নারায়ণগঞ্জ
নারায়ণগঞ্জে ৫৬ শতাংশ ভোটকেন্দ্রই ঝুঁকিপূর্ণ, শীর্ষে আড়াইহাজার ও সোনারগাঁও
NewsView

নিউজভিউ
আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে নারায়ণগঞ্জ জেলার নির্বাচনী পরিবেশ ও নিরাপত্তা ব্যবস্থা পর্যালোচনায় এক উদ্বেগজনক তথ্য সামনে এসেছে। জেলার ৫টি সংসদীয় আসনে মোট ৭৯৭টি ভোটকেন্দ্রের মধ্যে ৪৫১টি কেন্দ্রকেই 'ঝুঁকিপূর্ণ' বা গুরুত্বপূর্ণ হিসেবে চিহ্নিত করেছে স্থানীয় প্রশাসন। শতাংশের হিসাবে জেলার মোট ভোটকেন্দ্রের প্রায় ৫৬ শতাংশই এই তালিকার অন্তর্ভুক্ত।
জেলা পুলিশ সুপারের কার্যালয় সূত্রে পাওয়া তথ্য বিশ্লেষণে দেখা যায়, ভৌগোলিক অবস্থান এবং রাজনৈতিক প্রভাবের ভিত্তিতে আড়াইহাজার ও সোনারগাঁ এলাকা নিরাপত্তার দিক থেকে সবচেয়ে বেশি চ্যালেঞ্জিং। আড়াইহাজার উপজেলা নিয়ে গঠিত নারায়ণগঞ্জ-২ আসনে ঝুঁকির হার সবচেয়ে বেশি—এখানকার ১১৮টি কেন্দ্রের মধ্যে ১০৫টিই (প্রায় ৮৯ শতাংশ) ঝুঁকিপূর্ণ। এর পরেই রয়েছে সোনারগাঁ ও সিদ্ধিরগঞ্জ নিয়ে গঠিত নারায়ণগঞ্জ-৩ আসন, যেখানে ২১০টি কেন্দ্রের মধ্যে ১৪৭টি (৭০ শতাংশ) গুরুত্বপূর্ণ হিসেবে চিহ্নিত হয়েছে।
রূপগঞ্জ তথা নারায়ণগঞ্জ-১ আসনে ঝুঁকির হার প্রায় ৫৫ শতাংশ। তবে তুলনামূলক স্বস্তিদায়ক অবস্থানে রয়েছে শহরাঞ্চল বেষ্টিত নারায়ণগঞ্জ-৪ ও নারায়ণগঞ্জ-৫ আসন। ফতুল্লা ও সিদ্ধিরগঞ্জের আংশিক নিয়ে গঠিত ৪ নম্বর আসনে ঝুঁকির হার ৪১ শতাংশ এবং সদর-বন্দর নিয়ে গঠিত ৫ নম্বর আসনে এই হার ৩৩ শতাংশ।
ভোটকেন্দ্র ঝুঁকিপূর্ণ হওয়ার কারণ ব্যাখ্যা করে অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (অপরাধ ও অপারেশন) তারেক আল মেহেদী জানান, মূলত যাতায়াত ব্যবস্থা এবং রাজনৈতিক প্রভাবকে কেন্দ্র করেই এই তালিকা তৈরি করা হয়েছে। যে কেন্দ্রগুলো দুর্গম বা যেখানে কোনো অপ্রীতিকর ঘটনা ঘটলে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর দ্রুত পৌঁছানো কঠিন, সেগুলোকে বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। এছাড়া প্রার্থীর বসতবাড়ি বা দলীয় কার্যালয়ের নিকটবর্তী কেন্দ্রগুলোতে বাড়তি প্রভাব বিস্তারের আশঙ্কা থাকায় সেগুলোকে গুরুত্বপূর্ণ তালিকায় রাখা হয়েছে।
পুলিশ প্রশাসন থেকে জানানো হয়েছে, মোট ২৩ লাখ ৯২ হাজার ৩৭০ জন ভোটারের ভোটাধিকার নিশ্চিত করতে এবং শান্তিপূর্ণ পরিবেশ বজায় রাখতে ঝুঁকিপূর্ণ কেন্দ্রগুলোতে সাধারণ কেন্দ্রের তুলনায় বাড়তি নিরাপত্তা ব্যবস্থা ও অতিরিক্ত জনবল মোতায়েন করা হবে। জেলা পুলিশের পাশাপাশি অন্যান্য আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীও এই কেন্দ্রগুলোতে বিশেষ নজরদারি রাখবে যাতে ভোটাররা নির্ভয়ে কেন্দ্রে আসতে পারেন।
আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে নারায়ণগঞ্জ জেলার নির্বাচনী পরিবেশ ও নিরাপত্তা ব্যবস্থা পর্যালোচনায় এক উদ্বেগজনক তথ্য সামনে এসেছে। জেলার ৫টি সংসদীয় আসনে মোট ৭৯৭টি ভোটকেন্দ্রের মধ্যে ৪৫১টি কেন্দ্রকেই 'ঝুঁকিপূর্ণ' বা গুরুত্বপূর্ণ হিসেবে চিহ্নিত করেছে স্থানীয় প্রশাসন। শতাংশের হিসাবে জেলার মোট ভোটকেন্দ্রের প্রায় ৫৬ শতাংশই এই তালিকার অন্তর্ভুক্ত।
জেলা পুলিশ সুপারের কার্যালয় সূত্রে পাওয়া তথ্য বিশ্লেষণে দেখা যায়, ভৌগোলিক অবস্থান এবং রাজনৈতিক প্রভাবের ভিত্তিতে আড়াইহাজার ও সোনারগাঁ এলাকা নিরাপত্তার দিক থেকে সবচেয়ে বেশি চ্যালেঞ্জিং। আড়াইহাজার উপজেলা নিয়ে গঠিত নারায়ণগঞ্জ-২ আসনে ঝুঁকির হার সবচেয়ে বেশি—এখানকার ১১৮টি কেন্দ্রের মধ্যে ১০৫টিই (প্রায় ৮৯ শতাংশ) ঝুঁকিপূর্ণ। এর পরেই রয়েছে সোনারগাঁ ও সিদ্ধিরগঞ্জ নিয়ে গঠিত নারায়ণগঞ্জ-৩ আসন, যেখানে ২১০টি কেন্দ্রের মধ্যে ১৪৭টি (৭০ শতাংশ) গুরুত্বপূর্ণ হিসেবে চিহ্নিত হয়েছে।
রূপগঞ্জ তথা নারায়ণগঞ্জ-১ আসনে ঝুঁকির হার প্রায় ৫৫ শতাংশ। তবে তুলনামূলক স্বস্তিদায়ক অবস্থানে রয়েছে শহরাঞ্চল বেষ্টিত নারায়ণগঞ্জ-৪ ও নারায়ণগঞ্জ-৫ আসন। ফতুল্লা ও সিদ্ধিরগঞ্জের আংশিক নিয়ে গঠিত ৪ নম্বর আসনে ঝুঁকির হার ৪১ শতাংশ এবং সদর-বন্দর নিয়ে গঠিত ৫ নম্বর আসনে এই হার ৩৩ শতাংশ।
ভোটকেন্দ্র ঝুঁকিপূর্ণ হওয়ার কারণ ব্যাখ্যা করে অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (অপরাধ ও অপারেশন) তারেক আল মেহেদী জানান, মূলত যাতায়াত ব্যবস্থা এবং রাজনৈতিক প্রভাবকে কেন্দ্র করেই এই তালিকা তৈরি করা হয়েছে। যে কেন্দ্রগুলো দুর্গম বা যেখানে কোনো অপ্রীতিকর ঘটনা ঘটলে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর দ্রুত পৌঁছানো কঠিন, সেগুলোকে বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। এছাড়া প্রার্থীর বসতবাড়ি বা দলীয় কার্যালয়ের নিকটবর্তী কেন্দ্রগুলোতে বাড়তি প্রভাব বিস্তারের আশঙ্কা থাকায় সেগুলোকে গুরুত্বপূর্ণ তালিকায় রাখা হয়েছে।
পুলিশ প্রশাসন থেকে জানানো হয়েছে, মোট ২৩ লাখ ৯২ হাজার ৩৭০ জন ভোটারের ভোটাধিকার নিশ্চিত করতে এবং শান্তিপূর্ণ পরিবেশ বজায় রাখতে ঝুঁকিপূর্ণ কেন্দ্রগুলোতে সাধারণ কেন্দ্রের তুলনায় বাড়তি নিরাপত্তা ব্যবস্থা ও অতিরিক্ত জনবল মোতায়েন করা হবে। জেলা পুলিশের পাশাপাশি অন্যান্য আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীও এই কেন্দ্রগুলোতে বিশেষ নজরদারি রাখবে যাতে ভোটাররা নির্ভয়ে কেন্দ্রে আসতে পারেন।
লোড হচ্ছে...