সাড়ে ৮টার দিকে উপজেলার ধোপাদহ ব্রিজের পাশে এ ঘটনা ঘটে।
পুলিশ ও এলাকাবাসী সূত্রে জানা গেছে, লোহাগড়া উপজেলার কাশিপুর ইউনিয়নের ধোপাদহ এলাকার পাঁচ/ছয় জন কিশোর বৃহস্পতিবার সন্ধ্যার পর পূর্ব শত্রুতার জের ধরে ট্রাক ড্রাইভার রহিম শিকদারের ছেলে সোয়াইব শিকদারের মোবাইল ফোন কেড়ে নেয়। ঘটনা শুনে রহিম শিকদার ছেলের মোবাইল ফোন আনতে গেলে তারা ধোপাদহ ব্রিজের পাশে রহিম শিকদারের ওপর ধারালো অস্ত্র নিয়ে হামলা চালায়। এ সময় তার চিৎকারে এলাকার লোকজন ছুটে আসলে তারা পালিয়ে যায়। স্থানীয় লোকজন রহিম শিকদারকে মারাত্মক জখম অবস্থায় লোহাগড়া হাসপাতালে নিয়ে আসে। সেখানে প্রাথমিক চিকিৎসা শেষে অবস্থা আশঙ্কাজনক হওয়ায় রাতেই রহিম শিকদারকে ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে প্রেরণ করা হয়েছে। ভুক্তভোগী উক্ত কিশোরদের কিশোর গ্যাংয়ের সদস্য বলে উল্লেখ করেছে।
লোহাগড়া থানার পুলিশ পরিদর্শক (তদন্ত) অজিত কুমার রায় শুক্রবার সকালে বলেন, রাতে খবর পেয়ে হাসপাতালে গিয়ে দেখেছি, এ ঘটনায় দোষীদের আটকের জন্য অভিযান চলছে।
লোড হচ্ছে...