আন্তর্জাতিক
কোনো চাপে নতি স্বীকার করবে না ইরান: ইসমাইল বাকাই
NewsView4

নিউজভিউ ডেস্ক
সম্প্রতি মধ্যস্থতাকারীদের মাধ্যমে আসা একটি ১৫ দফা পরিকল্পনাকে অতিরিক্ত ও অযৌক্তিক বলে প্রত্যাখ্যান করেছে ইরান। বাকাই বলেন,"যুদ্ধবিরতির অভিজ্ঞতা বলে, এগুলো অনেক সময় পরবর্তী বড় কোনো আগ্রাসনের প্রস্তুতির কৌশল মাত্র। কোনো যুক্তিবাদী পক্ষ এই ধরনের ফাঁদে পা দেবে না। কূটনৈতিক আলোচনা বা মতামত প্রকাশকে যেন কোনোভাবেই আত্মসমর্পণ হিসেবে ভুল ব্যাখ্যা করা না হয়।" ইরানের জাতীয় নিরাপত্তা, সার্বভৌমত্ব এবং জনগণের স্বার্থ রক্ষায় তেহরান তার অবস্থানে অনড় বলে সাফ জানিয়ে দিয়েছে দেশটির পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়। সোমবার এক সাপ্তাহিক সংবাদ সম্মেলনে মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র ইসমাইল বাকাই বর্তমান সামরিক উত্তেজনা এবং যুদ্ধবিরতির প্রস্তাবনা নিয়ে ইরানের কঠোর ও স্পষ্ট অবস্থান তুলে ধরেন।
যুক্তরাষ্ট্রের সাম্প্রতিক ভূমিকার তীব্র সমালোচনা করে মুখপাত্র বলেন, গত এক বছরে ওয়াশিংটনের নেওয়া পদক্ষেপগুলো তাদের কূটনৈতিক বিশ্বাসযোগ্যতা পুরোপুরি নষ্ট করে দিয়েছে। তিনি উল্লেখ করেন, গত কয়েক মাসেই যুক্তরাষ্ট্র প্রায় ৭০টি আন্তর্জাতিক নথি থেকে নিজেদের প্রত্যাহার করে নিয়েছে। তিনি প্রশ্ন তোলেন যারা একদিকে আলোচনার কথা বলে এবং অন্যদিকে হামলা বৃদ্ধির হুমকি দেয়, তাদের ওপর ভরসা করার কোনো কারণ নেই।
ইরানের বেসামরিক লক্ষ্যবস্তু এবং গুরুত্বপূর্ণ অবকাঠামো ধ্বংস করার মার্কিন হুমকির বিষয়ে বাকাই কঠোর হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করেন। তিনি বলেন, "বেসামরিক স্থাপনায় হামলার সবুজ সংকেত দেওয়া বা অবকাঠামো ধ্বংসের হুমকি দেওয়া সরাসরি যুদ্ধাপরাধের শামিল। যারা এই অপরাধে জড়িত বা যুক্তরাষ্ট্রকে সহযোগিতা করছে, তাদের প্রত্যেককেই কঠোর জবাবদিহিতার আওতায় আনতে হবে।"
জাতিসংঘ বর্তমানে শক্তিশালী দেশগুলোর হাতের পুতুলে পরিণত হয়েছে বলে মন্তব্য করেন বাকাই। তিনি জোর দিয়ে বলেন, "জাতিসংঘ যখন আগ্রাসন দমনে ব্যর্থ, তখন ইরানকে অবশ্যই নিজ উদ্যোগে জাতীয় নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে হবে।" কোনো নির্দিষ্ট সময়সীমা যেন দেশের প্রতিরক্ষা কার্যক্রমে বাধার সৃষ্টি না করে, সে বিষয়েও তিনি সশস্ত্র বাহিনীকে সতর্ক করেন।
গত ২৮শে ফেব্রুয়ারি ইসলামী বিপ্লবের নেতা আয়াতুল্লাহ সাইয়েদ আলী খামেনেইসহ ঊর্ধ্বতন সামরিক ও বেসামরিক কর্মকর্তাদের হত্যাকাণ্ডের পর ইরানজুড়ে মার্কিন-ইসরায়েলি জোট বড় আকারের সামরিক অভিযান শুরু করে। এই বিনা উস্কানির হামলায় ইরানের ব্যাপক জানমালের ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। এর পাল্টা জবাবে ইরানের সশস্ত্র বাহিনীও অধিকৃত অঞ্চল ও আঞ্চলিক ঘাঁটিগুলোতে ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালিয়ে যাচ্ছে।
মুখপাত্র ইসমাইল বাকাই তার বক্তব্য শেষ করেন এই বলে যে, "আমাদের মানদণ্ড হলো জাতীয় স্বার্থ ও নিরাপত্তা। শত্রু আগ্রাসন তীব্রতর করলে ইরানও তার চূড়ান্ত জবাব দিতে পুরোপুরি প্রস্তুত রয়েছে।"
যুক্তরাষ্ট্রের সাম্প্রতিক ভূমিকার তীব্র সমালোচনা করে মুখপাত্র বলেন, গত এক বছরে ওয়াশিংটনের নেওয়া পদক্ষেপগুলো তাদের কূটনৈতিক বিশ্বাসযোগ্যতা পুরোপুরি নষ্ট করে দিয়েছে। তিনি উল্লেখ করেন, গত কয়েক মাসেই যুক্তরাষ্ট্র প্রায় ৭০টি আন্তর্জাতিক নথি থেকে নিজেদের প্রত্যাহার করে নিয়েছে। তিনি প্রশ্ন তোলেন যারা একদিকে আলোচনার কথা বলে এবং অন্যদিকে হামলা বৃদ্ধির হুমকি দেয়, তাদের ওপর ভরসা করার কোনো কারণ নেই।
ইরানের বেসামরিক লক্ষ্যবস্তু এবং গুরুত্বপূর্ণ অবকাঠামো ধ্বংস করার মার্কিন হুমকির বিষয়ে বাকাই কঠোর হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করেন। তিনি বলেন, "বেসামরিক স্থাপনায় হামলার সবুজ সংকেত দেওয়া বা অবকাঠামো ধ্বংসের হুমকি দেওয়া সরাসরি যুদ্ধাপরাধের শামিল। যারা এই অপরাধে জড়িত বা যুক্তরাষ্ট্রকে সহযোগিতা করছে, তাদের প্রত্যেককেই কঠোর জবাবদিহিতার আওতায় আনতে হবে।"
জাতিসংঘ বর্তমানে শক্তিশালী দেশগুলোর হাতের পুতুলে পরিণত হয়েছে বলে মন্তব্য করেন বাকাই। তিনি জোর দিয়ে বলেন, "জাতিসংঘ যখন আগ্রাসন দমনে ব্যর্থ, তখন ইরানকে অবশ্যই নিজ উদ্যোগে জাতীয় নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে হবে।" কোনো নির্দিষ্ট সময়সীমা যেন দেশের প্রতিরক্ষা কার্যক্রমে বাধার সৃষ্টি না করে, সে বিষয়েও তিনি সশস্ত্র বাহিনীকে সতর্ক করেন।
গত ২৮শে ফেব্রুয়ারি ইসলামী বিপ্লবের নেতা আয়াতুল্লাহ সাইয়েদ আলী খামেনেইসহ ঊর্ধ্বতন সামরিক ও বেসামরিক কর্মকর্তাদের হত্যাকাণ্ডের পর ইরানজুড়ে মার্কিন-ইসরায়েলি জোট বড় আকারের সামরিক অভিযান শুরু করে। এই বিনা উস্কানির হামলায় ইরানের ব্যাপক জানমালের ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। এর পাল্টা জবাবে ইরানের সশস্ত্র বাহিনীও অধিকৃত অঞ্চল ও আঞ্চলিক ঘাঁটিগুলোতে ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালিয়ে যাচ্ছে।
মুখপাত্র ইসমাইল বাকাই তার বক্তব্য শেষ করেন এই বলে যে, "আমাদের মানদণ্ড হলো জাতীয় স্বার্থ ও নিরাপত্তা। শত্রু আগ্রাসন তীব্রতর করলে ইরানও তার চূড়ান্ত জবাব দিতে পুরোপুরি প্রস্তুত রয়েছে।"
লোড হচ্ছে...