নারায়ণগঞ্জরূপগঞ্জ
৪ বছর আগের ডাকাতি মামলার রহস্যের উদঘাটন
NHP NewsView

নিউজভিউ
নারায়ণগঞ্জের রূপগঞ্জে ২০২২ সালে সংঘটিত একটি দুঃসাহসিক ও বড় ধরনের ডাকাতির ঘটনার রহস্য দীর্ঘ চার বছর পর উদ্ঘাটন করেছে পুলিশ ব্যুরো অফ ইনভেস্টিগেশন (পিবিআই)। এই মামলায় জড়িত থাকার অভিযোগে তদন্তকারী দল এক ব্যক্তিকে গ্রেপ্তার করেছে, যিনি ইতিমধ্যে আদালতে নিজের অপরাধ স্বীকার করে জবানবন্দি দিয়েছেন। এই অগ্রগতির ফলে ছায়া তদন্তে থাকা অন্য অপরাধীদের শনাক্ত করা এখন সময়ের ব্যাপার মাত্র।
২০২২ সালের ৯ এপ্রিল দিবাগত রাতে রূপগঞ্জের কাঞ্চন বাড়ৈইপাড়া এলাকায় ১৫-২০ জনের একটি সশস্ত্র ডাকাত দল তাণ্ডব চালায়। ডাকাতরা ফারুক হাসানের বাড়িসহ আশপাশের বেশ কয়েকটি বাড়িতে হামলা চালিয়ে সদস্যদের জিম্মি করে ফেলে। বাধা দিতে গিয়ে গৃহকর্তা ফারুক হাসান, তার স্ত্রী, ভাই মাসুম ও চাচা গিয়াস উদ্দিন গুরুতর আহত হন। ডাকাতদের গুলিতে মাসুম গুলিবিদ্ধ হয়েছিলেন। সেই রাতে ডাকাত দল খায়রুল বাশার ও তমিজ উদ্দিনের বাড়ি থেকেও নগদ টাকা ও স্বর্ণালঙ্কারসহ প্রায় ২০ লাখ ৬০ হাজার টাকার মালামাল লুট করে নিয়ে যায়।
ঘটনার পরদিন রূপগঞ্জ থানায় মামলা হলেও দীর্ঘদিন কোনো কূলকিনারা পাচ্ছিল না পুলিশ। পরবর্তীতে ২০২৩ সালের মার্চ মাসে মামলাটি পিবিআই নারায়ণগঞ্জে হস্তান্তর করা হয়। পিবিআই উন্নত প্রযুক্তি ও গোয়েন্দা তথ্য ব্যবহার করে হোসেন মিয়া নামে এক ব্যক্তির সংশ্লিষ্টতা খুঁজে পায়। অন্য একটি মামলায় আটক থাকা অবস্থায় হোসেন মিয়াকে এই ডাকাতি মামলায় গ্রেপ্তার দেখানো হলে তিনি গুরুত্বপূর্ণ তথ্য প্রদান করেন।
হোসেন মিয়ার দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে ২০২৬ সালের ৩০ এপ্রিল গভীর রাতে বরপা উত্তরপাড়া এলাকা থেকে মো. আজিজুল হক ভূইয়াকে আটক করা হয়। জিজ্ঞাসাবাদে আজিজুল হক নিজের সম্পৃক্ততার কথা স্বীকার করেন এবং আদালতে জবানবন্দি দেন যে, তারা একটি পেশাদার অপরাধী চক্রের সদস্য হিসেবে পরিকল্পিতভাবে এই হামলা চালিয়েছিলেন। পিবিআই জানিয়েছে, জবানবন্দিতে পাওয়া তথ্যের ভিত্তিতে চক্রের বাকি সদস্যদের ধরতে বর্তমানে বিশেষ অভিযান ও তদন্ত অব্যাহত রয়েছে।
নারায়ণগঞ্জের রূপগঞ্জে ২০২২ সালে সংঘটিত একটি দুঃসাহসিক ও বড় ধরনের ডাকাতির ঘটনার রহস্য দীর্ঘ চার বছর পর উদ্ঘাটন করেছে পুলিশ ব্যুরো অফ ইনভেস্টিগেশন (পিবিআই)। এই মামলায় জড়িত থাকার অভিযোগে তদন্তকারী দল এক ব্যক্তিকে গ্রেপ্তার করেছে, যিনি ইতিমধ্যে আদালতে নিজের অপরাধ স্বীকার করে জবানবন্দি দিয়েছেন। এই অগ্রগতির ফলে ছায়া তদন্তে থাকা অন্য অপরাধীদের শনাক্ত করা এখন সময়ের ব্যাপার মাত্র।
২০২২ সালের ৯ এপ্রিল দিবাগত রাতে রূপগঞ্জের কাঞ্চন বাড়ৈইপাড়া এলাকায় ১৫-২০ জনের একটি সশস্ত্র ডাকাত দল তাণ্ডব চালায়। ডাকাতরা ফারুক হাসানের বাড়িসহ আশপাশের বেশ কয়েকটি বাড়িতে হামলা চালিয়ে সদস্যদের জিম্মি করে ফেলে। বাধা দিতে গিয়ে গৃহকর্তা ফারুক হাসান, তার স্ত্রী, ভাই মাসুম ও চাচা গিয়াস উদ্দিন গুরুতর আহত হন। ডাকাতদের গুলিতে মাসুম গুলিবিদ্ধ হয়েছিলেন। সেই রাতে ডাকাত দল খায়রুল বাশার ও তমিজ উদ্দিনের বাড়ি থেকেও নগদ টাকা ও স্বর্ণালঙ্কারসহ প্রায় ২০ লাখ ৬০ হাজার টাকার মালামাল লুট করে নিয়ে যায়।
ঘটনার পরদিন রূপগঞ্জ থানায় মামলা হলেও দীর্ঘদিন কোনো কূলকিনারা পাচ্ছিল না পুলিশ। পরবর্তীতে ২০২৩ সালের মার্চ মাসে মামলাটি পিবিআই নারায়ণগঞ্জে হস্তান্তর করা হয়। পিবিআই উন্নত প্রযুক্তি ও গোয়েন্দা তথ্য ব্যবহার করে হোসেন মিয়া নামে এক ব্যক্তির সংশ্লিষ্টতা খুঁজে পায়। অন্য একটি মামলায় আটক থাকা অবস্থায় হোসেন মিয়াকে এই ডাকাতি মামলায় গ্রেপ্তার দেখানো হলে তিনি গুরুত্বপূর্ণ তথ্য প্রদান করেন।
হোসেন মিয়ার দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে ২০২৬ সালের ৩০ এপ্রিল গভীর রাতে বরপা উত্তরপাড়া এলাকা থেকে মো. আজিজুল হক ভূইয়াকে আটক করা হয়। জিজ্ঞাসাবাদে আজিজুল হক নিজের সম্পৃক্ততার কথা স্বীকার করেন এবং আদালতে জবানবন্দি দেন যে, তারা একটি পেশাদার অপরাধী চক্রের সদস্য হিসেবে পরিকল্পিতভাবে এই হামলা চালিয়েছিলেন। পিবিআই জানিয়েছে, জবানবন্দিতে পাওয়া তথ্যের ভিত্তিতে চক্রের বাকি সদস্যদের ধরতে বর্তমানে বিশেষ অভিযান ও তদন্ত অব্যাহত রয়েছে।
লোড হচ্ছে...