জাতীয়
ইশতেহারে প্রত্যেক শ্রেণি-পেশার জন্যই কিছু না কিছু রেখেছি : প্রধানমন্ত্রী
NHP NewsView

নিউজভিউ ডেস্ক
নির্বাচনী ইশতেহারে ঘোষিত প্রতিটি প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়নের মাধ্যমে দেশের সকল শ্রেণি-পেশার মানুষের জীবনযাত্রার মান উন্নয়নে সরকার কাজ শুরু করেছে বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। তিনি বলেন, “শ্রমিক, কৃষক, দিনমজুর থেকে শুরু করে প্রান্তিক নারী সমাজ—সকলের জন্যই আমাদের ইশতেহারে কিছু না কিছু রাখা হয়েছে। আমরা প্রতিটি মানুষের স্বাবলম্বী হওয়ার সুযোগ নিশ্চিত করতে চাই।”
বুধবার (১৫ এপ্রিল) সকালে জাতীয় সংসদে প্রশ্নোত্তর পর্বে পাবনা-৫ আসনের সংসদ সদস্য শিমুল বিশ্বাসের এক সম্পূরক প্রশ্নের জবাবে প্রধানমন্ত্রী এসব কথা বলেন। এদিন বেলা ১১টায় স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদের সভাপতিত্বে সংসদের কার্যক্রম শুরু হয়।
প্রধানমন্ত্রী তাঁর বক্তব্যে তৃণমূল পর্যায়ের মানুষের জন্য গৃহীত বিভিন্ন পদক্ষেপের কথা তুলে ধরে বলেন, “কৃষকদের সরাসরি সহযোগিতা করতে আমরা ইতোমধ্যে ‘কৃষক কার্ড’ প্রদান করেছি। একইভাবে দেশের নারী সমাজকে অর্থনৈতিকভাবে স্বাবলম্বী করার লক্ষ্যে প্রান্তিক নারী প্রধান পরিবারগুলোকে ‘ফ্যামিলি কার্ড’ দেওয়ার প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে।” তিনি আরও উল্লেখ করেন যে, দেশে চলমান খাল খনন কর্মসূচি কেবল কৃষির উন্নয়ন নয়, বরং গ্রামীণ খেটে খাওয়া মানুষের কর্মসংস্থান ও উপকারেও বড় ভূমিকা রাখছে।
পরিবেশ রক্ষা ও কর্মসংস্থান নিয়ে সরকারের ভবিষ্যৎ পরিকল্পনার কথা জানিয়ে তারেক রহমান বলেন, “নির্বাচনের আগে আমরা পাঁচ বছরে ২৫ কোটি বৃক্ষরোপণের প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলাম। এই বিশাল কর্মযজ্ঞের মাধ্যমে সমাজের শ্রমজীবী মানুষ বিভিন্নভাবে আর্থিক ও পরিবেশগতভাবে উপকৃত হবে।”
ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানের খেটে খাওয়া মানুষদের সম্মানী প্রদানের বিষয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, “ইমাম, মুয়াজ্জিন এবং অন্যান্য ধর্মের ধর্মগুরুরা আমাদের জীবনের প্রতিটি ধাপে গুরুত্বপূর্ণ পরামর্শ দেন। তাদের আর্থিক সুরক্ষা দিতে সরকারিভাবে সম্মানীর যে প্রতিশ্রুতি আমরা দিয়েছিলাম, তার বাস্তবায়ন কাজও শুরু হয়েছে।” এছাড়াও ক্রীড়া ক্ষেত্রে পেশাদারিত্ব তৈরিতে তরুণদের ‘ক্রীড়া কার্ডের’ আওতায় আনার বিষয়টি তিনি সংসদকে অবহিত করেন।
প্রধানমন্ত্রী জোর দিয়ে বলেন, বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) বিপুল ভোটে জয়ী হয়ে ক্ষমতায় এসেছে দেশের মানুষের সেবা করার জন্য। শিল্পোদ্যোক্তাদের জন্য সহায়ক নীতি প্রণয়নের পাশাপাশি প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর ভাগ্য উন্নয়নে সরকার বদ্ধপরিকর। প্রতিটি প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়নের মাধ্যমে একটি উন্নত ও বৈষম্যহীন বাংলাদেশ গড়ে তোলাই তাঁর সরকারের মূল লক্ষ্য বলে তিনি পুনব্যক্ত করেন।
নির্বাচনী ইশতেহারে ঘোষিত প্রতিটি প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়নের মাধ্যমে দেশের সকল শ্রেণি-পেশার মানুষের জীবনযাত্রার মান উন্নয়নে সরকার কাজ শুরু করেছে বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। তিনি বলেন, “শ্রমিক, কৃষক, দিনমজুর থেকে শুরু করে প্রান্তিক নারী সমাজ—সকলের জন্যই আমাদের ইশতেহারে কিছু না কিছু রাখা হয়েছে। আমরা প্রতিটি মানুষের স্বাবলম্বী হওয়ার সুযোগ নিশ্চিত করতে চাই।”
বুধবার (১৫ এপ্রিল) সকালে জাতীয় সংসদে প্রশ্নোত্তর পর্বে পাবনা-৫ আসনের সংসদ সদস্য শিমুল বিশ্বাসের এক সম্পূরক প্রশ্নের জবাবে প্রধানমন্ত্রী এসব কথা বলেন। এদিন বেলা ১১টায় স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদের সভাপতিত্বে সংসদের কার্যক্রম শুরু হয়।
প্রধানমন্ত্রী তাঁর বক্তব্যে তৃণমূল পর্যায়ের মানুষের জন্য গৃহীত বিভিন্ন পদক্ষেপের কথা তুলে ধরে বলেন, “কৃষকদের সরাসরি সহযোগিতা করতে আমরা ইতোমধ্যে ‘কৃষক কার্ড’ প্রদান করেছি। একইভাবে দেশের নারী সমাজকে অর্থনৈতিকভাবে স্বাবলম্বী করার লক্ষ্যে প্রান্তিক নারী প্রধান পরিবারগুলোকে ‘ফ্যামিলি কার্ড’ দেওয়ার প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে।” তিনি আরও উল্লেখ করেন যে, দেশে চলমান খাল খনন কর্মসূচি কেবল কৃষির উন্নয়ন নয়, বরং গ্রামীণ খেটে খাওয়া মানুষের কর্মসংস্থান ও উপকারেও বড় ভূমিকা রাখছে।
পরিবেশ রক্ষা ও কর্মসংস্থান নিয়ে সরকারের ভবিষ্যৎ পরিকল্পনার কথা জানিয়ে তারেক রহমান বলেন, “নির্বাচনের আগে আমরা পাঁচ বছরে ২৫ কোটি বৃক্ষরোপণের প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলাম। এই বিশাল কর্মযজ্ঞের মাধ্যমে সমাজের শ্রমজীবী মানুষ বিভিন্নভাবে আর্থিক ও পরিবেশগতভাবে উপকৃত হবে।”
ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানের খেটে খাওয়া মানুষদের সম্মানী প্রদানের বিষয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, “ইমাম, মুয়াজ্জিন এবং অন্যান্য ধর্মের ধর্মগুরুরা আমাদের জীবনের প্রতিটি ধাপে গুরুত্বপূর্ণ পরামর্শ দেন। তাদের আর্থিক সুরক্ষা দিতে সরকারিভাবে সম্মানীর যে প্রতিশ্রুতি আমরা দিয়েছিলাম, তার বাস্তবায়ন কাজও শুরু হয়েছে।” এছাড়াও ক্রীড়া ক্ষেত্রে পেশাদারিত্ব তৈরিতে তরুণদের ‘ক্রীড়া কার্ডের’ আওতায় আনার বিষয়টি তিনি সংসদকে অবহিত করেন।
প্রধানমন্ত্রী জোর দিয়ে বলেন, বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) বিপুল ভোটে জয়ী হয়ে ক্ষমতায় এসেছে দেশের মানুষের সেবা করার জন্য। শিল্পোদ্যোক্তাদের জন্য সহায়ক নীতি প্রণয়নের পাশাপাশি প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর ভাগ্য উন্নয়নে সরকার বদ্ধপরিকর। প্রতিটি প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়নের মাধ্যমে একটি উন্নত ও বৈষম্যহীন বাংলাদেশ গড়ে তোলাই তাঁর সরকারের মূল লক্ষ্য বলে তিনি পুনব্যক্ত করেন।
লোড হচ্ছে...