নারায়ণগঞ্জসদর
নির্বিঘ্নে ঈদের নামাজ নিশ্চিতে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে: জেলা প্রশাসক
NewsView

নিউজভিউ ডেস্ক
পবিত্র ঈদুল আজহার প্রধান জামাত সুষ্ঠু, শান্তিপূর্ণ ও নিরাপদে আয়োজনের লক্ষ্যে নারায়ণগঞ্জে এক প্রস্তুতিমূলক সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। মঙ্গলবার (১৯ মে) জেলা প্রশাসকের সম্মেলন কক্ষে অনুষ্ঠিত এই সভায় সভাপতির বক্তব্যে জেলা প্রশাসক (ডিসি) মো. রায়হান কবির বলেন, “নারায়ণগঞ্জ কেন্দ্রীয় ঈদগাহে হাজারো মুসল্লি একসঙ্গে নামাজ আদায় করবেন। তাঁদের নিরাপত্তা ও নির্বিঘ্নে নামাজ আদায় নিশ্চিত করতে জেলা প্রশাসন সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিচ্ছে।”
সভায় ঈদগাহ মাঠের ব্যবস্থাপনা ও আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ে বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। জেলা প্রশাসক জানান, ঈদগাহ মাঠে পর্যাপ্ত পুলিশ, র্যাব ও আনসার সদস্য মোতায়েন থাকবে এবং পুরো এলাকা সিসিটিভি ক্যামেরার আওতায় আনা হবে। যেকোনো জরুরি পরিস্থিতি মোকাবিলায় মাঠ প্রাঙ্গণে মেডিকেল টিম, ফায়ার সার্ভিস ও অ্যাম্বুলেন্স প্রস্তুত রাখার সিদ্ধান্ত হয়েছে। এছাড়া মুসল্লিদের সুবিধার্থে এবং যানজট এড়াতে ঈদগাহসংলগ্ন সড়কে নির্দিষ্ট সময়ে যান চলাচল নিয়ন্ত্রণ করা হবে। ঈদের দুই দিন আগে থেকেই মাঠ প্রাঙ্গণে মাইকিংয়ের মাধ্যমে মুসল্লিদের প্রয়োজনীয় দিকনির্দেশনা দেওয়া হবে। পাশাপাশি অজুর জন্য পর্যাপ্ত পানির ব্যবস্থা, অস্থায়ী টয়লেট স্থাপন এবং দ্রুত মাঠ পরিচ্ছন্ন করার জন্য সিটি করপোরেশনকে বিশেষ নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।
ডিসি আরও বলেন, সব রাজনৈতিক ও সামাজিক সংগঠন এবং ওলামায়ে কেরামের সহযোগিতায় এবারের ঈদের জামাত শান্তিপূর্ণভাবে সম্পন্ন হবে বলে প্রশাসন আশাবাদী। ধর্মীয় সম্প্রীতি বজায় রেখে সবাই মিলে উৎসবমুখর পরিবেশে ঈদ উদযাপন করার প্রত্যাশাও ব্যক্ত করেন তিনি।
অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) মো. সিফাত উদ্দিনের সঞ্চালনায় এই প্রস্তুতিমূলক সভায় বিভিন্ন রাজনৈতিক সংগঠনের শীর্ষ নেতারা উপস্থিত ছিলেন। তাঁদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন জেলা বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক মাশুকুল ইসলাম রাজীব, মহানগর বিএনপির সদস্য সচিব অ্যাডভোকেট আবু আল ইউসুফ খান টিপু, জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় কর্মপরিষদ সদস্য মাওলানা মঈনুউদ্দিন আহমাদ, মহানগর জামায়াতে ইসলামীর আমীর আবদুল জব্বার এবং ইসলামী আন্দোলন মহানগর শাখার সভাপতি মুফতি মাসুম বিল্লাহ প্রমুখ।
জেলা প্রশাসন সূত্র জানায়, সভায় নিরাপত্তা ও ট্রাফিক নিয়ন্ত্রণের পাশাপাশি কেন্দ্রীয় ঈদগাহ মাঠের ঈদের জামাতের ইমাম নির্বাচন, মাইক ও নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ ব্যবস্থা সচল রাখা এবং দুর্যোগপূর্ণ আবহাওয়া বা বৃষ্টি হলে বিকল্প কী ব্যবস্থা নেওয়া যায়, তা নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা ও প্রয়োজনীয় সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হয়।
সভায় ঈদগাহ মাঠের ব্যবস্থাপনা ও আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ে বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। জেলা প্রশাসক জানান, ঈদগাহ মাঠে পর্যাপ্ত পুলিশ, র্যাব ও আনসার সদস্য মোতায়েন থাকবে এবং পুরো এলাকা সিসিটিভি ক্যামেরার আওতায় আনা হবে। যেকোনো জরুরি পরিস্থিতি মোকাবিলায় মাঠ প্রাঙ্গণে মেডিকেল টিম, ফায়ার সার্ভিস ও অ্যাম্বুলেন্স প্রস্তুত রাখার সিদ্ধান্ত হয়েছে। এছাড়া মুসল্লিদের সুবিধার্থে এবং যানজট এড়াতে ঈদগাহসংলগ্ন সড়কে নির্দিষ্ট সময়ে যান চলাচল নিয়ন্ত্রণ করা হবে। ঈদের দুই দিন আগে থেকেই মাঠ প্রাঙ্গণে মাইকিংয়ের মাধ্যমে মুসল্লিদের প্রয়োজনীয় দিকনির্দেশনা দেওয়া হবে। পাশাপাশি অজুর জন্য পর্যাপ্ত পানির ব্যবস্থা, অস্থায়ী টয়লেট স্থাপন এবং দ্রুত মাঠ পরিচ্ছন্ন করার জন্য সিটি করপোরেশনকে বিশেষ নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।
ডিসি আরও বলেন, সব রাজনৈতিক ও সামাজিক সংগঠন এবং ওলামায়ে কেরামের সহযোগিতায় এবারের ঈদের জামাত শান্তিপূর্ণভাবে সম্পন্ন হবে বলে প্রশাসন আশাবাদী। ধর্মীয় সম্প্রীতি বজায় রেখে সবাই মিলে উৎসবমুখর পরিবেশে ঈদ উদযাপন করার প্রত্যাশাও ব্যক্ত করেন তিনি।
অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) মো. সিফাত উদ্দিনের সঞ্চালনায় এই প্রস্তুতিমূলক সভায় বিভিন্ন রাজনৈতিক সংগঠনের শীর্ষ নেতারা উপস্থিত ছিলেন। তাঁদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন জেলা বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক মাশুকুল ইসলাম রাজীব, মহানগর বিএনপির সদস্য সচিব অ্যাডভোকেট আবু আল ইউসুফ খান টিপু, জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় কর্মপরিষদ সদস্য মাওলানা মঈনুউদ্দিন আহমাদ, মহানগর জামায়াতে ইসলামীর আমীর আবদুল জব্বার এবং ইসলামী আন্দোলন মহানগর শাখার সভাপতি মুফতি মাসুম বিল্লাহ প্রমুখ।
জেলা প্রশাসন সূত্র জানায়, সভায় নিরাপত্তা ও ট্রাফিক নিয়ন্ত্রণের পাশাপাশি কেন্দ্রীয় ঈদগাহ মাঠের ঈদের জামাতের ইমাম নির্বাচন, মাইক ও নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ ব্যবস্থা সচল রাখা এবং দুর্যোগপূর্ণ আবহাওয়া বা বৃষ্টি হলে বিকল্প কী ব্যবস্থা নেওয়া যায়, তা নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা ও প্রয়োজনীয় সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হয়।
লোড হচ্ছে...