নারায়ণগঞ্জসদর
ডাইং শ্রমিকের ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার
NHP NewsView

নিউজভিউ
নারায়ণগঞ্জের ফতুল্লায় সামান্য তুচ্ছ কারণে অভিমানে নিজের জীবন দিলেন এক ডাইং শ্রমিক। বুধবার (১১ মার্চ) রাত ১১টার দিকে দাপা পাইলট উচ্চ বিদ্যালয় সংলগ্ন চন্দ্রাবাড়ী এলাকার একটি ভাড়া বাসা থেকে তাঁর মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ।
নিহত যুবকের নাম দেলোয়ার হোসেন (২৬)। সে নেত্রকোনার মোহনগঞ্জ থানার ফরিদ মিয়ার ছেলে এবং স্থানীয় আমিন ডাইং কারখানায় কর্মরত ছিলেন।
জানা যায়, বুধবার রাতে দেলোয়ারের কর্মস্থলে যাওয়ার কথা ছিল। কিন্তু তিনি কাজে যেতে না চাওয়ায় স্ত্রী তামান্নার সাথে তাঁর কথা কাটাকাটি হয়। তামান্না তাকে কাজে যাওয়ার জন্য চাপ দিলে এক পর্যায়ে দেলোয়ার ঘর থেকে বের হয়ে যান। কিছুক্ষণ পর তিনি ফিরে এলে স্বামীর মারধরের ভয়ে তামান্না পাশের কক্ষে তাঁর ফুফাতো বোনের ঘরে আশ্রয় নেন।
বাসায় ফিরে স্ত্রীকে না পেয়ে ক্ষোভে ও অভিমানে দেলোয়ার প্রথমে কাঠের টুকরো দিয়ে নিজের কপালে আঘাত করেন। এরপর পাশের দোকান থেকে সিগারেট কিনে দরজার সামনে বসে ধূমপান করেন। রাত ১০টার দিকে দেলোয়ারের ছোট বোন কাজ থেকে ফিরে এসে দরজা খুলে ঘরের আড়ার সাথে কাপড় পেঁচানো অবস্থায় ভাইয়ের ঝুলন্ত দেহ দেখতে পান।
ফতুল্লা মডেল থানার ওসি আব্দুল মান্নান জানান, খবর পেয়ে পুলিশ মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য মর্গে পাঠিয়েছে। প্রাথমিকভাবে বিষয়টিকে পারিবারিক কলহের জেরে আত্মহত্যা বলে ধারণা করা হচ্ছে। জিজ্ঞাসাবাদের জন্য নিহতের স্ত্রী ও বোনকে থানায় আনা হলেও পরে নিহতের মায়ের জিম্মায় তাঁদের ছেড়ে দেওয়া হয়েছে।
নারায়ণগঞ্জের ফতুল্লায় সামান্য তুচ্ছ কারণে অভিমানে নিজের জীবন দিলেন এক ডাইং শ্রমিক। বুধবার (১১ মার্চ) রাত ১১টার দিকে দাপা পাইলট উচ্চ বিদ্যালয় সংলগ্ন চন্দ্রাবাড়ী এলাকার একটি ভাড়া বাসা থেকে তাঁর মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ।
নিহত যুবকের নাম দেলোয়ার হোসেন (২৬)। সে নেত্রকোনার মোহনগঞ্জ থানার ফরিদ মিয়ার ছেলে এবং স্থানীয় আমিন ডাইং কারখানায় কর্মরত ছিলেন।
জানা যায়, বুধবার রাতে দেলোয়ারের কর্মস্থলে যাওয়ার কথা ছিল। কিন্তু তিনি কাজে যেতে না চাওয়ায় স্ত্রী তামান্নার সাথে তাঁর কথা কাটাকাটি হয়। তামান্না তাকে কাজে যাওয়ার জন্য চাপ দিলে এক পর্যায়ে দেলোয়ার ঘর থেকে বের হয়ে যান। কিছুক্ষণ পর তিনি ফিরে এলে স্বামীর মারধরের ভয়ে তামান্না পাশের কক্ষে তাঁর ফুফাতো বোনের ঘরে আশ্রয় নেন।
বাসায় ফিরে স্ত্রীকে না পেয়ে ক্ষোভে ও অভিমানে দেলোয়ার প্রথমে কাঠের টুকরো দিয়ে নিজের কপালে আঘাত করেন। এরপর পাশের দোকান থেকে সিগারেট কিনে দরজার সামনে বসে ধূমপান করেন। রাত ১০টার দিকে দেলোয়ারের ছোট বোন কাজ থেকে ফিরে এসে দরজা খুলে ঘরের আড়ার সাথে কাপড় পেঁচানো অবস্থায় ভাইয়ের ঝুলন্ত দেহ দেখতে পান।
ফতুল্লা মডেল থানার ওসি আব্দুল মান্নান জানান, খবর পেয়ে পুলিশ মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য মর্গে পাঠিয়েছে। প্রাথমিকভাবে বিষয়টিকে পারিবারিক কলহের জেরে আত্মহত্যা বলে ধারণা করা হচ্ছে। জিজ্ঞাসাবাদের জন্য নিহতের স্ত্রী ও বোনকে থানায় আনা হলেও পরে নিহতের মায়ের জিম্মায় তাঁদের ছেড়ে দেওয়া হয়েছে।
লোড হচ্ছে...