রাজনীতি
একই দিনে জোড়া ভোট, সংসদ নির্বাচন ও গণভোটের নিয়ম নিয়ে যা জানাল ইসি
NewsView

নিউজভিউ
দীর্ঘ ৫৫ বছর পর বাংলাদেশে আবারও অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে গণভোট। তবে এবারের আয়োজনটি ঐতিহাসিকভাবে অনন্য, কারণ আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি একই দিনে ভোটাররা ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের পাশাপাশি দেশের সংস্কার ও ‘জুলাই সনদ’ বাস্তবায়নের প্রশ্নে গণভোটে অংশ নেবেন। একই দিনে দুটি আলাদা ব্যালটে ভোট দেওয়ার প্রক্রিয়া নিয়ে সাধারণ ভোটারদের মনে থাকা নানা প্রশ্নের স্পষ্ট ব্যাখ্যা দিয়েছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)।
অনেকের মনে প্রশ্ন ছিল, সংসদ নির্বাচন বা গণভোটের মধ্যে যে কোনো একটিতে ভোট দেওয়া যাবে কি না। এ বিষয়ে নির্বাচন কমিশনের সিনিয়র সহকারী সচিব মতিয়ুর রহমান স্পষ্ট জানিয়েছেন, ভোটারকে একই সঙ্গে দুটি ব্যালটই সরবরাহ করা হবে। কেউ যদি কেবল একটি ব্যালট নিতে চান, সেই সুযোগ নেই। এমনকি কেউ যদি গণভোটে অংশ নিতে না চান, তবুও তাকে দুটি ব্যালটই গ্রহণ করতে হবে এবং তা ভাঁজ করে ব্যালট বাক্সে ফেলতে হবে। তবে কোনো ব্যালট যদি ফাঁকা অবস্থায় বাক্সে পাওয়া যায়, তবে তা বাতিল বলে গণ্য হবে।
ভোটরদের চেনার সুবিধার্থে দুটি ব্যালটের রং আলাদা করা হয়েছে। সংসদ নির্বাচনের ব্যালট: সাদা-কালো।
গণভোটের ব্যালট: গোলাপি। ভোটাররা নির্ধারিত বুথে গিয়ে দুটি ব্যালটে আলাদাভাবে সিল মারবেন এবং এরপর উভয় ব্যালটই নির্ধারিত স্বচ্ছ ব্যালট বাক্সে ফেলবেন। অর্থাৎ সংসদ নির্বাচন ও গণভোটের জন্য আলাদা বাক্সের প্রয়োজন হবে না।
একই দিনে দুটি ভোট হওয়ায় কাজের চাপ বিবেচনায় ভোটগ্রহণের সময় বাড়ানো হয়েছে। আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি সকাল সাড়ে ৭টা থেকে বিকাল সাড়ে ৪টা পর্যন্ত বিরতিহীনভাবে ভোটগ্রহণ চলবে। ভোটগ্রহণ শেষে একই সঙ্গে সংসদ নির্বাচন ও গণভোটের ফলাফল গণনা করা হবে।
প্রবাসীদের জন্য একই খামে দুটি পোস্টাল ব্যালট পাঠানো হয়েছে, যা আগামী ২৫ জানুয়ারির মধ্যে দেশে পাঠানোর নির্দেশনা রয়েছে। এদিকে, এই বিশাল কর্মযজ্ঞ সফল করতে গতকাল বৃহস্পতিবার (২২ জানুয়ারি) থেকে সারা দেশের প্রিসাইডিং কর্মকর্তাদের বিশেষ প্রশিক্ষণ কার্যক্রম শুরু করেছে ইসি। সারা দেশে ৪২ হাজারের বেশি কেন্দ্রে এই জোড়া ভোট অনুষ্ঠিত হবে।
উল্লেখ্য, জুলাই গণ-অভ্যুত্থান পরবর্তী রাষ্ট্রীয় সংস্কারের জনমত যাচাইয়ে অন্তর্বর্তী সরকার এই গণভোটের আয়োজন করেছে, যেখানে ‘হ্যাঁ’ অথবা ‘না’ ভোটের মাধ্যমে জনগণ তাদের রায় দেবেন।
দীর্ঘ ৫৫ বছর পর বাংলাদেশে আবারও অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে গণভোট। তবে এবারের আয়োজনটি ঐতিহাসিকভাবে অনন্য, কারণ আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি একই দিনে ভোটাররা ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের পাশাপাশি দেশের সংস্কার ও ‘জুলাই সনদ’ বাস্তবায়নের প্রশ্নে গণভোটে অংশ নেবেন। একই দিনে দুটি আলাদা ব্যালটে ভোট দেওয়ার প্রক্রিয়া নিয়ে সাধারণ ভোটারদের মনে থাকা নানা প্রশ্নের স্পষ্ট ব্যাখ্যা দিয়েছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)।
অনেকের মনে প্রশ্ন ছিল, সংসদ নির্বাচন বা গণভোটের মধ্যে যে কোনো একটিতে ভোট দেওয়া যাবে কি না। এ বিষয়ে নির্বাচন কমিশনের সিনিয়র সহকারী সচিব মতিয়ুর রহমান স্পষ্ট জানিয়েছেন, ভোটারকে একই সঙ্গে দুটি ব্যালটই সরবরাহ করা হবে। কেউ যদি কেবল একটি ব্যালট নিতে চান, সেই সুযোগ নেই। এমনকি কেউ যদি গণভোটে অংশ নিতে না চান, তবুও তাকে দুটি ব্যালটই গ্রহণ করতে হবে এবং তা ভাঁজ করে ব্যালট বাক্সে ফেলতে হবে। তবে কোনো ব্যালট যদি ফাঁকা অবস্থায় বাক্সে পাওয়া যায়, তবে তা বাতিল বলে গণ্য হবে।
ভোটরদের চেনার সুবিধার্থে দুটি ব্যালটের রং আলাদা করা হয়েছে। সংসদ নির্বাচনের ব্যালট: সাদা-কালো।
গণভোটের ব্যালট: গোলাপি। ভোটাররা নির্ধারিত বুথে গিয়ে দুটি ব্যালটে আলাদাভাবে সিল মারবেন এবং এরপর উভয় ব্যালটই নির্ধারিত স্বচ্ছ ব্যালট বাক্সে ফেলবেন। অর্থাৎ সংসদ নির্বাচন ও গণভোটের জন্য আলাদা বাক্সের প্রয়োজন হবে না।
একই দিনে দুটি ভোট হওয়ায় কাজের চাপ বিবেচনায় ভোটগ্রহণের সময় বাড়ানো হয়েছে। আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি সকাল সাড়ে ৭টা থেকে বিকাল সাড়ে ৪টা পর্যন্ত বিরতিহীনভাবে ভোটগ্রহণ চলবে। ভোটগ্রহণ শেষে একই সঙ্গে সংসদ নির্বাচন ও গণভোটের ফলাফল গণনা করা হবে।
প্রবাসীদের জন্য একই খামে দুটি পোস্টাল ব্যালট পাঠানো হয়েছে, যা আগামী ২৫ জানুয়ারির মধ্যে দেশে পাঠানোর নির্দেশনা রয়েছে। এদিকে, এই বিশাল কর্মযজ্ঞ সফল করতে গতকাল বৃহস্পতিবার (২২ জানুয়ারি) থেকে সারা দেশের প্রিসাইডিং কর্মকর্তাদের বিশেষ প্রশিক্ষণ কার্যক্রম শুরু করেছে ইসি। সারা দেশে ৪২ হাজারের বেশি কেন্দ্রে এই জোড়া ভোট অনুষ্ঠিত হবে।
উল্লেখ্য, জুলাই গণ-অভ্যুত্থান পরবর্তী রাষ্ট্রীয় সংস্কারের জনমত যাচাইয়ে অন্তর্বর্তী সরকার এই গণভোটের আয়োজন করেছে, যেখানে ‘হ্যাঁ’ অথবা ‘না’ ভোটের মাধ্যমে জনগণ তাদের রায় দেবেন।
লোড হচ্ছে...